বিবিসির রিপোর্ট

মহানবী (স.) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র, ফ্রান্সে শিক্ষকের শিরশ্ছেদ, হামলাকারী নিহত

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ১৭ অক্টোবর ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:৪২

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)-কে আঁকা ব্যঙ্গচিত্র শিক্ষার্থীদের দেখানোর পর ফ্রান্সে এক শিক্ষকের শিরশ্ছেদ করেছে এক হামলাকারী। পুলিশ ওই হামলাকারীকে গুলি করে হত্যা করেছে। একে ইসলামপন্থি সন্ত্রাসী হামলা বলে আখ্যায়িত করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। নিহত ওই শিক্ষক বা হামলাকারী কারোই নাম, পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ম্যাক্রন বলেছেন, ওই শিক্ষক মত প্রকাশের স্বাধীনতা শিক্ষা দিচ্ছিলেন। হামলাকারীর উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা বিজয়ী হয়নি। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
এতে বলা হয়, শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার দিকে এই হামলা হয় প্যারিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি এলাকায় সংশ্লিষ্ট স্কুলের কাছে। এ হামলার বিষয়ে তদন্ত করছে সন্ত্রাস বিরোধী প্রসিকিউটররা। খবরে বলা হয়েছে, হামলার পরে ওই হামলাকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে পুলিশ। হাতে ছুরি থাকা ওই হামলাকারীকে এ সময় গুলি করে তারা। এতে সে মারা যায়।

ফরাসি কৌতুক ম্যাগাজিন শার্লি এবদোতে এর আগে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশিত হয়েছিল। মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)কে নিয়ে এমন ব্যঙ্গচিত্র ইসলামে নিষিদ্ধ। ফলে ওই ম্যাগাজিনটির বিরুদ্ধে ইসলামী রাষ্ট্রগুলোতে ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়। ২০১৫ সালে ওই ম্যাগাজিনটির অফিসে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে। তার বিচার চলছে এখনও। এই ম্যাগাজিনটির অফিসের বাইরে তিন সপ্তাহ আগে এক ব্যক্তি হামলা চালিয়ে আহত করেছে দু’জনকে।

বিবিসি লিখেছে, কনফ্লান্স-সেইন্ট-হনোরিন শহরে একটি সড়কের ওপর শুক্রবার বিশাল এক ছুরি হাতে এক ব্যক্তি হামলা চালায় ওই শিক্ষকের ওপর। কেটে নেয় তার মাথা। পুলিশের এক সূত্র বলেছে, প্রত্যক্ষদর্শীরা হামলাকারীকে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করতে শুনেছেন। শিক্ষকের মাথা কেটে নিয়ে হামলাকারী দৌড়াতে থাকে। জনসাধারণ সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়। তারা দ্রুত ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। পাশেই ইরাগনির কাছে ওই হামলাকারীর মুখোমুখি হয় পুলিশ। তারা তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলে। কিন্তু উল্টো সে পুলিশকে হুমকি দিতে থাকে। এ পর্যায়ে পুলিশ তাকে গুলি করে। অল্প পরেই মারা যায় সে। বর্তমানে ওই এলাকা তদন্তের জন্য সিল করে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এক কিশোর সহ চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিচার বিভাগীয় সূত্র নিশ্চিত করেছেন বার্তা সংস্থা এএফপি’কে। গ্রেপ্তার করা এই চার ব্যক্তি হামলাকারীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ওদিকে ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

ফরাসি সম্প্রচার মাধ্যম বিএফএমটিভি রিপোর্ট করেছে যে, হামলাকারী ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর। তার জন্ম মস্কোতে। অন্যদিকে ফরাসি পত্রিকা লা মন্ডে লিখেছে, হামলার শিকার ব্যক্তি ইতিহাস ও ভূগোলের শিক্ষক। তিনি মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র নিয়ে ক্লাসে মত প্রকাশের স্বাধীনতার শিক্ষা দিচ্ছিলেন। ওই ব্যঙ্গচিত্র নিয়ে শার্লি এবদোর বিরুদ্ধে সারা বিশ্বের মুসলিমদের মধ্যে এর আগে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। মুসলিম শিক্ষার্থীরা যদি এই শিক্ষাকে আপত্তিকর মনে করে, তাহলে তাদেরকে আগেই ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল ওই শিক্ষক।

শার্লি এবদো হামলার বিচার নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে ওই শিক্ষক ক্লাসে এক বা একাধিক ব্যঙ্গচিত্র ব্যবহার করেন। এ মাসের শুরুর দিকে এর বিরুদ্ধে বেশ কিছু মুসলিম অভিভাবক এর বিরুদ্ধে স্কুলে অভিযোগ দিয়েছিলেন। শুক্রবারের হামলা নিয়ে এরই মধ্যে শার্লি এবদো টুইট করেছে। তাতে বলা হয়েছে, অসহিষ্ণুতা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। দৃশ্যত আমাদের দেশ থেকে সন্ত্রাস বন্ধে কিছুই করা হয়নি। প্যারিসে বিবিসির সাংবাদিক হিউ শোফিল্ড বলেছেন, হত্যার উদ্দেশ্য যদি প্রমাণিত হয় তাহলে তা হবে ফ্রান্সের জন্য অত্যন্ত হতাশার। তারা এ হামলাকে শুধু নৃশংস হামলা হিসেবে দেখবে না। একই সঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই হামলাকে দেখা হবে তার দায়িত্ব পালনের বিরুদ্ধে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

md sahjahan pathan

২০২০-১০-২২ ০৯:৫০:৪২

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন বাক স্বাধীনতার কথা বলে ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন।

মাহমুদ হেসাইন

২০২০-১০-১৯ ০১:৫৪:৪১

সেই শিক্ষক আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ব্যঙ্গ চিত্র একে ইসলাম ও মুসলমানদের আঘাত করেছে এটা মত প্রকাশের স্বাধীনতা হতে পারে না। সে ইসলাম ধর্মের উপর আঘাত করেছে।

Mohiuddin Ahmed

২০২০-১০-১৯ ১১:৩৪:৫০

He is a real hero. May Allah give him Jannat

ওবাইদুল ইসলাম

২০২০-১০-১৮ ১৭:০১:৩১

এই হত্যা কান্ডের জন্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের উস্কানি মূলক কথা বার্তাই দায়ী । পরন্ত জনসমর্থন ফিরে পাবার জন্য ইসলাম বিদ্বেষী কথা বলে ইসলাম বিরোধীদের প্লাটফর্মে নিজে নাম লিখিয়ে কদর্য কাজটাই করে ম্যাক্র ।

khairulalam khan

২০২০-১০-১৮ ০৩:২৬:৩৬

Our Prophet Muhammad(SAW) is dearer than our souls. We cannot tolerate the disgrace of our Prophet Muhammad (SAW).He is the ideal of whole mankind.

মো: সোহায়েল আহমেদ

২০২০-১০-১৮ ১৪:২৮:২৮

আল্লাহুআকবর

রানা

২০২০-১০-১৮ ১২:০৯:২৭

হে আল্লাহ ছেলেটিকে তুমি তোমার উত্তম জান্নাত দান কর...আমিন

ইমরান

২০২০-১০-১৮ ১০:৩০:৪৯

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ নাকি এই হামলার ঘটনাকে ‘ইসলামী সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়েছে। এই ব্যাটা এমানুয়েল মাখোঁ রাই সারা দুনিয়ায় সাধারন মুসলমানদের অপবাদ দিয়ে হয়রানি শুরু করেছে, সেই ৯/১১ এর পর থেকেই। মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানরা কেন এর প্রতিবাদ করেনা, কেন এর বিরুদ্ধ্যে গর্জে উঠেনা ? কথায়-কথায় ‘ইসলামী সন্ত্রাসবাদ’ তকমা দেওয়া শুরু করেছে সেই কত বছর আগে থেকে।

Shamim Ahmad

২০২০-১০-১৭ ২০:৩২:৩৯

আলহামদুলিল্লাহ।

মাদিদ

২০২০-১০-১৭ ১৮:২৯:২৬

মত প্রকাশের নামে শয়তানি যেটা কামযনয় , কেউ অন্যের কলিজায় আঘাত দিবে আর বলবে মতপ্রকাশ ! ঐ শিক্ষকের মা- মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর মত প্রকাশ করলে সেকি মেনেনিবে ? কেউ মানবেনা, অতেব মানবতা দিতেই বুঝতেহবে .

SJ

২০২০-১০-১৮ ০২:০৮:০৬

ওটা শিক্ষক নয় ।। নির্বোধ মানুষ ।।

গালীব পাশা

২০২০-১০-১৭ ০৪:২৬:১১

এটার নাম মত প্রকাশের স্বাধীনতা নয়,ঘৃনা ও হিংসার বহি প্রকাশ।আমরা চাই এসব বন্ধ হোক।

এ কে এম মহীউদ্দীন

২০২০-১০-১৭ ১৬:৫৮:২৯

এধরনের হামলায় দীর্ঘমেয়াদী কোন উপকার হয় না, বরং খতিই হয়। এতে করে ফ্রান্সে বাস করা অন্যান্য মুসলিমদের অনেক অসুবিধায় পড়তে হবে। মুসলিমদের আবেগ আছে, কিন্তু চিন্তা করার ক্ষমতা কমে গেছে।

ইমরান

২০২০-১০-১৭ ১৫:৫২:৫৪

সি এন এন ; প্রভাবশালী আমেরিকান মিডিয়া CNN, যার খবর কিনা সারা বিসশের মানুষ দেখে/বিশ্বাস করে, তারা শুধু আংশিক খবর প্রচার করতেছে। ওই শিক্ষক যে মত প্রকাশের নামে, জেনে-শুনে, সারা বিসশের মুসলমানদের আক্রমণ করেছে, অমার্জনীয় অপরাধ করেছে তা কিন্তু ঘুনাক্ষরেও প্রকাশ করতেছে না। শুধু মুসলিম আর ইসলামের নামে কুৎসা রটাচ্ছে

Saif uddin

২০২০-১০-১৭ ০২:৪৩:১৭

আল্লাহু আকবার

Munir Hossain

২০২০-১০-১৭ ০২:৪১:৫৪

মত প্রকাশের সাধীনতার নামে যে নুঙ্গরা কাজের অনুমতি ফরাসি সরকার দিয়েছে । আজ যদি পৃথিবীতে 52 টা নয় মাত্র 10 টা মুমিন মুসলিম সরকার থাকতো তাহলে ফ্রান্স দখল করে ইমানুয়েল কে জুতা পেটা করে দেশ থেকে বের করে দিতো কিন্তু আফসোস আজ সেই সালাউদ্দিন আইয়ুবী। সুলতান মুহাম্মদ গাজনবী নেই

মোতাহার

২০২০-১০-১৭ ১৫:৩২:০১

আল্লাহ হামলাকারীকে জান্নাতুল ফেদাউস দান করুন। আমিন

NARUTTAM KUMAR BISHW

২০২০-১০-১৭ ১৫:১৪:২৬

কুলাঙ্গার। আর ওই শিক্ষককে কি বলব উনি নিশ্চয় মুসলমান নন। আমাদের দেশে কত নাস্তিক ঘুরে ফিরে বেড়ায়। তবুও মানবতা ও কল্যাণের পথ প্রদর্শক নবীজী (সঃ) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র বানিয়ে ঠিক কাজ করে নি। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া ঠিক না।

এম এ শাকুর

২০২০-১০-১৭ ১৪:২০:০৫

আলহামদুলিল্লাহ, যে দেশের সরকার মত প্রকাশের নামে আমাদের প্রিয় নবীকে অসম্মান করার অনুমতি দেয় সে দেশের সরকারের প্রতি চরম ঘৃণা প্রকাশ করছি। আল্লাহ পাক ভাইটিকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করুক।

Mohamed Faiz Ahmed

২০২০-১০-১৭ ০১:০২:১২

একজন নাস্তিক জাহান্নামে গেছে আর একজন ভাই শহীদ হয়েছেন, মত প্রকাশের নামে কিছু বেয়াদব অন্ন মানুষের ধর্মের উপর চরম হিংসা চড়ায় তাদের এই শাস্তি পাপ্য।আমিন।

Rezaul

২০২০-১০-১৭ ০০:৫৪:৫৪

সারা পৃথিবীব্যাপী মুসলিমদেরকে জঙ্গি বা সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করার জন্য টোটাল প্রক্রিয়াটাই একটি আমেরিকান এজেন্ডা যা বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিআইএর প্রশিক্ষণ এর মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করে।

Shah

২০২০-১০-১৭ ০০:৩৪:৪৯

মত প্রকাশের নামে ইসলাম ধর্ম এবং আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে ব্যাঙ্গ করার স্পর্ধা কি করে হয় এদের।মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ এসব বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

MD. IBRAHIM

২০২০-১০-১৭ ১৩:২২:১০

May Allah accept him as a guest of Jannatul Ferdaus. Amin

Md. Saidur Rahman Mo

২০২০-১০-১৭ ১২:৫০:৫২

You have done the right by killing the beast. The greatest hero of the year. May Allah give you the Jannatul Ferdaous

আবুল কাসেম

২০২০-১০-১৬ ২৩:৪৪:০৩

কারো মত প্রকাশের স্বাধীনতার খায়েশ হলে সে যদি ইমানুয়েল ম্যাক্রনের উলঙ্গ ও বিকৃত ছবি প্রদর্শন করে তিনি সেটা মেনে নেবেন কী ? পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক, মানবতার মহান বন্ধু ও শিক্ষক, সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার প্রেরিত নবী-রাসূলগনের সর্দার, মানুষ হিসেবে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মহা মানুষ এবং জগতের দয়া, অনুগ্রহ ও রহমতের নিদর্শন বা রহমাতুল্লিল আলামীন - এঁর ব্যাঙ্গ চিত্র আঁকা ও প্রদর্শন করা যা তিনি জীবদ্দশায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করে গেছেন তা স্বাধীন মত প্রকাশ নয় বরং ফ্রান্সের বর্বর ও মূর্খ সভ্যতার কোলে লালিত একটি গর্হিত ও ক্ষমার অযোগ্য সর্বশ্রেষ্ঠ অপরাধ। যা পৃথিবীর কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলিমের হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত করেছে এবং আমরা মনে করি সভ্য শিষ্ট মুসলমানদের উসকে দিয়ে সন্ত্রাসী তকমা দেয়ার এটা একটা ঘৃণ্য বর্বরোচিত পাঁয়তারা। মত প্রকাশের স্বাধীনতার অর্থ কী, তার সীমানা বা পরিধি কতটা এবং এর দ্বারা কারো ব্যক্তিগত ও জাতিগত সম্মান হানী করার বৈধতা দেয়া যায় কিনা, আর এর দ্বারা কারো ধর্মীয় নেতাকে অপমান, অপদস্ত , হেয় ও বিদ্রুপ করা সঙ্গত কিনা এবং সেই ধর্মীয় নেতার কোটি কোটি অনুরাগী ও অনুসারীর অনুভুতিতে আঘাত করার কোনো আইনগত বৈধতা আছে কিনা তা কী ইমানুয়েল ম্যাক্রনের জানা নেই ? তিনি কিভাবে একটা নোংরা ও বিকৃত রুচির লোকের পক্ষে কথা বললেন তা সত্যিই বিষ্ময়কর এবং তার পদমর্যাদার সাথে সাংঘর্ষিক। ফ্রান্স শিক্ষিত জনপদের একটি উন্নত রাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি। সে দেশের প্রেসিডেন্ট কোনো মনুষ্যত্ব হীন বিকৃত রুচির লোকের পক্ষে মত প্রকাশ করে মুসলিম জাতির হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত করবেন তা সত্যিই ভাবতে অবাক লাগে। নাকি তাঁরটাও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলে চালিয়ে দেবেন ? এটাই কী শিক্ষার গুণ ? এটাই কী সভ্যতা ? বেশ কিছু দিন আগে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে যখন হামলা করে মুসুল্লিদের হতাহত করা হয়েছিলো, তখন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নের দূরদর্শী পদক্ষেপে সারা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মনে প্রজ্জ্বলিত ক্ষোভের আগুন নিভিয়ে দিয়েছে। তিনি খুনির পক্ষাবলম্বন করেননি। নিরীহ মুসল্লীদের হতাহতের ঘটনায় তিনি মর্মাহত হয়েছেন এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় নিয়ে এসেছেন। কিন্তু অতীব দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা গেছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট তেমন কোনো দূরদর্শী পদক্ষেপ না নিয়ে স্বাধীন মত প্রকাশের নামে অপরাধীর অপরাধ আড়ালের অপচেষ্টা করেছেন এবং মুসলিমদের অপমানিত করে পরিস্থিতি উস্কে দিয়েছেন। মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে নোংরামি বন্ধ করতে হবে। আল্লাহর গজব আসমানী আজাব করোনায় আক্রান্ত হয়েও যদি হুঁশ না ফিরে তাহলে সম্ভবত অচিরেই করোনার চেয়েও ভয়ংকর কোনো আসমানী আজাবের ফায়সালা হয়ে যাবে। তখন ফেরাউন, নমরুদ, হামান, কারুন সহ অন্যান্যরা আল্লাহ তায়ালার সাথে বিদ্রোহের কারণে যেভাবে ধ্বংস হয়েছে ঠিক তেমনি ফ্রান্স সহ অন্য আল্লাদ্রোহীরাও ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং পরিণামে জাহান্নাম হবে তাদের চিরস্থায়ী ঠিকানা। সুতরাং সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার !

ম নাছিরউদ্দীন শাহ

২০২০-১০-১৬ ২৩:২৪:৫৯

আল্লাহর রাসুল(সাঃ)বলেছেন তোমরা ততক্ষন পযর্ন্ত মুমিন হবেনা। যতক্ষন আমি তার কাছে তার বাবা তার সন্তান ও সকল মানুষের চেয়ে প্রীয় হবনা।(সহীহ বুখারী১৫)নবী (সাঃ) ভালবাসার জন্যে প্র‍ত‍্যেক নিজ নিজ ঈমান যাচাই করে নিতে পারেন। ওনি পেরেছেন। আল্লাহ্ তায়ালা তাহাকে ঈমানের বৈশিষ্ট্যতা দান করেছেন। নিঃসন্দেহ ভাবে শহীদ হয়েছেন। আল্লাহ্ তাহার জন‍্যে শহীদের মর্যাদাবান স্থান নিদ্ধারণ করে রেখেছেন। আমিন।

Kazi

২০২০-১০-১৬ ২২:১৫:৫৯

মত প্রকাশের স্বাধীনতার সীমা থাকা চাই। হামলাকারী শহীদ হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

বিবিসির প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্রে চীনের নতুন কৌশল

৩ ডিসেম্বর ২০২০



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status