অপকর্মের কেন্দ্র ২০৫ নম্বর কক্ষ

কলঙ্কিত এমসি ক্যাম্পাস ধর্ষকদের ‘উল্লাস’

ওয়েছ খছরু, সিলেট থেকে

প্রথম পাতা ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:০৭

অন্ধকারে গাড়ির ভেতরেই পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় এক গৃহবধূকে। এ সময় বেঁধে রাখা হয় তার স্বামীকে। নিজেকে রক্ষা করতে ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছিল গৃহবধূ। স্বামীও চিৎকার করছিলেন। এ সময় উল্লাস করছিল ছাত্রলীগ কর্মীরা। চিৎকারের আওয়াজ রোধ করতে তারাও করে চিৎকার। চিৎকার শুনলেও হোস্টেলে থাকা শিক্ষার্থীরা কেউ এগিয়ে আসেনি।

তবে- তারা ফোন করে ঘটনা জানায় শাহপরান থানা পুলিশকে।
পুলিশ আসতে আসতেই গণধর্ষণের শিকার হয় ওই বধূ। রাত ৯টার দিকে যখন পুলিশ এমসি কলেজের হোস্টেলে পৌঁছায় ততক্ষণে ধর্ষকরা সটকে পড়ে। হোস্টেলের সামনে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদছিলেন স্বামী-স্ত্রী। গণধর্ষণের কারণে স্ত্রী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে স্বামী কাঁদছিলেন। পুলিশকে দেখেই হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন স্বামী-স্ত্রী দু’জনই। এরপর পুলিশ তাদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। প্রত্যক্ষদশীরা মানবজমিনের কাছে এভাবেই ঘটনার বর্ণনা দেন। এমসি কলেজের শতবর্ষী ছাত্রাবাস। কয়েক বছর আগে ওই ছাত্রাবাস আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। এরপর সরকারের তরফ থেকে উপহারস্বরূপ দেয়া হয়েছিল নতুন এই ছাত্রাবাস। এটির অবস্থান ছাত্রাবাসের একেবারে পেছনে। নির্জন টিলাময় ভূমি। টিলার পাদদেশেই নির্মাণ করা হয়েছে চার তলা ভবন। সন্ধ্যা নামলেই নির্জন হয়ে পড়ে ওই হোস্টেল এলাকা। আলো নেই আশেপাশেও। ফলে অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে এলাকা। আর এই হোস্টেলের সামনেই এমসি কলেজে কলঙ্কময় ইতিহাস রচিত হলো। এমন ঘটনা কখনোই এমসি কলেজে ঘটেনি। পাহাড়, টিলার আবরণে বেষ্টিত এমসির ক্যাম্পাস। সেই বৃটিশ আমলের কলেজ। অনেক স্মৃতি এই কলেজের। এ কারণে বিকাল হলেই ক্যাম্পাসে ঘুরতে যান অনেকেই। এর মধ্যে বেশিরভাগই যান প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ক্যাম্পাসে ঘুরে স্মৃতি রোমন্থন করেন তারা। ওই স্বামী-স্ত্রীও ক্যাম্পাস দেখতে গিয়েছিল। ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হন গৃহবধূ। মার্চ থেকেই বন্ধ এমসি কলেজ। সব হোস্টেলই বন্ধ। এরপরও সরব ছিল এমসির ছাত্রাবাস। এই সরবের পেছনের কারণও ভিন্ন। ছাত্রাবাস বন্ধ করা হলেও ছাত্রলীগ হোস্টেল ছাড়েনি। ছাত্রাবাসের নিয়ন্ত্রক ছিল ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর ও রনি। দুই জনই ছাত্রলীগের টিলাগড়ের রঞ্জিত গ্রুপের কর্মী। রঞ্জিত সরকারের বলয়ের হওয়ার কারণে তারা হোস্টেলে ছিল বেপরোয়া। কলেজ কর্তৃপক্ষ হোস্টেল বন্ধ করলেও তারা হোস্টেলের বিভিন্ন রুম দখল করে রেখেছে। বসবাস করতো হোস্টেলে। খাওয়া-দাওয়া সব করতো ওখানেই। তাদের ভয়ে কেউ কোনো কথা বলতো না। ছাত্রাবাসের দারোয়ানরা তাদের ভয়ে থাকতো তটস্থ। ঘটনার পর থেকে তারা আরো ভড়কে গেছে। একজন দারোয়ান জানালেন- ছাত্রাবাসে সাইফুর ও রনির আধিপত্য ছিল একতরফা। তারা সব অপকর্মের কেন্দ্রে পরিণত করেছিল হোস্টেলকে। সন্ধ্যা নামলেই চলে আসতো বহিরাগতরা। তারা সবাই গিয়ে একত্রিত হতো নতুন ভবনের ২০৫ নম্বর কক্ষে। কখনো কখনো তারা হোস্টেলের বাইরের নির্জন জায়গায় অবস্থান নিতো। মধ্যরাত পর্যন্ত চলতো তাদের আড্ডা-মস্তি। এসব সবাই দেখলেও কেউ কোনো কথা বলতো না। কথা বললেই করা হতো মারধর। এ কারণে নিরবে সব সহ্য করে চলছিল সবাই। সাইফুর, রনি ছাড়াও রবিউল, অর্জুন, তারেকুল, মাসুমও ছিল আড্ডার মধ্যমনি। মধ্যরাত পর্যন্ত আড্ডা দিয়ে তারা হলের বিভিন্ন কক্ষেই ঘুমিয়ে পড়তো। বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী লুকিয়ে হোস্টেলে অবস্থান করছিল। ঘটনার সময় তারাও ছিলেন নতুন বিল্ডিংয়ে। দোতলা ও তিনতলায় অবস্থান করছিল তারা। ওখান থেকে এক মহিলার চিৎকার শুনলেও কেউ বাইরে এসে প্রতিবাদ করার সাহস পাননি। এছাড়া হোস্টেলের সিড়িতেও তাদের লোক দাঁড়িয়ে ছিল। গতকাল দুপুরে তারা মানবজমিনকে জানান- ঘটনার সময় তারা চিৎকার শুনেছেন। এক মহিলা ও এক পুরুষ সম্ভ্রম রক্ষার জন্য সাহায্য চেয়েছিল। কিন্তু প্রাণভয়ে তারা কেউ বের হননি। ঘটনার পরপর তারাও হোস্টেল ছেড়ে চলে যান। গতকাল দুপুরে এসে তাদের বইপত্র নিয়ে গেছেন। নতুন হোস্টেলটি চারতলা। এই চারতলার মধ্যে ৩ তলা পুরোটারই কাজ শেষ। এ কারণে ওখানে ছাত্রদের জন্য ছেড়ে দেয়া হয়েছে। হোস্টেলের এক শিক্ষার্থী জানান- নতুন হোস্টেলে দুইতলা ও তিনতলায় ৯৬ জন শিক্ষার্থী বসবাস করেন। কলেজ বন্ধ হওয়ার পর সবাই বাড়িতে চলে গেছেন। বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন ছিলেন। এর বাইরে ছাত্রলীগের রনি ও সাইফুরের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ সবসময় হোস্টেলে অবস্থান করতো। তারা হোস্টেলকে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছে। এর মধ্যে রনির পুরো নাম শাহ মাহবুবুর রহমান রনি। সে এখন আর এমসি কলেজের ছাত্র না। মাস্টার্স পাস করেছে গত বছর। এরপরও সে এমসি কলেজের নতুন বিল্ডিংয়ের ২০৫ নম্বর কক্ষটি দখলে রেখেছে। তার কক্ষে বসেই মাদকের আসর বসাতো বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মীরা। করোনাকালে মহিলাদেরও যাতায়াত করতে দেখেছেন অন্য ছাত্ররা। কিন্তু কেউ কোনো প্রতিবাদ করেননি। রনির কক্ষে শনিবার ভোররাতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ওই কক্ষ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুরাতন ছাত্রাবাসের ৪ নম্বর ব্লকে একটি শিক্ষক বাংলো ছিল। ওই বাংলো এখন ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের দখলে। সে শিক্ষক বাংলোতে বসবাস করতো। ছাত্রাবাসে সবাই তাকে ভয় পায়। ভয়ঙ্কর সাইফুর নামে চিনেন সবাই। বেপরোয়া জীবনযাপন তার। যখন যা ইচ্ছা তাই করে। শিক্ষক বাংলো দখলে রাখলেও শিক্ষকরা এর প্রতিবাদ করতেন না। সাইফুর ইয়াবাসহ নানা নেশায় আসক্ত বলে হোস্টেলে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে। সাইফুর অনার্স পাস করেছে এমসি কলেজ থেকেই। শুক্রবার রাতে ধর্ষণের ঘটনাটি তারই নেতৃত্বে ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রথমে জোরপূর্বক ওই বধূকে সাইফুরই ধর্ষণ করে বলে জানা গেছে। গতকাল ভোররাতে সাইফুরের কক্ষ থেকে পুলিশ অবৈধ আগেয়াস্ত্র পেয়েছে। ধর্ষক মাহফুজুর রহমান মাহফুজও এমসি কলেজের শিক্ষার্থী। সে হোস্টেলে থাকতো। রবিউল আগে শিক্ষার্থী ছিল। এখন সে হল দখল করে আছে। অর্জুন ও তারেক বহিরাগত। আসামিদের মধ্যে সাইফুরের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাই, মাছুমের কানাইঘাট, অর্জুনের জকিগঞ্জ, রনির হবিগঞ্জ এবং তারেকের বাড়ি সুনামগঞ্জে। এমসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সালেহ উদ্দিন আহমদ মানবজমিনকে জানিয়েছেন- হোস্টেল থেকে ওদের বার বার তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু ওরা বারণ মানেনি। সবার অগোচরে এসে আবার হোস্টেলেই বসবাস শুরু করে। তিনি জানান- ‘ধর্ষণের ঘটনার পর আমরা এখন ওই হোস্টেলটিকে সিলগালা করে দেবো। কাউকে সেখানে বসবাস করতে কিংবা ঢুকতে দেয়া হবে না।’ সিলেট মহানগর পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) জ্যোতির্ময় সরকার জানিয়েছেন- ‘ঘটনার সময় ধর্ষিত ও তার স্বামী সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিল। হোস্টেল থেকেই পুলিশকে ফোন করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।’

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mohammad Fazley Rabb

২০২০-০৯-২৮ ১৩:৩৪:২৩

Happy Birth to Our PM, we fell very shame and sad when we read this type of news, Govt. should take serious action against these rapist. We want short trial from Govt, so no one can show dare to do this type of things.

Monir

২০২০-০৯-২৮ ০৯:৪৯:১৪

এমন ঘটনায় পুলিশ কেনো দেরিতে আসলো খতিয়ে দেখা হোক ।

Shamsul Arefin

২০২০-০৯-২৭ ১৫:৩৫:১২

এ সকল ধর্ষণকারীদের আটক করে কক্সবাজার নিয়ে লিয়াকত, প্রদীপ এর জিম্মায় দেওয়া হোক।

Jakir

২০২০-০৯-২৭ ১৫:২৯:৪১

Ora potitar sontan

Md. robiul hossain

২০২০-০৯-২৭ ১১:৪৬:৩৯

নষ্ট সমাজের নষ্ট রাজনীতির ফল। এর জন্য আমরাই দায়ী। কারণ আমরা আমাদের নষ্ট রাজনীতিকে সমর্থন করি। চায়ের দোকানে, কিংবা কফির আড্ডায় আমরাই এই নষ্ট রাজনীতির নেতা নেত্রীর গুনগান গাই। তাদের সমর্থনে একে অপরের সাথে তর্ক বিতর্কে লিপ্ত হই। আমরা কী বিশ্বের উন্নত দেশের রাজনৈতিক দেখতে পাই না। যেমনঃ জাপান, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানী, কানাডার। তাদের দেশেও তো রাজনৈতিক দল আছে। কৈ তারা তো আমাদের মতো নেতাদের গুনগান গেয়ে মাথায় তুলে না। তারা তো আমাদের মতো নেতার কিংবা দলের অন্ধভক্ত না। তারা যোগ্যতা এবং সততা দেখে দল নির্বাচন এবং নেতাদের ভোট দেয়। যার কারণে তারা উন্নত আর আমরা গরীব। আমাদের স্বভাবের ফলই আমরা ভোগ করতেছি। এর বেশি কিছু না।

Rase lii cc

২০২০-০৯-২৭ ০৯:২৬:২৭

Crossfire den asob kulangarder.

মিজানুল হক

২০২০-০৯-২৭ ০০:২৮:৪১

Shoot them just like Herculis who was here a few years ago .

Muhammad Robiul Isla

২০২০-০৯-২৭ ১২:৫৮:২৩

januarder fase 24 ghontar moddhe eder uddhar kore fase dea huk. ami bujhen akta desher sason bebostha koto neche namte pare se se .

Rana

২০২০-০৯-২৭ ১১:৪১:৫২

satrolik akta amanush ar dal.............

Muhammad Robiul Isla

২০২০-০৯-২৭ ১০:৩০:৪০

januarder fase 24 ghontar moddhe eder uddhar kore fase dea huk. ami bujhen akta desher sason bebostha koto neche namte pare se se .

Kazi

২০২০-০৯-২৬ ২১:০৯:৪১

Every punishment to its related offense should be appropriate to stop intention of doing it. In Bangladesh rape increased incredibly. Because punishment is nothing compared to offense. Law must be changed to embarrass rapist to think million times before intent to do it. And that punishment is making Khuja. Take off penis like law in Turkey, south Korea and Indonesia. Thus, rapist stay live, cannot marry if unmarried and cannot go to wife if married. In society he live he should live as an identified rapist. This is embarrassing.

chonchol

২০২০-০৯-২৭ ০৮:৫৭:৩২

Nothing to say. Allah save the country. What a tragedy. This is a piece of picture in our beloved country.

এ কে এম মহীউদ্দীন

২০২০-০৯-২৭ ০৮:২১:০৬

দেখা যাচ্ছে ছাত্রলীগের ছেলেপিলেদের যৌন তাড়না অত্যন্ত প্রবল। আওয়ামী লীগ কেন তাদের এই তাড়না মিটানোর একটা সুবন্দোবস্ত করে দেয় না?

এ কে এম মহীউদ্দীন

২০২০-০৯-২৭ ০৮:২০:৪৮

দেখা যাচ্ছে ছাত্রলীগের ছেলেপিলেদের যৌন তাড়না অত্যন্ত প্রবল। আওয়ামী লীগ কেন তাদের এই তাড়না মিটানোর একটা সুবন্দোবস্ত করে দেয় না?

রফিকুল আজম

২০২০-০৯-২৬ ১৯:০১:২৪

এ বর্বরতা কবে থামবে। কবে এ পশুদের বিচার দেখতে পাবো। এর জন্য কি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি করতে হবে। আমরা কোন দেশে থাকি! আমি লজ্জিত আমি এ দেশের!!!!!! আল্লাহ তুমি ঐ সকল জালিমদের বিচার করো। তুমি ছাড়া আমাদের আর কেউ নাই এবং ছিল না এবং ধাকবে ও না। আমরা আর পারছি না।

Shobuj Chowdhury

২০২০-০৯-২৭ ০৭:৫৩:৫৬

Have them castrated.

saiful islam

২০২০-০৯-২৭ ০৭:৪৯:২০

joy too BONGOBONDHU SHOEINIC sokol............ egie jao HASINA"r ashirbad ase ebong thakbe tomader sathe.............

Shafiur Rahman

২০২০-০৯-২৬ ১৮:২৮:৫৯

Direct Shoot.No need justice. They are the enemy of Sonar Bangla.

Dr.Ansari

২০২০-০৯-২৭ ০৬:৩৯:০৭

শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি বন্ধের জন্য গণজোয়ার আসা উচিৎ । ছাত্র সংসদের জন্য যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে মনোনয়ন দিতে হবে । তারপর নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে । রাজনৈতিক দলগুলো কখনই এটা চাইবেনা । বর্তমানের রাজনীতি আদর্শের না ভোগের ।

Shamsul Arefin

২০২০-০৯-২৬ ১৭:২৮:০৪

এ সকল ধর্ষণকারীদের আটক করে কক্সবাজার নিয়ে লিয়াকত, প্রদীপ এর জিম্মায় দেওয়া হোক।

মোতাহার

২০২০-০৯-২৭ ০৬:১৮:৪১

ছাত্র লীগের কর্ম ছাত্রলীগ করেছে, ধর্ষন করেছে ভাই, তাই বলে কি ছাত্রলীগকে কিছু বলা মানুষের শোভা পায়!

মোতাহার

২০২০-০৯-২৭ ০৬:১৮:২৯

ছাত্র লীগের কর্ম ছাত্রলীগ করেছে, ধর্ষন করেছে ভাই, তাই বলে কি ছাত্রলীগকে কিছু বলা মানুষের শোভা পায়!

Zul

২০২০-০৯-২৭ ০২:৩৩:৫৩

এই ঘটনা বিদেশি নিউজ পেপারে আসতো যদি চার দলীয় সরকারের আমলে তাদের ছাত্র সংগঠনের দ্বারা হতো।

tz chow

২০২০-০৯-২৭ ০১:৫৮:৪৬

কয়েক বছর আগেও কল্পনাতীত ছিল.ধর্ষণ ছিল,কিন্তু এত বেপরোয়া এবং প্রকাশ্য ছিলো না. এখন মানুষ এই ঘটনাগুলাকেও সাধারণ ভেবে নিয়েছে.বিচার নাই কথা বলার স্বাধীনতা নাই,নির্বাচন নাই,নৈতিকতা নাই.কারণ সবাই জানে,সমাধান ও সবাই জানে.অন্ধ হয়ে অপেক্ষা করা ছাড়া কিছুই করার নাই. ব্রিটিশ আমল থেকে ক্ষমতার লোভে এই দেশ আর দেশের মানুষ কে অত্যাচার করা চলছে.আশা করি এক দিন এর শেষ হবে.

Md. Harun al-Rashid

২০২০-০৯-২৭ ০১:০৫:৩৩

ধর্ষকরা জানে এমন নিষ্ঠুর বর্বরতার দায় এড়াবার জন্য তাদের থেকে বেশী তৎপর থাকবে তাদের গডফাদারগন। সুতরাং ক'দিন হৈ চৈ তার পর অন্য ইস্যু। ঐ যে ঘুনাক্ষরেও কিছু বলতে না পারার মাশুল দিচ্ছে নিরীহ মানুষ। তবে আখেরাত বলে একটা সময় আছে যেখানে সবাইকে এর দায় নিতে হবে। বিচার সেখানে হবে ইনশআল্লাহ।

খায়রুল

২০২০-০৯-২৬ ১১:৫১:১৬

এমসি কলেজ পুড়ানোর মুল কারিগর জেলা আওয়ামঈ লীগের নেতা রঞ্জিত সরকার। তারই পালিত লালিত এই বদমায়েশদের বিচার হবে না এটা সিলেটের বিবেকবান জনগন বিশ্বাস করে। এমসি কলেজ পুড়ানোর পর যখন সিলেটের বিবেকবানরা সোচ্চার ঠিক তখনই কালো বিড়াল খ্যাত রেল চুর সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত "সাবোটাজ" বলে পুরো বিচার কর্মকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় সুররঞ্জিতের পালিত গুন্ডা রঞ্জিতের পালিতরা এমসি কলেজকে নরকে পরিনত করেছে। আইন উপেক্ষা করে এই কুলাংগারদের বসবাসের সুযোগ দেয়ার জন্য এমসি কলেজের প্রিন্সিপাল এবং হোস্টেল সুপারের পদত্যাগ ও বিচারের দাবী জানাচ্ছি।

MAHMUDUR RAHMAN

২০২০-০৯-২৬ ১১:৪৬:৪৪

This incident broke my heart. It is a shame for the nation. And don't understand how the rapist flew and police still not catch any one.is this the country we wanted? Politics spoiled our education, system and as well as students..just request everyone to feel and stand yourself who is victim then you will be able to realize the pain...I don't have words to explain and this will be also people will forget like other old and pending cases. No justice as usual...

Zahurul Chowdhury

২০২০-০৯-২৭ ০০:৩৮:৪৯

বাংলাদেশ আজ ধর্ষিত। প্রতিটা দেশপ্রেমিক আজ ঘ্রিনা করে এই দলটিকে।

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

ক্ষমতার দাপট

২৭ অক্টোবর ২০২০

আক্রান্ত ছাড়ালো ৪ লাখ

২৭ অক্টোবর ২০২০

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। মৃত্যুর মিছিলও দীর্ঘ হচ্ছে। সংক্রমণ শুরুর ২৩৩ দিনের মাথায় করোনা ...

মানুষকে মাস্ক পরাবে কে?

২৬ অক্টোবর ২০২০

নো মাস্ক নো সার্ভিস

২৬ অক্টোবর ২০২০

মাস্ক না পরলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো সেবা মিলবে না। এমনই নির্দেশনা দিয়েছে ...

পহেলা নভেম্বর থেকে সবার জন্য খুলছে ওমরাহ’র দরজা

২৬ অক্টোবর ২০২০

আগামী ১লা নভেম্বর থেকে ওমরাহ পালন করতে পারবেন বিশ্বের সকল দেশের মুসল্লিরা। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা ...

অনশন ভাঙালেন মেয়র আরিফ

রায়হানের মায়ের কান্না

২৬ অক্টোবর ২০২০



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত