গায়ে হলুদের আসর থেকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার বর

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে

অনলাইন ১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৭:০৭ | সর্বশেষ আপডেট: ২:৪০

ইসতিয়াক আহমেদ (৩০)। তুলি নামে এক তরুণীর সঙ্গে চার বছরের প্রেম। এই সূত্রে তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে। এক সময় তুলি বিয়ের কথা বলে। কিন্তু ইসতিয়াক তুলিকে জানায়, তার পরিবার তাদের বিয়ে মেনে নিবে না। বরং তার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেছে। শুক্রবার বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু গায়ে হলুদের আসর থেকে বৃহস্পতিবার রাতে তুলির দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হয় ইসতিয়াক।
শুক্রবার পুলিশ তাকে আদালতে পাঠায়। আদালতের মাধ্যমে কারাগারে গিয়েছে ইসতিয়াক। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায়। গ্রেপ্তারকৃত ইসতিয়াক ওই এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে।
বাদিনী তুলি অভিযোগ করেন ইসতিয়াকের সঙ্গে তার চার বছর প্রেমের সম্পর্ক চলে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে প্রেমিক ইসতিয়াক দৈহিক সম্পর্ক করে। সর্বশেষ গত বছর ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে দেওভোগ নাগবাড়ীর জিকুদের চারতলা বাড়ীর তৃতীয় তলার দক্ষিণ পার্শ্বে প্রেমিক ইসতিয়াক আহম্মেদের ভাড়া বাসায় তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। এক পর্যায়ে তুলি বিয়ের কথা বললে ইসতিয়াক নানা টালবাহানা করে কালক্ষেপণ করে অন্যত্র বিয়ে করার পাঁয়তারা করে। এক পর্যায়ে ১৪ই অক্টোবর তুলি জানতে পারে ইসতিয়াক অন্যত্র বিয়ে করছে। পরে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে সে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
তবে প্রেমিক ইসতিয়াকের দাবি, তুলির সাথে তার গত তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। এ তিন বছরে প্রেমিকা তুলির নিজ বাসায় উভয়ের সম্মতিতে দুই বার শারীরিক মেলামেশা হয়। সে তুলির সাথে তার সম্পর্কের বিষয়টি বাবা-মাকে জানায়। কিন্তু বিষয়টি তার বাব-মা মেনে নিতে অস্বীকার করে এবং তার অনত্র বিয়ে ঠিক করে।  বিষয়টি সে তার প্রেমিকা তুলিকে অবগত করে। বৃহস্পতিবার ছিলো তার গায়ে হলুদ আর শুক্রবার বরযাত্রী। ফতুল্লা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, মেয়েটির অভিযোগ পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ইসতিয়াককে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার সত্যতা পেয়ে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Amir

২০২০-১০-১৭ ১৮:০৮:১৫

উভয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে এবং উভয়ের সম্মতিতে প্রচলিত ঢঙে যৌন মিলন ধর্ষণের সংজ্ঞায় পরে কি ? অতএব ধর্ষণ আইনের মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন ধারা প্রয়োগে অতি সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে!

Adv.N.I.Bhuiyan

২০২০-১০-১৬ ২৩:৩০:১৬

হায় কি অবস্থা! মদিনার সনদে চলছে দেশ, শফি হুজুরের ভক্তরা দেশ শাসন করছে.তাইতো উভয়ে স্বইচ্ছায় মেলামেশা করে এখন একজন নিজে বাদি হয়ে মায়ের কোলে খাচ্চে লেবনচ্ুস আর ছেলে জেলের ঘানি টানচে ,এরকম মেয়েদেরকে জাতীয় পুরস্কার দেন

Nazmul

২০২০-১০-১৭ ১১:১৭:০৪

সম্পর্কটা ৪ বছর ধরে তাই ধরে নেওয়া এই সম্পর্কটাতে দুজনেই সম্মতি ছিল। ৪ বৎসর ধরে কাউকে ধর্ষন করা যায়না কোনরকম সম্মতি ছারা। এটা কখনো ধর্ষণ হতে পারে না, শাস্তি হলো উভয়ের হওয়া দরকার । একই যাএায় পৃথক ফল হতে পারেনা। যেহেতু দুজনেই স্বীকার করেছে, তাই এটা জেনা (দুজনই মুসলিম)। ইসলামিক বিধান মোতাবেক বিচার হলে এদের মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিৎ। বাংলাদেেশ যেহেতু শরিয়া আইন নেই তাই মেয়েটির মৃত্যুদন্ড হবেনা। সংশোধিত আইনে ছেলেটির বেলায় তা হলফ করে বলা যায়না (তথাকথিত পুরুষ শাষিত সমাজের আইন এটা)। ছেলেটিকে অবশ্যই বিবাহ করার অপশন দেওয়া উচিত ছিল। পুলিশ প্রশাসনকে দুপক্ষকেই আইনের আওতায় আনা উচিত, শুধু ছেলেকে অ্যারেস্ট করলে ন্যায় বিচার হবেনা, মেয়েটি সমান ভাবে দোষী তাই মেয়েটিকেও আইনের আওতায় আনা হোক। ইদানিং প্রায়ই শুনা যায় যে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক স্হাপন করে, যখন সম্পর্ক থাকেনা,তখন এটাই ধর্ষণ মামলায় রুপ নেয়। এক্ষেত্রে সবার আগে ধর্ষণের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দরকার। প্রচলিত সংজ্ঞা অনুসারে জোর করে কারো সাথে যৌন সম্পর্ক স্হাপন করলে তাকেই ধর্ষণ বলা হয়। দুজনের সন্মতিতে সেক্স হলে, তাকে ধর্ষণ বলা হয় না। এক্ষেত্রে ব্যাভিচার নামক অপরাধ ঘটে এবং এই ক্ষেত্রে ছেলে এবং মেয়ে দুজনেই অপরাধী, যেহেতু মেয়েদের ম্যাচিউরিটি ছেলেদের আাগে আসে তাই এটা মনে করার কোন কারন নাই যে মেয়েরা এটা জানেনা যে বৈবাহিক সম্পর্ক ব্যাতীত যৌন সম্পর্ক স্হাপন অবৈধ (ইসলামী আইনে ও সামাজিকভাবে)। সরকারের উচিৎ, এখনই আইন সংশোধন করে ব্যাভিচােরর জন্য কঠিন শাস্তির বিধান করা এবং ছেলে এবং মেয়ে (অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যাতীত) উভয়ের জন্যই তা প্রয়োজ্য করা। । এতে করে মেয়েরাও ভবিত্সাতে বিয়ের আগে আর কোনো ছেলের সাথে sex করার সাহস করবে না। অন্যদিকে ন্যায় বিচারের স্বার্থে সরকার এই ধরনের সম্পর্কে ধর্ষনের অভিযোগ অগ্রায্য করতে পারে। তথাকথিত পুষুষ শাষিত সমাজের আইন প্রনেতাদের (যাদের অধিকাংশই পুরুষ) এই ধরনের আইন করার সাহস আছে কিনা আামি নিশ্চিত নই।

Faruque Ahmed

২০২০-১০-১৭ ০৯:০৩:১৭

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে প্রেমিক ইসতিয়াক দৈহিক সম্পর্ক --- it is not rape. It's more than rape, here both should go under punishment.

Farid Ahmed

২০২০-১০-১৭ ০৯:০০:২৪

ব্যাভিচারের জন্য দু’জনের বিচার হওয়া উচিত।নতুবা মেয়েরা ভবিত্সাতে বিয়ের আগে ছেলেদের sex টোপ হিসেবে ব্যবহার করবে।

Abu Saleh Chy

২০২০-১০-১৭ ০২:৩১:১৩

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উভয়ের সম্মতিতে শারীরিক মিলামিশা করে পরে বিয়ে করতে অমত দেখানো হয়তো প্রতারণা হতে পারে এবং তা প্রতারণা আইনের আওতায় মামলা হতে পারে । কিন্তু এসব যদি ধর্ষণ হয় আর ধর্ষণ আইনের আওতায় মামলা ও বিচার হয় তবেতো ধর্ষণের সংজ্ঞা বদলাতে হবে বা দুনিয়ার যত বিবাহ বিচ্ছেদ সেগুলি বিবাহ বিচ্ছেদ না হয়ে ধর্ষণ মামলা হওয়ার কথা। আর ওয়েস্টার্ন জীবনে তো ছেলে মেয়েদের এসব কার্যকলাপ একেবারে স্বাভাবিক । কেউতো এসবকে অনিয়মই মনে করেনা আর ধর্ষণ বা ধর্ষণ মামলাতো অনেক দূরের কথা। হা যদি দুজনের একজনের অসম্মতিতে বল প্রয়োগের সহিত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় তাকে ধর্ষণ বলে এবং এটি একটি সর্বোচ্চ অপরাধ হিসেবে ওয়েস্টার্ন সকল দেশের আইনে বিচার হয়।

মনির

২০২০-১০-১৬ ১২:৪৪:৪৯

প্রেম করছে সেক্স করছে,বিয়ে না করলে ধর্ষণ হয়,এইটা কোন আইন? হ্য সর্বোচ্চ প্রতারণা মামলা হয়তেপারে,পুলিশ কিভাবে ধর্ষণ মামলা নেয়? যেহেতু দুজনের ইচ্ছায় সেক্স করছে।

মনির

২০২০-১০-১৬ ১০:৪৭:০৩

এটাকে ধর্শন বললে বুল হবে এখানে দুই জনের মনের মিলে সাররিক সম্পর্ক হয়েছে কেউ কাউকে জোর করে অথবা তুলে নিয়ে সাররিক সম্পর্ক করেন নি পুলিশে প্রশাসনের উচিত হবে দুইজনেকেই আইনের আহতায় আনা ভিকটিম দুইজনেই

T. U. Khan

২০২০-১০-১৬ ১০:৩৮:০৮

What's the definition of rape ? who knows the laws please explain.

মুখলিছ বিন জামাল

২০২০-১০-১৬ ১০:০৬:২১

আমার মতে ২ জনই সমান অপরাধী। কেউ কারো থেকে কম নয়। সবাই একই কথা বলে বিয়ের প্রলোভন মানে লোভ!! তো তোমারে লোভ দেখালো আর তুমি রাজি হয়ে গেলে? তোমারো ১০০% ইচ্ছে এবং সমর্থন ছিলো কাজেই তুমিও দোষী। এসব মেয়েদের বিচার হলে অন্য মেয়েরাও সতর্ক হয়ে যাবে।

Jesmin Anowara

২০২০-১০-১৬ ২২:৩৮:৪৭

it is not rape, it is illegal relationship, so both should be punished by law of almighty Allah which is given in the Quran Majid , O Muslim government of Bangladesh why do you feel fear to establish the law of Allah is it because of India, America Germany, France, Britain ? Almighty Allah is the highest power

Khokon

২০২০-১০-১৬ ০৯:১৯:৫৮

দেশে যে হারে ধর্ষনের নামে মিথ্যা ধর্ষণ বলে মামলা দায়ের করে একপক্ষকে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে, তার একটা সমাধান করা মনে করি সরকারের দাযিত্ব । ১৮ বছরের অধিক ছেলে মেয়েদের মেলামেসা আজকাল একটা ফ্যাশন হয়ে দাড়িয়েছে। আর এর রোধ কল্পে হয় ইসলামিক বিধান মোতাবেক দুপক্ষকেই দোষী সাব্যস্ত করে কঠিন বিচারের আওতায় আনা অথবা উভয় পক্ষকে প্রাপ্তি বয়স্কো হিসাবে বিচার ব্যাবস্থা থেকে দূরে রাখা।

মোস্তাফিজুর রহমান

২০২০-১০-১৬ ০৯:০০:০৮

বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে,উভয়ের শাস্তির বিধান থাকা উচিৎ।নইলে এমন অপরাধ দমন করা যাবে। এক তরফা শাস্তি কখনো এমন জগন্য অপরাধ নির্মূল করবেনা।

Reza

২০২০-১০-১৬ ০৮:৩৫:১৭

গল্পের মতো খবর যেন আধুনিক ছোট গল্প...

Adv.N.I.Bhuiyan

২০২০-১০-১৬ ০৮:৩৩:১৩

এরকম ঘটনা এখন অহরহ ঘটচে তাই এ ক্ষেত্রে যদি মামলা বা বিচার করতে হয় তবে দুজনকেই শাস্তির আওতায় আনার জন্য আইন তৈরী করা জরুরি কারন বিদ্যমান আইনে এই মামলয় ছেলের কোন শাস্তি হওয়া সম্ভব নয়,সব দায়িত্ব শুধু জজ সাহেবদের যে তারা অযথাই বেশি দিন জেল খাটিয়ে ছেলেকে বাধ্য করবে বিয়ে করতে,আর মেয়েটা নিষ্পাপ এখন মায়ের কোলে বসে পোলাও খাবে ,দেশের আইন আসলে মেয়েদেরকে বেশ্ষা বানাচ্চে sorry to say the trough

Md.Giash Uddin.

২০২০-১০-১৬ ০৮:২৬:২৭

যেহেতু উভয়ে স্বীকার করেছে তাই প্রশাসনের উচিত তাদের বিয়ের ব‍্যবস্থা করা উচিত।

Abdur Razzak

২০২০-১০-১৬ ২১:২৩:৪৯

মেয়েটি সমান ভাবে দোষী। মেয়েটিকে আইনের আওতায় আনা হোক।

Khokon

২০২০-১০-১৬ ০৭:৫৫:৫০

৩/৪ বছর ধরে দৈহিক সম্পর্ক means দুজনেই enjoy করেছে বিবাহিত জীবনের বাহিরে। যেহেতু দুজনেই স্বীকার করেছে, তাই ইসলামিক বিধান মোতাবেক বিচার হওয়া উচিত। বাংলাদেশ যেহেতু মুসলিম দেশ, সেই মোতাবেকই বিচার হবে। প্রশাসন যদি শুধু ছেলেকে অ্যারেস্ট করেন, মনেহয় সেটা ভুল হবে। সেকেন্ডলি, ছেলেটিকে অবশ্যই বিবাহ করার অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল,অন্যথাই আবার অন্য কোনো মেয়ে ধর্ষিত হতে পারে ঐ ছেলেটি দ্বারা, সুতরাং পুলিশ প্রশাসনকে অবশ্যই দুপক্ষকে আইনের আওতায় আনা উচিত, শুধু ছেলেকে অ্যারেস্ট করলেই এ সমস্যার সমাধান হবে না। এতে করে মেয়েরাও ভবিত্সাতে বিয়ের আগে আর কোনো ছেলের সাথে sex করার সাহস করবে না।

Mohammed Hafizur Rah

২০২০-১০-১৬ ০৭:৪৩:৫৫

প্রলোভন জনিত কারণে উভয়ের শাস্তি কাম্য, কম আর বেশি।

Saidur Rahaman

২০২০-১০-১৬ ০৭:৪১:১৪

Ah ha she is soo innocent. It tooks 4 years to seeking help.

মাসুম

২০২০-১০-১৬ ০৭:৩৬:০৯

এটা কখনো ধর্ষণ হতে পারে না, শাস্তি হলো উভয়ের হওয়া দরকার । সব সময়ই শুনি যে বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক মেলামেশা করে,যখন সম্পর্ক থাকেনা,তখন এটাই ধর্ষণ মামলায় রুপ নেয়।

Hossain

২০২০-১০-১৬ ০৭:০৩:১৫

মেয়েটি সমান ভাবে দোষী। মেয়েটিকে আইনের আওতায় আনা হোক।

মালেক

২০২০-১০-১৬ ১৯:৪৯:৪৩

সবার আগে ধর্ষণের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দরকার। প্রচলিত সংজ্ঞা অনুসারে জোর করে কারো সাথে সেক্স করলে তাকেই ধর্ষণ বলা হয়। দুজনের সন্মতিতে সেক্স হলে, তাকে ধর্ষণ বলা হয় না। এক্ষেত্রে ব্যাভিচার নামক অপরাধ ঘটে এবং এই ক্ষেত্রে ছেলে এবং মেয়ে দুজনেই অপরাধী, ইসলামী আইনে এই অপরাধের শাস্তি কঠিন।

Tazim Chowdhury

২০২০-১০-১৬ ১৯:৪৯:৩৫

How's that' rape?

Shobuj Chowdhury

২০২০-১০-১৬ ১৯:৪৭:৫৭

how come ?

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

মৃত্যু ৫৭০০ ছাড়ালো

একদিনে করোনায় প্রাণ গেলো ২৪ জনের, শনাক্ত ১৫৪৫

২১ অক্টোবর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



বসনিয়ার জঙ্গলে বাংলাদেশিদের মানবেতর জীবন

বেঁচে থাকা দায়, তবুও দেশে ফিরতে নারাজ

রায়হানের মাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এসআই আকবর অবশ্যই ধরা পড়বে