এইচএসসি পরীক্ষা হচ্ছে না, জেএসসি-এসএসসির রেজাল্টের ভিত্তিতে মূল্যায়ন

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষাঙ্গন ৭ অক্টোবর ২০২০, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:০২

সার্বিক বিবেচনায় এখন এইচএসসি পরীক্ষা সরাসরি গ্রহণ না করে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন হবে। বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। জেএসসি-এসএসসির রেজাল্ট অনুযায়ী এইচএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এভাবে মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি থাকবে। তারা এ বিষয়ে তাদের মতামত দেবেন। সে অনুযায়ী ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি কখন স্বাভাবিক হবে তার নিশ্চয়তা নেই। কখন পরীক্ষা নেয়া যাবে বলা কঠিন।
এরমধ্যে যথার্থতা বজায় রাখার বিষয়টি ভাবতে হবে। পরীক্ষা গ্রহণ করতে ৩০ থেকে ৩২ কর্মদিবস প্রয়োজন হবে। কোভিড পরিস্থিতিতে এক বেঞ্চে দুজন বসানো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে দ্বিগুন কেন্দ্র প্রয়োজন হবে। প্রশ্নপত্র প্যাকেটজাত করা হয়। নতুন প্যাকেট করারও সুযোগ নেই।

মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র দ্বিগুন করলে আরও জনবল প্রয়োজন হবে। প্রশাসনসহ সবার জনবল বাড়ানো প্রয়োজন রয়েছে। বিষয় কমানো হয়তো যায়, কিন্তু প্রতিটি বিষয়ের গুরুত্ব রয়েছে। অনেকে এতে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করতে পারবে। কোভিড আক্রান্ত হলে তখন কী হবে। এ নিয়ে আমরা চিন্তা করছি। ভারতের পরীক্ষাও আমরা দেখেছি। তিনটি পরীক্ষা নেয়ার পর তাদের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অনেক দেশে পরীক্ষা বাতিল কিংবা স্থগিত করেছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Obayed Ullah

২০২০-১০-০৭ ০৯:৫১:৪২

All of students last two years read HSC syllabus. So JSC and SSC result couldn't sufficient for evaluation. It is better to evaluate based on HSC 1st year examination, pre-test and final test.

shiblik

২০২০-১০-০৭ ২২:৪১:১৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পঞ্চাশটির অধিক টর্চার সেল আছে। এখানে বহু ছাত্র হত্যা এবং নির্যাতন করা হয়েছে। এখানকার অধিকাংশ শিক্ষক রাজনিতির সাথে জড়িত। এদেরকে কোন ভাবেই মূল্যায়ন কমিটিতে রাখা উচিত হবে না।

মালিহা

২০২০-১০-০৭ ০৬:৫২:৫৯

স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা নিয়ে একটি ফলাফল প্রকাশ করলেও এর চেয়ে ঢের ভালো সিদ্ধান্ত হতো। অন্তত বিনা পরীক্ষায় পাশ করা ব্যাচ হিসেবে সারাজীবন অপ পরিচিতি নিয়ে এ ব্যাচকে থাকতে হতো না। যা হোক, সময়ই বলে দেবে কি ভালো হলো এ সিদ্ধান্তে।

আবুল কাসেম

২০২০-১০-০৭ ০৬:২৭:৫৪

সিদ্ধান্তটি সময়ের বাস্তবতায় সঠিক হয়েছে। কারন, সংক্রমিত হলে তো আর কেউ কারো দায়িত্ব নেবেনা। মেডিকেল, বুয়েট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পদ্ধতি কী হবে এবং মেধার ভিত্তিতে যেনো মেধাবীরা ভর্তির সুযোগ পায় সে ব্যবস্থা করাটা এখন জরুরি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে যদি কেউ মেডিকেল, বুয়েট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায় তাহলে তা রুখে দাঁড়াতে হবে। কারন তা হবে অন্যায়, অন্যায্য ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। মেডিকেল, বুয়েট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যেনো কোনো রকম দুর্নীতি ও অনিয়ম না হয় এবং পরীক্ষাটা যেনো স্বচ্ছ ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমান সময়ে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ভর্তি পদ্ধতিতে ও পরীক্ষায় যদি কোনো ধরনের ভেজাল, অনিয়ম, দুর্নীতি, অযৌক্তিক-অযাচিত কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে তাহলে ছাত্র সমাজ প্রতিবাদে ফেটে পড়বে এবং যে কোনো মূল্যে সেটা রুখে দেবে। আর এও মনে হচ্ছে , প্রশ্নফাঁসের হোতাদের ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সে সুযোগ এখন আর নেই বললেই চলে। তাছাড়া মিডিয়া এবং ছাত্র ছাত্রীরা এখন অনেক সচেতন। এতোগুলো চোখ ফাঁকি দিয়ে অনিয়ম করা সম্ভব হবে না এবং তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, বোর্ড, প্রশাসন, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য হবেনা। তবুও, চতুর্মাত্রিক দুর্নীতির মহোৎসব দেখে আসলেই চিন্তা হচ্ছে মেডিকেল , বুয়েট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রধান্যে মেধাবীরা বঞ্চিত হয়ে পড়ে কিনা ! তবে যারা আসমানী ফায়সালায় বিশ্বাস করেন না তাদের কথা আলাদা। কিন্তু বিশ্বাসীরা দেখতে পাচ্ছে জুলুম, অন্যায়, অনাচার ও পাপাচারে বাতাস ভারি হয়ে যাচ্ছে , আকাশের রহমতের দরজা থেকে সতর্কতার তাকিদ করা হচ্ছে, বিপর্যয়ের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে এবং অচিরেই আসমান থেকে সব হিসেব নিকেশ চুকিয়ে দিতে পারে।

মনোয়ার মাহমুদ

২০২০-১০-০৭ ০৬:১৩:৩৪

যারা ২০২০ এ এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিল আপ (নিয়মিত এবং সকল প্রকারের অনিয়মিত) করেছে অর্থাৎ যারা২০২০ এর এইচ এস সি প্রবেশপত্র পেয়েছে/পাবে তাদের সকলেই জেএসসি এবং এস এস সি গড় ভিত্তিতে গড় ভিত্তিতে ফলাফল পাবে। একজন প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জন্য জবাবে এটা লিখলাম।

এ, কে, এম জামসেদ

২০২০-১০-০৭ ১৮:৩০:২৯

ইহা একটি খারাপ সিদ্ধান্ত। যখন দেখবেন রাজনৈতিক বিবেচনায় বিশ্ব্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল ও বুয়েটে ভর্তি হচ্ছে, তখন গরীব অসহায় ও অরাজনৈতিক ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে। পুরো একটা জেনারেশন সারা জীবন এটার জন্য আফসোস করবে। অভিবাবকদের মধ্যে জরীপ চালানো হউক, কারা পরীক্ষার পক্ষে বা বিপক্ষে। যারা ফেল করার কথা তারাতো খুশি হবেই।

Citizen

২০২০-১০-০৭ ১৮:১০:৪৩

Not at all a good decision.

NARUTTAM KUMAR BISHW

২০২০-১০-০৭ ১৭:৩১:২৪

কোনভাবেই এটা সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না। যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং যারা এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন তারাই এক সময় এটার বিরুদ্ধে কথা বলবেন। কেননা যখন বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল ভর্তি হতে যাবেন এর ফল তখন পাবেন। যখন দেখবেন শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় বিশ্ব্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল ও বুয়েটে ভর্তি হচ্ছে, তখন আমাদের মত গরীব অসহায় ও অরাজনৈতিক ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে। পুরো একটা জেনারেশন সারা জীবন এটার জন্য বিলাপ করবে। তখন না থাকবে শিক্ষামন্ত্রী না থাকবে কোন মন্ত্রী। কাজেই সরকারের উচিৎ সামাজিক দূরত্ব স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা মূল্যায়ন করা। প্রয়োজনে কয়েক ধাপে পরীক্ষা নেওয়া। আমাদের দেশে করোনা পরিস্থিতি জাতীয় নির্বাচন দেওয়া যায়, কিন্তু পরীক্ষা নেওয়া যায় না। আমাদের দেশ তো পশ্চিমা দেশগুলোর মত না যে মেধার মূল্যায়ন করবে। দেখা যাবে যে, মেধাবীরা ঘাস কাটছে আর দলীয় লোকজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং পরীক্ষা গ্রহন কমিটি আপনারা বিষয়টি পুনঃর্বিবেচনা করবেন।

Affan

২০২০-১০-০৭ ০৩:৩০:২২

যারা ইম্প্রুভ দিবে তাদের জন্য কি একই নিয়ম বহাল থাকবে না পূর্বের রেসাল্ট বহাল থাকব?

ABDULLAH

২০২০-১০-০৭ ১৬:২৯:৪১

Thanks .very very thanks, for a good decision .

মোহাম্মদ

২০২০-১০-০৭ ০৩:২৯:২৬

একটি আত্মঘাতী সিদ্দ্বান্ত। এইচএসসি এর সিলেবাস পড়ানোর দ্বায়িত্ব কার থাকবে? উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলো কি এই দায়িত্ব নেবে? বিশেষ করে বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলি।

গিয়াস উদ্দিন

২০২০-১০-০৭ ১৬:২৬:০৯

অক্টোবর/নভেম্বর মাসে পরীক্ষা নিয়ে নেয়া ছিল অধিকতর যুক্তিযুক্ত। পরীক্ষা ছাড়া ফলাফল একটা খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

oli ullah

২০২০-১০-০৭ ১৫:২৫:২২

right deceisition

sayeed

২০২০-১০-০৭ ১৫:১৫:০৬

অনেক দেরিতে হলেও সঠিক সিদ্ধান্ত । কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা দুশ্চিন্তা মুক্ত হলেন ।

Shah Alam- ITP

২০২০-১০-০৭ ১৩:৫৩:২৮

100% ভুল সিদ্ধান্ত । এমনিতে আমাদের নিম্নমানের শিক্ষা ব্যবস্থার । তারপরও আবার অটো পাশ।

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

এইচএসসি পরীক্ষার ফল ডিসেম্বরেই

পিছিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা

২৫ নভেম্বর ২০২০



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status