‘আমি শুধু আল্লাহর কাছে বিচার চাই’

ওমর শরীফ

মত-মতান্তর ৫ অক্টোবর ২০২০, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৩০

বার কয়েক চেষ্টা করেছি। ভিডিওটি দেখে শেষ করতে পারিনি। এ অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই। অস্বীকার করার জো নেই, এটাই সময়ের বাস্তবতা।  ভয়ঙ্কর বাস্তবতা। আমাদের মস্তিষ্ক তা নিতে পারছে না। দেখে ওঠার সাহস করছে না। কিন্তু এটাও সত্য, আমাদের দীর্ঘ নীরবতাই তৈরি করেছে এই ধরনের বাস্তবতা।
ঘটনাটি ৩২ দিন আগের। না, কোনো সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে কোনো রিপোর্ট করেনি।
প্রায়শ’ই আপনি শুনতে পাবেন হাজার হাজার অনলাইন, পত্রিকা আর টেলিভিশন চ্যানেলের কথা। কিন্তু এর প্রায় সবই যে সংবাদমাধ্যম নয়, কেবল প্রচারমাধ্যম তা আরো একবার খোলাসা হয়ে গেলো। শত শত বছর ধরে গ্রামীণ জনপদে একধরনের স্থানীয় বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও তার সমালোচনা অনেক। কিন্তু কখনো কখনো এটা কার্যকরও বটে। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এই বর্বরতায় দেখা গেলো স্থানীয় মুরব্বীরাও কোনো ভূমিকা রাখেননি। তারা কি অসহায়, না তারাও এই সিস্টেমের অংশ সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে। পুলিশ এবং প্রশাসন সবাই ছিল নীরব। কেউ কিচ্ছু জানতো না।
এতোদিন পর ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। অপরাধীরা গৃহবধূকে তার ঘরে বিবস্ত্র করে নির্যাতন আর ধর্ষণচেষ্টা করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা তার ভিডিও ধারণ করে। চাঁদা দাবি করে। বিচার চাওয়াতো দূরের কথা ওই গৃহবধূকে পালিয়ে নিজের জীবন রক্ষা করতে হয়। এখন ভিডিও দেখে প্রশাসনের টনক নড়েছে। ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা হয়েছে। খুব দ্রুতই আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু কে না জানে এসবই হচ্ছে মলম দিয়ে ক্যানসার সারানোর চেষ্টা। কেন এতোদিনে মামলা হয় না, কেন নির্যাতিতা কে পালিয়ে বাঁচতে হয় একটি স্বাধীন দেশে সে প্রশ্নের জবাব খোঁজা হচ্ছে সামান্যই।
যদিও ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাবার কথায় এই প্রশ্নের উত্তর অনেকটাই পাওয়া যায়। ওই গৃহবধূর বাবা জানান, আমি নিরীহ লোক। সন্ত্রাসীদের ভয়ে কোনো কথা বলার সাহস পাই না। আমি শুধু আল্লাহর কাছে বিচার চাই। (সূত্র: জাগো নিউজ)। গতকালই প্রথম আলোয় পড়ছিলাম এক বাবা বলেছেন, ভাইরাল হয়নি তাই বিচার পাইনি। ৬০৪ দিন হলো। তার সন্তান মারা যান বাসচাপায়। কিন্তু ভাইরাল না হওয়া, কোনো আন্দোলন না হওয়ায় তিনি কোনো বিচার পাননি।
এই যখন অবস্থা তখন সুবর্নচরের সেই গৃহবধূর কথা কি আমাদের মনে আছে। প্রভাবশালীদের কথা অমান্য করে ভোট দেয়ায় কী ভাগ্য তাকে বরণ করতে হয়েছে। সর্বশেষ সিলেটের ঘটনা এখনো মিইয়ে যায়নি। এ এক মেগাসিরিয়াল। যার কোন শেষ নেই।
প্রশ্ন হচ্ছে কেন এই পরিস্থিতি? কেন প্রতিটি ঘটনাতেই মানুষকে রাস্তায় নামতে হবে? কেন ফেসবুকে ভাইরাল করে বিচার দাবি করতে হবে? কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটেই চলবে। সবচেয়ে সংক্ষেপে এর উত্তর হচ্ছে ইনসাফের ঘাটতি। একধরনের প্রভাবশালীরা যারা মনে করেন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক নানা কারণে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবেন। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা তা থাকেনও। সংবাদমাধ্যম তাদের ঘাটায় না। কখনো ইচ্ছায়, কখনো অনিচ্ছায়। বিবেক বিক্রি হয়ে যাওয়া সময়ে এটা নির্মম বাস্তবতা। এখানে সবকিছু মাপা হয় দল আর ব্যক্তিপূজার নিরিখে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বা ধবংসে ব্যক্তির ভূমিকার থেকে বেশি গুরুত্ব পায় কে কার কাছ থেকে কীভাবে সুবিধা পেলেন তা। সমাজ, পুলিশ, প্রশাসন কেউই এর বাইরে নয়। আইনের লম্বা হাত অসহায়ভাবে দেখে অপরাধীরা হেটে বেড়াচ্ছে বীরদর্পে। এই অনাচার আর অব্যবস্থার সহজ সমাধান একটাই- ইনসাফ, ইনসাফ এবং ইনসাফ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মাহবুবুর রহমান শিশির

২০২০-১০-০৯ ০১:৫৯:১৫

কিন্তু এর প্রায় সবই যে সংবাদমাধ্যম নয়, কেবল প্রচারমাধ্যম... ভাইরাল হয়নি তাই বিচার পাইনি... এ রকম শুনলে মন তিক্ত হয়ে পড়ে। বিষিয়ে ওঠে অক্ষম আক্রোশে। বেঁচে থাকাটাও মনে হচ্ছে এখন পাপ, ভাগ্য না।

মোতাহার

২০২০-১০-০৬ ১০:৫৯:৩৩

যেদিন আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটা বাদ পড়েছে, সে দিন থেকে আওয়ামী জাহেলিয়াতের গোড়া পত্তন হয়েছিলো। সেইদিনের সেই বীজ আজ মহীরূহতে রূপ নিয়েছে।

ABDULLAH

২০২০-১০-০৬ ১০:০১:১৪

YA ALLAH TUMI JATIKE UDDARER UPAE KOR.

লেনিন

২০২০-১০-০৫ ১০:০৫:৩২

মানিক তুমি ফিরে এসো ভাই ফিরে এসো। হয়তো ধর্ষণের সেঞ্চুরিয়ান হয়ে নয় জাতভাইয়ের বেশে হয়তো জাহাঙ্গীর নগরে নয় সিলেটের এমসি কলেজে ধর্ষণের সেঞ্চুরির আনন্দেে নয়

Muhammad Abdus Shuko

২০২০-১০-০৫ ১৬:১২:৫৬

আমি লজ্জিত, সরকার বাহাদুরের লজ্জার উদ্রেক হবে কি?

Reza

২০২০-১০-০৫ ০৩:০৮:১০

পুরো সমাজ দলকানা। বাকি অর্ধেক নিশ্বেষ অর্ধেক ভীতু। ক্ষমতা ঘষেটি বেগমদের হাতে। চলছে চলবে আরো করূন। আল্লাহ এ জনপদ কে রক্ষা করূক

আবুল কাসেম

২০২০-১০-০৫ ০২:৪৬:২৬

এই যে লোকটা বললেন, "আমি আল্লাহর কাছে বিচার চাই।" কেনো তিনি আল্লাহর কাছে বিচার চাইলেন ? কারণ তিনি জানেন, আল্লাহর বিচার নিখুঁত, নির্ভেজাল, ন্যায়বিচার, সুবিচার ও ইনসাফপূর্ণ। অথচ আল্লাহর ভয় ও তাঁর নিকট জবাবদীহিতার এবং কুরআনের বিধানের কথা বললে অনেকের কাছেই ভালো লাগেনা। আপনি কি বলতে পারেন, কুরআনের বিধান ছাড়া এমন কোন বিধান আছে যা দিয়ে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে পারবেন ? থাকলে বলেন। চ্যালেঞ্জ রইলো।

আবুল কাসেম

২০২০-১০-০৫ ০১:০৫:২৩

অহরহ ঘটছে নানা অবিচার, অনাচার। জুলুমের শিকার হচ্ছে ক্ষমতাহীন অসহায় নারী-পুরুষ। এমনকি শিশু এবং বৃদ্ধাও বাদ যায়না। জোর যার মুল্লুক তার এই নীতিটা বলবৎ ছিলো ইসলামের পূর্ব যুগে, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে। ঐতিহাসিক ফিলিপ কে হিট্টি ও আমির আলী সহ সকলেই একথা একবাক্যে বর্ণনা করেছেন। বহু ছড়াই উৎরাই পেরিয়ে ইসলাম বিজয়ী হলো। একজন পূর্ণ যৌবনা নারী স্বর্নলংকার পরিহিত হয়ে হাজার হাজার মাইল একাকী পথ ভ্রমণ করেছিলেন। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করতে হয়নি। একটা জাতির লোকেরা যখন আল্লাহর ভয়ে কম্পমান হয়ে পড়ে তখন সেই দেশ সমাজ ও সেখানকার বাসিন্দারা নিরাপত্তার সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করবে এটাইতো স্বাভাবিক। মানুষের মধ্যে আল্লাহর নিকট জবাবদীহিতার অনুভূতির প্রাবল্য দেখে সেই দেশ ও সমাজ থেকে ইবলিশ শয়তানও পালিয়ে যায়। ফলে জুলুম অত্যাচার নির্যাতন বেইনসাফের সমাজ রাতারাতি বদলে যায়। গুনাহগার পাপী মানুষগুলো হয়ে যায় একেকটা কষ্টিপাথর। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয় ইনসাফ ন্যায়বিচার এবং প্রবাহিত হয় সততা ও পরোপকারের ফল্গুধারা। অন্যের অনিষ্টচিন্তা নিমিষেই উধাও হয়ে যায়। ইনসাফ অর্থ সুবিচার বা ন্যায়বিচার। বিচার কাজে পক্ষপাতিত্য করলে এবং প্রভাবশালী, ক্ষমতাশালী ও বংশীয় মর্যাদা রক্ষার খাতিরে ইনসাফ, সুবিচার বা ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়। এভাবে একটা দেশ, একটা সমাজ গুনাহগার বা অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে বা অভয়ারণ্যে পরিনত হয়। এর থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় ইনসাফ কায়েম করা। ইনসাফ কায়েম করতে হলে, ইনসাফের বিধান আল কুরআন এবং এর প্রবক্তা মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনুসরণ করতে হবে। ইরশাদ হয়েছে, "তোমাদের জন্য অবশ্যই আল্লাহর রাসূলের জীবনের মাঝে অনুকরণযোগ্য উত্তম আদর্শ রয়েছে, এমন প্রতিটি লোকের জন্য যে আল্লাহতায়ালার সাক্ষাৎ পেতে আগ্রহী এবং সে পরকালের মুক্তির আশা করে, সর্বোপরি সে আল্লাহ তায়ালাকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করতে থাকে।" সূরা আল আহযাব। আয়াত-২১। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, "মূলত যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে ব্যক্তিই কুরআনকে পরিত্যাগ করেছে। ধ্বংস হোক তারা যারা শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করে কথা বলে। যারা জাহেলিয়াতের মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে আসল সত্য থেকে উদাসীন হয়ে পড়েছে। এরা তামাশার ছলে জিজ্ঞেস করে, বিচারের দিনটি কবে আসবে ? যেদিন তাদের আগুনে দগ্ধ করা হবে সেদিন কেয়ামত হবে। সেদিন তাদের বলা হবে, এবার তোমরা তোমাদের শাস্তি ভোগ করতে থাকো। এ হচ্ছে সেদিন যার জন্যে তোমরা খুব তাড়াহুড়ো করছিলে। যারা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে তারা আল্লাহর জান্নাতে চির শান্তিতে থাকবে, সেখানে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হবে। সেদিন আল্লাহতায়ালা তাদের যে পুরষ্কার দেবেন তা সবই তারা সানন্দচিত্তে গ্রহণ করতে থাকবে। নিঃসন্দেহে এরা আগে সৎকর্মশীল ছিলো। তারা রাতের সামান্য অংশ ঘুমিয়ে কাটাতো। রাতের শেষ প্রহরে তারা আল্লাহর নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করতো। তারা বিশ্বাস করতো তাদের ধন সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিত লোকদের অধিকার রয়েছে।" সূরা আয যারিয়াত। আয়াত-৯ থেকে ১৯। আল্লাহর ভয়শূন্য হৃদয়ে যেকোনো পাপ পঙ্কিলতা সহজে বাসা বাধতে পারে। ফলে সে ব্যক্তি হয় যায় পাপ, গুনাহের ভান্ডার। অহংকার, দাম্ভিকতা ক্ষমতার দাপট তাকে করে তোলে আত্মসাৎকারী, বেপরোয়া। জোর যার মুল্লুক তার নীতিটা এখানথেকেই যাত্রা শুরু করে। ফলে সমাজে চালু হয়ে যায় জুলুম আর বিচারহীনতার সংস্কৃতি। ইনসাফ বঞ্চিত হয়ে তখন মানুষের শেষ আশ্রয় আল্লাহতায়ালার কাছে ফরিয়াদ করা বিচার প্রার্থনা করা ছাড়া গত্যন্তর থাকেনা। ইনসাফ কোনো মানুষের শিক্ষা নয়। আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির শুরু থেকে নবী রাসূলদের মাধ্যমে কিতাব নাজিল করে মানব জাতিকে ইনসাফ শিক্ষা দিয়েছেন। সর্বশেষ আসমানী কিতাব কুরআন মজিদে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "হে ঈমানদার লোকেরা, তোমারা সদা সর্বদা ইনসাফের উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো এবং আল্লাহ তায়ালার জন্য নিজেকে সত্যের সাক্ষী হিসেবে পেশ করো। যদি একাজটি তোমার নিজের, তোমার পিতামাতার, কিংবা নিজের আত্মীয় স্বজনের উপরেও আসে এবং সেব্যক্তি ধনী না গরীব তা কখনো দেখবেনা, তাদের চেয়ে আল্লাহ তায়ালার অধিকার অনেক বেশি। অতএব তুমি ন্যায়বিচার বা ইনসাফ করতে কখনো তোমার খেয়াল খুশিমতো কাজ করোনা। যদি তোমারা পেচানো কথা বলো কিংবা আল্লাহর জন্য সত্যের সাক্ষী দেয়া থেকে বিরত থাকো, তাহলে জেনে রাখবে তোমারা যা কিছুই করোনা কেনো আল্লাহ তার যথাযথ খবর রাখেন।" সূরা আন নিসা। আয়াত-১৩৫। আরো বলা হয়েছে, " নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন, ন্যায়বিচার, ইনসাফ, সদাচরণ ও আত্মীয়স্বজনকে দান করতে এবং আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে নিষেধ করছেন, অশ্লীলতা, অসৎ ও সীমালঙ্ঘনজনিত সকল কাজ করা থেকে। তিনি তোমাদেরকে এই আদেশ নিষেধগুলো মেনে চলার উপদেশ দিচ্ছেন, যাতে করে তোমারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারো।"সূরা আন নাহল। আয়াত-৯০। আল কুরআনকে ন্যায় ও ইনসাফের উপদেশবানীর এবং আদেশ নিষেধের এক বিশাল ভান্ডার বললে অত্যুক্তি হবেনা। তাই ইনসাফের কথা বলতে হলে আল্লাহতায়ালার চিরন্তন ও শ্বাসত ওহিগ্রন্থ আল কুরআনকে আঁকড়ে ধরতে হবে। বিদায় হজ্জের ভাষনে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আজ আমি তোমাদের জন্য দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যদি তোমারা এদুটোকে আঁকড়ে ধরে থাকো তাহলে তোমারা কখনো পথভ্রষ্ট বা বিপদগামী হবেনা। তার মধ্যে একটি হলো আল্লাহর কিতাব, আল কুরআন এবং আরেকটি হলো আমর সুন্নাহ বা আল হাদিস।" মুয়াত্তা। কুরআন ও হাদিসের উপরিউক্ত আলোচনা থেকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে, ইনসাফের অনুপস্থিতির কারনেই আজকের সমাজ পাপ পঙ্কিলতায় সয়লাব হয়ে যাচ্ছে এবং আপন-পর ও ক্ষমতাধর-ক্ষমতাহীন নির্বিশেষে ইনসাফপূর্ণ বিচার ফায়সালা করতে পারলে সমাজে কেউ নিজেকে আইনের উর্ধ্বে মনে করবেনা এবং অপরাধ করে সহজে পার পেয়ে যেতেও কেউ পারবেনা। এতে ধীরে ধীরে পাপের সমাজ নেকির সমাজে পরিবর্তন হবে এবং অপরাধী মানুষগুলো নেককার মানুষেে পরিনত হবে। ইনসাফ ন্যায়বিচার সুবিচার প্রতিষ্ঠা হলে কেউ করো প্রতি জুলুম তো করবেইনা বরং প্রত্যেকে প্রত্যেকের জন্য কল্যানকামী হয়ে যাবে এবং আকাশের মালিকের কাছে কেউ কারো জন্য অভিশাপ দেবেনা, ফরিয়াদও করবেনা।

mamun

২০২০-১০-০৫ ১৩:২৯:৩৫

All are Hyenas. All are Chattra League.

Aftab Chowdhury

২০২০-১০-০৫ ০০:২১:৫৪

এই জঙ্গল রাজত্ব কায়েম এর জন্য স্বাধীনতা ?!

পলাশ

২০২০-১০-০৫ ১৩:০৯:৫৩

আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে মেয়ে শিশু হত্যা, যেনা, ব্যাভিচার, বেইনসাফি সহ ইত্যাদি অপরাধ সংগঠিত হলেও ধর্ষণ সম্পর্কে তেমন জানা যায় না। আমাদের সমাজে সব ধরণের অপরাধ আশঙ্কাজনক ভাবে বিস্তার লাভ করেছে। এ সমস্ত অপরাধের কারণে শাস্তি হিসাবে আল্লাহ্‌ আমাদের ধ্বংস করে দেবেন।

salam

২০২০-১০-০৫ ১২:৫৪:২৫

এইটা ভাইরালের গুনে মামলা হয়েছে, আর যাদের ঘটনা ভাইরাল হয় না তারা তো গভীর অন্ধকারেই কেদে মরে। তা ভূক্তভূগীই জানে।

Saif

২০২০-১০-০৫ ১২:৫২:০৮

We all of you are helpless in this corrupted country. Only Allah can accurate justice in here.

MD. Romjan ali

২০২০-১০-০৫ ১২:৫২:০০

এই দেশে কোন বিচার নাই. বিচার আছে শুধু সরকার দলের লোকের.

Saif

২০২০-১০-০৫ ১২:৫১:৩৯

We all of you are helpless in this corrupted country. Only Allah can accurate justice in here.

Rana

২০২০-১০-০৫ ১২:৩৮:০৬

Prodip ra e sab karsa..............................

নেছার আহমেদ

২০২০-১০-০৫ ১১:৪৭:২৬

আমাদের সত্যিই লজ্জা হচ্ছে নিজেকে এই সমাজেরই একজন ভেবে। সরকারের সর্বচ্চ শিখরে আসিন যিনি তিনিও নারী, তিনিও কি আমাদের মত লজ্জা পান ?? তিনি লিজ্জা পেলে কতইনা ভাল হত !

Anwar hossain

২০২০-১০-০৪ ২১:৫০:২০

১৪ শত বছর পুর্বের আইয়্যামে জাহলিয়াতের ইতিহাস পড়েছি, কিন্তু দেখিনি এখন এই স্বাধীন দেশে দেখছি ! কি করবো এই পতাকা দিয়ে!!!?

আপনার মতামত দিন

মত-মতান্তর অন্যান্য খবর

ম্যারাডোনা ও বাংলাদেশ

২৬ নভেম্বর ২০২০

এমন মৃত্যু মানা যায় না

১৬ নভেম্বর ২০২০

ভ্যাকসিন জাতীয়তাবাদ

১৫ নভেম্বর ২০২০

বাসে সিরিজ আগুন

উদ্বেগের বৃহস্পতিবার, জনমনে নানা প্রশ্ন

১৩ নভেম্বর ২০২০



মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত

DMCA.com Protection Status