এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনে তিন প্রস্তাব

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষাঙ্গন ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৪১

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে স্থগিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে এ পরীক্ষার আয়োজন করতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্থগিত থাকা এই পরীক্ষা আয়োজনে শিক্ষাবোর্ড থেকে তিনটি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে- কেন্দ্র সংখ্যা বৃদ্ধি, সিলেবাস ও নম্বর কমানো এবং পরীক্ষার বিষয় কমিয়ে আনা।

শিক্ষাবোর্ডের এসব প্রস্তাব বর্তমানে পর্যবেক্ষণ চলছে। আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে। পরীক্ষার বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডকে প্রস্তাব তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়। পরীক্ষা আয়োজনে ২৪শে সেপ্টেম্বর আন্তঃবোর্ডের সভায় সব বোর্ডের চেয়ারম্যানদের পরামর্শে তিনটি প্রস্তাব তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনটি প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে, পরীক্ষার কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষার আয়োজন করা; সিলেবাস ও নম্বর কমিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করা; বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের মূল বিষয়গুলোর পরীক্ষা নিয়ে মূল্যায়নের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা।।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আলমগীর

২০২০-০৯-২৮ ২০:১১:৪১

Yes

Md Nasir Uddin

২০২০-০৯-২৯ ০৯:১০:২৫

This is very acceptable decision and its may considerable .

আবুল কাসেম

২০২০-০৯-২৮ ১৯:০৩:০০

দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় এর আগেও আমি এইচএসসি পরীক্ষার নিয়ে কয়েকবার মতামত ব্যক্ত করেছি। শিক্ষাবোর্ডের সুপারিশমালায় আমার মতামত প্রাধান্য পেয়েছে। পাঠক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সুবিধার্থে আবারো আমার মতামত তুলে ধরলে অত্যুক্তি হবেনা মনে করি। এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে মোটাদাগে ৩ টি সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। প্রথমতঃ করোনা পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে এলে বা মোটামুটি স্বাভাবিক হয়ে এলে পরীক্ষার হল সংখ্যা বাড়িয়ে অল্প দিনে এবং অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করতে হবে। এক্ষেত্রে (ক) সাইন্স, কমার্স ও আর্টস গ্রুপের আবশ্যিক বিষয়সমূহের পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। (খ) প্রতি সাবজেক্টের ১ম পত্রের ১০০ নম্বর ও ২য় পত্রের ১০০ নম্বর মিলে মোট ২০০ নম্বরের স্থলে, ১ম পত্রের ৫০ নম্বর + ২য় পত্রের ৫০ নম্বর =১০০ নম্বরের এমসিকিউ অথবা রিটেন + এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। তাহলে পরীক্ষার দিন সংখ্যা ও সময় কমে যাবে। (গ) বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীরা যার যার পছন্দ অনুযায়ী ম্যাথমেটিকস্ অথবা বায়োলজি পরীক্ষা দেবে। তাই এই দুই বিষয়ের প্রশ্নপত্র একই সাথে সরবরাহ করলে যার যে বিষয় পছন্দ সে সেই বিষয়ের পরীক্ষা দিতে পারবে। কারণ ৪র্থ সাবজেক্ট যেহেতু বাধ্যতামূলক নয় এবং কারো ৪র্থ সাবজেক্ট বায়োলজি আবার কারো গণিত, সে অনুযায়ী যার যার ৪র্থ সাবজেক্ট হয়তো বায়োলজি নয়তো গণিত বাদ দিয়ে যাবে। তাহলে সর্বমোট বিষয় সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১। ফিজিক্স ২। কেমিস্ট্রি ও ৩। গণিত অথবা বায়োলজি। সর্বমোট তিন বিষয়ের ১ম পত্র ও ২য় পত্র মিলিয়ে ২০০×৩=৬০০ নম্বর। এটাকে ৩০০ নম্বরও করা যেতে পারে সময় সংক্ষিপ্ত করার জন্য। বিষয় সংখ্যা কমালে দিন সংখ্যা কমবে আর নম্বর কমালে পরীক্ষার সময় কমে যাবে। তাতে অল্প দিনে ও সংক্ষিপ্ত সময়ে পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব হবে। মনে রাখতে হবে, করোনা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক কখনো হবেনা। তাই হলে গিয়ে পরীক্ষা দেয়ার মধ্যে কিছুটা হলেও ঝুঁকি থেকে যায়। দ্বিতীয়তঃ অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। এই পদ্ধতি করোনা ঝুঁকিমুক্ত হলেও কারিগরি বিষয়ের কিছুটা জটিলতা থাকে। এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়তঃ পিইসি, জেএসসি, এসএসসি ও ইন্টারমিডিয়েট শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষার রেজাল্টের ভিত্তিতে গ্রেড মার্ক নির্ধারণ করে সার্টিফিকেট দেওয়া।

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

নর্থ সাউথে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ শতাংশ টিউশন ফি কমিয়ে আনার ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ, আন্দোলন চালিয়ে নেবার সিদ্ধান্ত

২০ অক্টোবর ২০২০



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত