হেফাজতকে বদলে দেয়া কে এই উসামা মুহাম্মদ?

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রথম পাতা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:১৮

 
তিন যুগের শাসন। দু’দিনের অভ্যুত্থানে পতন। কোথা থেকে কী হয়ে গেল। হিসাব মেলানো কঠিন। পর্যবেক্ষকরা একেবারেই সময় পাননি। ঘটনা ঘটেছে চোখের পলকে। আনুষ্ঠানিক শুরুটা ১৬ই সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুরে এর আগেই একটি লিফলেট ছড়িয়ে পড়ে হেফাজত হেডকোয়ার্টারে। ছয় দফা দাবি।
আনাস মাদানীকে বহিষ্কার করতে হবে। পদ ছেড়ে দিতে হবে আল্লামা শাহ্‌ আহমদ শফীকে। আনাস মাদানীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ অবশ্য দীর্ঘ দিনের। বলা হচ্ছিল, পিতাকে ব্যবহার করে দুর্নীতি-অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। আল্লামা শফীকে হটানোর দাবি অবশ্য রীতিমতো বিস্ময়কর ছিল। হাটহাজারীতে এমন দাবি উঠতে পারে কেউ কখনো ভাবতে পারেননি। মাত্র ১০ বছর বয়সে ছাত্র হিসেবে এখানে এসেছিলেন তিনি। শেষ তিন যুগ ছিলেন মুহতামিম বা প্রধান। তার ডিক্রিই ছিল হাটহাজারীতে শেষ কথা। কিন্তু সময় কত কিছুই না বদলে দেয়। শুক্রবার রাতে পদত্যাগের পরই তাকে যেতে দেয়া হয় হাসপাতালে। পরদিনই ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার জানাজায় স্মরণকালের বৃহত্তম জমায়েত হয়েছে।

উসামা মুহাম্মদ। রহস্যময় এক ফেসবুক আইডি। আইডির পেছনের মানুষটি কে তা এখনো জানা যায়নি। কওমি অঙ্গনের নানা দুর্নীতি আর অনিয়ম নিয়ে বরাবরই সোচ্চার। কিন্তু হাটহাজারী আন্দোলনের সময় চলে আসেন একেবারে ফ্রন্টলাইনে। আন্দোলনে দিকনির্দেশনামূলক সব স্ট্যাটাস দেয়া হতে থাকে এ আইডি থেকে। বারবার দেয়া হয় সতর্কবার্তা। যেকোনো ধরনের প্রশাসনিক অভিযানের ব্যাপারে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। এরইমধ্যে আরেকটি ঘটনাও পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি এড়ায় না। হাটহাজারীর আন্দোলনের সমর্থনে ঢাকায় এক ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরও অত্যন্ত কড়া বক্তব্য রাখেন। বলেন, ছাত্রদের গায়ে হাত তোলা হলে ঢাকা অচল করে দেয়া হবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসা বন্ধের সরকারি ঘোষণাও পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে পারেনি। আনাস মাদানীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকেই হাটহাজারীর আন্দোলন, না এর পেছনে অন্য কিছু আছে সে প্রশ্নের উত্তর এখনো খোঁজা হচ্ছে।

আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘদিন ধরেই কওমি ঘরানায় অত্যন্ত প্রভাবশালী আলেম ছিলেন। কিন্তু তিনি আলোচনার শীর্ষে আসেন ২০১৩ সালে। যখন ১৩ দফা দাবিতে শাপলা চত্বরে তার ডাকে সমবেত হয় লাখ লাখ ছাত্র। ঢাকায় আসলেও ওই সমাবেশে অবশ্য তিনি নিজে যোগ দেননি। শাপলায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আল্লামা শাহ্‌ আহমদ শফীকে চট্টগ্রামে ফেরার সুযোগ দেয়া হয়। হেফাজতের নেতাদের বিরুদ্ধে বেশকিছু মামলা দায়ের করা হয়। সংগঠনের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে হেফাজতের উত্থান ঘটে। দেশি-বিদেশি শক্তির দৃষ্টি পড়ে হেফাজতের দিকে। অনেক দেশের প্রভাবশালী ব্যক্তি পা রাখতে থাকেন হাটহাজারীতে।

সরকারের সঙ্গে অবশ্য হেফাজতের সম্পর্কের একধরনের মেরামত হয়। সরকারবিরোধী অবস্থান থেকে নিজেকে আস্তে আস্তে সরিয়ে নেন আল্লামা আহমদ শফী। তার ছেলে আনাস মাদানী এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মামলাগুলো গতি হারায়। কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি দেয় সরকার। আরো বেশকিছু দাবি-দাওয়াও মেনে নেয়া হয়। এই আপাত শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতিতে অবশ্য হেফাজতের ভেতরেই একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। জুনায়েদ বাবুনগরী বিরোধী নেতা হিসেবে পরিচিতি পেতে থাকেন। অন্যদিকে, কাউকে কাউকে দরবারি আলেম হিসেবে উল্লেখ করে সমালোচনা করা হয়। বিশেষ করে কওমি তরুণরা ফেসবুকে সরব হতে থাকেন।

যে ছাত্রদের বিপুল সমাবেশে আল্লামা শাহ্‌ আহমদ শফীর উত্থান সে ছাত্র আন্দোলনেই পদত্যাগ করতে হয় তাকে। এখন বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন হচ্ছে, হাটহাজারীর পরিবর্তন হেফাজতকেও বদলে দেবে কিনা? হেফাজতের নেতৃত্বেই বা আসবেন কারা? নাকি সংগঠনটিতে বিভক্তি দেখা দেবে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করা নিয়ে আল্লামা শফী ও বাবুনগরীর মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। আল্লামা শফীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে হেফাজতের নেতৃত্বে একটা বড় শূন্যতা তৈরি হলো।

হাটহাজারীতে এরইমধ্যে কিছু পরিবর্তন এসেছে। জুনায়েদ বাবুনগরী প্রত্যাবর্তন করেছেন। মাদ্রাসা পরিচালনায় যৌথ নেতৃত্ব বেছে নিয়েছে মজলিসে শূরা। তিন সদস্যের প্যানেলকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে মাদ্রাসা পরিচালনার চেয়েও হেফাজতের নেতৃত্বের ফয়সালা যে কঠিন তা খোলাসা হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। নিজেদের অরাজনৈতিক দাবি করলেও সংগঠনটি ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা চলছে দীর্ঘদিন থেকেই। তবে হেফাজতের নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সমঝোতার আভাস পাওয়া গেছে। সেক্ষেত্রে শীর্ষ দুই পদ একধরনের সমঝোতার ভিত্তিতে বণ্টন হতে পারে। আমীরের পদে আসতে পারেন বর্তমান মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী। আর মহাসচিবের পদে আসতে পারেন মুফতি ফয়জুল্লাহ অথবা মঈনুদ্দীন রুহীর মধ্যে কেউ।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এমনিতেই বাংলাদেশে প্রচলিত রাজনীতি অনেকটা বদলে গেছে। এই অবস্থায় নেতৃত্ব বেছে নেয়া হেফাজতের জন্য অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। এ চ্যালেঞ্জ সংগঠনটির নেতারা কীভাবে মোকাবিলা করেন তার ওপর বহুলাংশে নির্ভর করছে হেফাজতের ভবিষ্যৎ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

বাংলাকণ্ঠ

২০২০-০৯-২৬ ০৮:৫৩:০৭

কোন রাজনৈতিক লোক হেফাজতের নেতৃত্বে আসতে বা থাকতে পারবেনা। কারণ তাদের কারণেই অতীতে অনেক সমস্যা হয়েছে।

মিজান চৌধুরী mrchowd

২০২০-০৯-২৫ ১০:৫৭:৫৯

বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশি কিছু চিন্তা না করে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী কে আল্লামা শাহ আহমদ শফী র সব পদে বসিয়ে দেয়া হোক। ঝামেলা চুকে যাক। উগ্রবাদী রা এটাই চেয়েছিল। এটার জন্যই আল্লামা শাহ আহমদ শফী র মতো একজন যুগশ্রেষ্ঠ আলেমকে যেভাবে অপমান করা হলো, সইতে না পেরে মহান আল্লাহ তাকে আপন করে নিয়েছে।

Nurujjaman Chowdhury

২০২০-০৯-২৫ ০৭:৩৪:২৭

মুফতি ফয়জুল্লাহ ও মঈনুদ্দিন রুহিকে দিবালোকে ছাত্ররা দৌরালো আবার এদের কে মহাসচিব বানানো হবে অবশ্যই তা হাস্যকর কেনো এ ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা

নোমান খালভী

২০২০-০৯-২৫ ০১:৫৯:৫৭

যাই হোক এখন কওমী অঙ্গন কলঙ্ক মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

মোঃ আঃ হাফিজ

২০২০-০৯-২৫ ০১:৪৬:৩৬

রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে হেফাজতের উত্থান ঘটেনি! অরাজনৈতিক শক্তি হিসেবে হেফাজতের উত্থান ঘটেছে।

মোস্তফা কামাল

২০২০-০৯-২৫ ০১:৩২:৩৩

ছোট ছোট ছাত্ররা যেখানে ফয়জুল্লাহ+রুহী গংদের দৌড়ানি দাবড়ানি দেয়, সেখানে তাদেরকে আলোচনার মূল অংশে নিয়ে আসাটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। গণধিকৃত হয়ে ওরা এখন নিজেদের আত্মরক্ষায় মনোনিবেশ করেছে।

Saiful Islam

২০২০-০৯-২৫ ০১:১৮:০১

আল্লামা আহমদ শফীকে তিলে তিলে বিভিন্ন কৌশলে যারা হত্যার মুখে ঠেলে দিয়েছে সে সকল ঘাতকদের কে শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার তথা ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।

শেখ পলাশ

২০২০-০৯-২৫ ০১:১১:২০

গাদ্দার ফয়জুল্লাহ আর রুহির নাম এনে স্বার্থকতা হারিয়ে ফেলল মানব জমিন,,,

সৈয়দ নজরুল হুদা

২০২০-০৯-২৫ ০০:১৪:৪১

মরহুম মুফতী শফী(রঃ)-এর ছেলে আনাস মাদানী হেফাজত ও কওমী আন্দোলন ধ্বংস করার মূল অনুঘোটক। আমির নির্বাচত পক্ষপাথহীন হোক,এ দোয়া করি।

Ahmed Maimum

২০২০-০৯-২৫ ০০:০৯:৩১

উসামা ভাইয়াকে আমি চিনি।এটি উনার ফেক নাম।উনার আসল নাম অন্যটি।খুব পরিচিত একজন উনি।

ইমাম হোসেন

২০২০-০৯-২৫ ০০:০৮:৩১

ফাইজুল্লাহ, রুহির কথা কিভাবে আনলেন, যাদের কে ছাত্ররা প্রকাশ্যে দেখলেই জুতা পেটা করবে,,,

samsulislam

২০২০-০৯-২৪ ২৩:৩৮:১৯

যত জনের নাম আছে,এখন তাদের সম্পদের হইসাব রাখেন।প্রয়োজন পড়তে পারে।আর আনাস মাদানি সম্পদের হিসাব নেয়া হউক।

Jalalul Islam

২০২০-০৯-২৪ ২২:৫৬:৩৮

এই হল সাংবাদিকতার আসল রূপ! এসি রুমে বসে রিপোর্ট করে দেওয়া আর বাস্তবতা অনুসন্ধান করে রিপোর্ট করার পার্থক্য বুঝিয়ে দিয়েছেন। ফযজূল্লা/রুহির ব্যাপারে কি চমকে চমৎকার কাহিনী! বাহ মানবজমিন! বাহ হলূদ সাংবাদিকতা!

Mustafijur Rahman Sh

২০২০-০৯-২৫ ১১:৫০:৩১

Molana Ruhi and Foijullah both are Opportunists. So avoid them.

Imran

২০২০-০৯-২৪ ২২:৪১:৫৯

ফয়জুল্লাহ ও রুহিকে কওমি অংগনে কেউ মানবে না।

Yasin Khan

২০২০-০৯-২৪ ২১:৫৬:৩২

হেফাজত যদি ঠিকে সত্যভাবে ঠিকে থাকুক। দালাল বা তাগুতের গোপন আনুগত্য মেনে ব্যক্তিদের সাথে আপোষ করে নয়। কারণ যারা দুনিয়ার লোভের কাছে বিক্রি হতে পারে তাদের সাথে আপোষ করে কমিটি হলে হেফাজত আবারও সংকটে পড়বে।

Shamsur Rahman Ujjal

২০২০-০৯-২৫ ১০:৫৩:২৫

আল্লামা আহমদ শফী মাত্র ১০ বছর বয়সে ছাত্র হিসেবে এখানে এসেছিলেন তিনি। শেষ তিন যুগ ছিলেন মুহতামিম বা প্রধান। তার ডিক্রিই ছিল হাটহাজারীতে শেষ কথা। কিন্তু সময় কত কিছুই না বদলে দেয়। আল্লাহ, জনাব মরহুম সফী আহমেদ(রঃ) হুজুরকে বেহেশতের সবচাইতে উচু মাকাম দান করুন, আমীন।

Alamin

২০২০-০৯-২৪ ২১:১৫:৩১

মুফতি ফয়জুল্লাহ অথবা মঈনুদ্দীন রুহী এই দুজনকে কেউ মেনে নেবে না।। দুজনই বাটপার

Md Junaid Anis

২০২০-০৯-২৪ ২১:০৫:১২

রুহী, ফয়জুল্লাহর দালালী করতেই এই লেখা! এদেরকে কওমী অঙ্গনে অমেক আগেই অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে৷

jubaer ahmed

২০২০-০৯-২৪ ২০:৫৫:২৮

মহাসচিব হতে পারেন মুফতি ফয়জুল্লাহ বা রুহির মধ্যে কেউ।এই অনুসন্ধানটা একেবারেই ভুয়া।এই কথার কারণে সমপূর্ণ রিপোর্ট প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। কারণ তারা মহাসচিব হওয়াতো দূরের কথা সাধারণ কোনো সদস্য পদেও কওমীর সন্তানরা দেখতে চায়না তাদেরকে।

ইকবাল কবির

২০২০-০৯-২৪ ২০:০৬:৩৬

সময়ই বলে দিবে চ্যালেন্জ মোকাবিলায় পরিবর্তনের ধারার তাদের যে বিজয় শুরু হয়েছে এর শেষ কোথায়।

Shohrabul Islam

২০২০-০৯-২৫ ০৮:৪৮:৩১

আল্লাহ, জনাব মরহুম সফী আহমেদ(রঃ) হুজুরকে বেহেশতের সবচাইতে উচু মাকাম দান করুন, আমীন। রুহির হেফাজত এর মতো সংগঠন এর মহাসচিব হওয়ার কোনো যোগ্যতাই নাই, এইটা তার প্রিভিয়াস কেরিয়ার ট্রাক রেকর্ড অনুসন্দান করলেই বুঝা যায়। আর মুফতি ফয়জুল্লাহ তো চিহ্নিত দালাল। যদিও সে লালবাগ এর মতো একটি মাদ্রাসার সাথে জড়িত। ফয়জুল্লাহর দালালি দেখে, এক সময়কার বি এন পি মহাসচিব ওবায়েদ এর কথা মনে পরে, উনি কিন্তু তৎকালে এরশাদ এর পার্টিতে জয়েন করার কথা ছিলো, তা কিন্তু আর হয় নাই। কারন সে বি এন পি'র কক্ষ চুত্য তারকা। কক্ষ চুত্য তারকাকে এরশাদ বোঝা মনে করেছিলেন, এইটাই বাস্তব। ফয়জুল্লাহ একদম সেম কোড এ আছে বরং তার চাইতে অনেক খারাপ জায়গাতে আছে। ফয়জুল্লাহ হইলো শিয়াল এর মতো, সে লালবাগ মাদ্রাসাতে মরহুম আমিনি(রঃ) ছেলেকে উত্তরাধিকারী হিসাবে সেট হইতে গুট্যালী করছে, হাটহাজারীতে আনাছ রে স্বপ্ন দেখাইছে, আরো কিছু মাদ্রাসা এমন আছে, যোগ্যতা না থাকলেও উত্তরাধিকারী সুত্রে সেট হতে একটা লবিং এর দালাল হিসাবে কাজ করছে। ফয়জুল্লাহ যদি হেফাজত এর মহাসচিব হয় তা হলে, আগে খারাপ কি ছিল? তবে এইটাও সত্যি কথা, পৃথিবী এখন অযোগ্য লোকদের হাতে বন্দি। আপনার আমদের ভিশন দিতে থাকেন, এক সময় না এক সময় আপনাদের ভিশন কাজে আসবেই। তখন হয়তো লিখতে পারবেন, আমরা এই কথা বলে আসছিলাম, ভাই সবপ্নের কথা বইলেন না, আমরা বিরক্ত সবপ্নের কথা শুনতে শুনতে, আমরা যা লিখা ছিল ওই সময়, তা দেখতে চাই, স্বপ্ন না।

rashed

২০২০-০৯-২৪ ১৯:৪৪:১৩

মাঈনুদ্দীন রুহী মুভ ফয়জুল্লাহ উচ্চমাত্রার সরকারী দালাল, এদের কে কওমিরা আদর্শ বিব‌র্জিত হিসা‌বে ছি‌নে। এরা চিহ্নিত শয়তান।

Md. Emdadul Haque Ba

২০২০-০৯-২৫ ০৭:১৪:০৪

Let us wait and see--what is happening there ? তবে আল্লামা আহাম্মদ শফির ছেলে আনাস মাদানী যে তার বুজুর্গ পিতাকে ব্যবহার করে অনেক নাজায়েজ ফায়দা লুটেছে তার প্রমান পাওয়া গেছে power corrupt and absolute power corrupts absolutely---ক্ষমতা মানুষ্কে অমানুষ করে ফেলে--আহাআম্মদ শফির আরো ১০ বছর আগেই বিধায় নেয়া উচিত ছিল --এবং বাবু নগড়ীকে কোন্ঠাসা করে দ্বীনের অনেক ক্ষতি করেছেন --তবে আল্লাহপাক বাবুনগরী বুজুর্গকে কঠিন পরীক্ষায় পাশ করিয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ let us hope for the best and wait for the worst also. Ameen.

মিজানুর রহমান কুতুবী

২০২০-০৯-২৪ ১৭:০৭:৩৭

"আর মহাসচিবের পদে আসতে পারেন মুফতি ফয়জুল্লাহ অথবা মঈনুদ্দীন রুহীর মধ্যে কেউ।" এই লেখার উপরের অংশটা ব্যতীত বাকি পুরোটা ঠিক আছে।

মাওঃ শরীফ হুসাইন

২০২০-০৯-২৪ ১৬:৪৮:৫৩

সংবাদপত্রে মোটামুটি নিরপেক্ষ বিবেচনাতেই পড়ে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। যখনই দেখলাম ফয়জুল্লাহ-রুহীদের আলোচনা চলে আসলো তখন হয়তো আর আমাদের মনে এই সন্দেহ নেই যে এই সংবাদটি আনাস গংদের দালালিতে বা দালালী করার জন্য বা তাদের থেকে টাকা খেয়ে এমন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে ! অবশ্যই মনে রাখতে হবে কওমি মাদ্রাসা, হাটহাজারী , হেফাজত, বেফাক বা হাইয়াতুল উলইয়া , যেখানের কথাই ধরুন না কেন, বর্তমানে যে উত্তাল তরঙ্গ বহমান এগুলো মূলত অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আর এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আনাস ফয়জুল্লাহ-রুহী তাদের সাঙ্গ-পাঙ্গরা এদের নাম উল্লেখ করাতে সংবাদটিকে হাস্যকর মনে হয়েছে,! গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছে।

Habib

২০২০-০৯-২৪ ১৩:০০:৪৭

আনাস মাদানির দীর্ঘ দিনের দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ছাত্র ও শিক্ষকদের হয়রানির কারণে, হাটহাজারীর ছাত্র শিক্ষক এমনকি স্থানীয় সাধারণ জনগণ পর্যন্ত আনাসের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্ধ ছিলো। আনাসের নিজস্ব কোনো ক্ষমতার বলে নয়, বরং আল্লামা আহমদ শফী রাহিমাহুল্লাহ এর ক্ষমতার অপব্যাবহার করে আনাস এগুলো করতো৷ ছাত্র আন্দোলনে আনাসের রুমে আল্লামা আহমদ শফীর সাক্ষরিত মাদরাসার ব্লাংক প্যাড এবং হাটহাজারীর সাবেক সহকারী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর সাক্ষরের নকল সীল উদ্ধার করেছে আন্দোলনকারীরা। এদ্বারাই আনাসের দুর্নীতির কিছুটা অনুমান করা যায়। আল্লামা আহমদ শফী রাহিমাহুল্লাহ এর প্রতি ছাত্রদের কোনো ক্ষোভ নেই। কিন্তু তার ক্ষমতার অপব্যাবহার আনাস করার কারণে ছাত্ররা সেই ক্ষমতা থেকে অব্যাহতির দাবি জানায়। আন্দোলন চলমান অবস্থায় ও আনাস ক্ষমতার অপব্যাবহার করে৷ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্যবিধির ঠুনকো অজুহাত দেখিয়ে মাদরাসা বন্ধের প্রজ্ঞাপন কারা জারি করিয়েছে সেটা বুঝতে কারো বাকি নেই। আল্লামা আহমদ শফীর বহিষ্কারের জন্য কেউ দাবি তুলে নি। ছাত্রদের সুনিপুণ দাবি ছিলো যে, আমরা আল্লামা শফী কে শিক্ষক হিসেবে চাই। কিন্তু তার ক্ষমতার অপব্যাবহার হওয়ার কারণে ক্ষমতা থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হোক। ঘটনার মজার বিষয় হলো এই আন্দোলনকারী ছাত্ররাই কিন্তু তার বিয়োগে শোকাহত, এবং তার অন্তিম কার্য সব ছাত্ররা ই আঞ্জাম দিয়েছে। আনাস মাদানি কিন্তু জানাজার নামাজে ও আসে নাই।

শফি উল্লাহ

২০২০-০৯-২৪ ১২:৫৫:৩৭

মুভ ফয়জুল্লাহ আর দালাল রুহির দালালি করে কোন লাভ নাই। এদের কওমি অঙ্গনে চার আনার মূল্য নাই।

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

আলু কিনতে দীর্ঘ লাইন

২৩ অক্টোবর ২০২০

গোয়েন্দা তথ্য

বাজার অস্থির করছে অসাধু সিন্ডিকেট

২৩ অক্টোবর ২০২০

দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট

নির্মম নির্যাতনেই রায়হানের মৃত্যু

২৩ অক্টোবর ২০২০

করোনায় আরো ২৪ জনের মৃত্যু

২৩ অক্টোবর ২০২০

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় মোট ...

জুয়া খেলার সময় পুলিশ আতঙ্কে পালাতে গিয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

২২ অক্টোবর ২০২০

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগাঁরগাঁও জনতা হাউজিং এর সাত তলার পাঁচ ভবনে জুয়া খেলার সময় পুলিশ ...

লাইফ সাপোর্টে রফিক-উল হক

২২ অক্টোবর ২০২০

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে আদ-দ্বীন হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা ...



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত



দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট

নির্মম নির্যাতনেই রায়হানের মৃত্যু