টাকার কুমির স্বাস্থ্যের গাড়িচালক

শুভ্র দেব

প্রথম পাতা ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৮

মাথায় সাদা টুপি। মুখে পাকা লম্বা দাড়ি। ৬৩ বছর বয়সী আবদুল মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। তার কাজ কর্মকর্তার গাড়ি চালানো। কিন্তু গাড়ি চালানো তো দূরের কথা খোদ মহাপরিচালকের গাড়ি ব্যবহার করতেন নিজে। ওই গাড়ি চালাতেন অধিদপ্তরের আরেক চালক। গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত ওই গাড়িটি কব্জায় ছিল গাড়ি চালক মালেকের। রোববার অভিযান চালিয়ে কোটিপতি এ গাড়ি চালককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
তিনি  স্বাস্থ্যে সাবেক ডিজি আবুল কালাম আজাদের গাড়ি চালাতেন। প্রভাবশালী  এই গাড়ি চালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ, বদলিসহ নানা অনিয়ম করে শ’ শ’ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। রাজধানীতে গড়েছেন বিলাসবহুল বেশ কয়েকটি বাড়ি। খামার গড়েছেন নিজের নামে। ব্যাংকে জমা করেছেন কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। গ্রেপ্তারের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই অবাক হয়েছেন তার সম্পদের তথ্য পেয়ে।
মালেকের শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। দেখতে সাদামাটা ভদ্রবেশী মনে হলেও বাস্তবে তিনি ভয়ঙ্কর এক ব্যক্তি। অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা থেকে শুরু করে আছে জাল টাকার ব্যবসা। অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি, দখল বাণিজ্য, অর্থ আদায় সবই করেন। গাড়ি চালক পেশার আড়ালে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড নেই যা তিনি করেন না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের গাড়িসহ আরো তিনটি প্রকল্পের গাড়ি নিজের কব্জায় রেখেছিলেন। অধিদপ্তরের নিয়োগ-বাণিজ্য থেকে শুরু করে ক্রয়, টেন্ডারবাজি ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া অধিদপ্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ করতেন। শুধু তাই নয়, নিজ এলাকায় মালেক ছিলেন মূর্তিমান এক আতঙ্ক। অবৈধ অস্ত্র ও টাকার গরম দেখিয়ে তিনি ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছিলেন। প্রকাশ্য অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে শক্তির মহড়া দিতেন। তার চক্রে ছিল একাধিক লোক। যাদেরকে নেতৃত্ব দিতেন মালেক নিজেই। তাদের হুমকি-ধমকিতে এলাকার লোকজন তটস্থ থাকতো। ভয়ে কারো মুখ খোলার সাহস ছিল না। কেউ মুখ খুললে তাকে নানাভাবে হয়রানি করতেন। তার ওপর নেমে আসতো খড়গ। অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে হয়েছেন টাকার কুমির। বিলাসবহুল গাড়ি-বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট- সবই আছে তার। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন, অবৈধ ব্যবসা, সম্পদ অর্জনের এসব অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই ছিল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতেন। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রাথমিক তদন্ত করে এসব অভিযোগের সত্যতা পেয়ে অবশেষে আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল ভোরে ঢাকার অদূরে তুরাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ টাকার জালনোট, ১টি ল্যাপটপ ও ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
র‌্যাব জানিয়েছে, তাদের কাছে অভিযোগ ছিল তুরাগ এলাকায়  আব্দুল মালেক অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জাল টাকার ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত। তার এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শক্তির মহড়া ও দাপট প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছেন। এমন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তুরাগের কামারপাড়াস্থ বামনের টেক এলাকার ৪২ নম্বর হাজি কমপ্লেক্সে নামের সাততলা ভবনের তৃতীয় তলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আব্দুল মালেকের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানিয়েছে, মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের একজন চালক। ১৯৮২ সালে সর্বপ্রথম সাভার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলে চালক হিসেবে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মরত। একজন গাড়ি চালক হলেও অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কিছুই ছিল তার নিয়ন্ত্রণে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যাবতীয় টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করতো মালেক। টাকার বিনিময়ে নিজের পছন্দের লোকদের টেন্ডার পাইয়ে দিতেন। প্রতিটা টেন্ডারেই তিনি ভাগ বসাতেন। অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য সরঞ্জাম থেকে শুরু করে অফিসিয়াল অন্যান্য কেনাকাটায়ও তার দৌরাত্ম্য ছিল। নিয়োগ বাণিজ্যেও একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে চাকরি পাইয়ে দিতেন। দীর্ঘদিন ধরে টেন্ডারবাজি, কেনাকেটা, নিয়োগ-বাণিজ্য করে তিনি কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন। তার আধিপত্যের কাছে খোদ অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তি থেকে শুরু করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পর্যন্ত তটস্থ হয়ে থাকতেন। গাড়ি চালক হয়েও তিনি কোনো গাড়ি চালাতেন না। উল্টো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্ধারিত কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি দিয়ে নিজে চলাফেরা করতেন। সরকারি গাড়ি ভাড়ায় খাটাতেন। অধিদপ্তরের তিনটি প্রকল্পের গাড়ি তার দখলে ছিল। এসব গাড়ি মাসিক ভাড়ায় অন্যত্র খাটাতেন। এই তিনটি গাড়ি ছিল যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার তিনজন প্রকল্প পরিচালকের জন্য বরাদ্দ। অভিযোগ আছে মালেক সব সময় অস্ত্র বহন করতেন। বিষয়টি কর্মস্থলের অনেকেই জানতেন। কাজও হাসিল করতেন অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে। শুধু অধিদপ্তর নয়, তার লম্বা হাত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। অভিযোগ আছে মালেকের খুঁটির জোর বেশ শক্ত ছিল।
র‌্যাবের তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুঘল ছিল আব্দুল মালেক। স্বাস্থ্য সেক্টরে আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জাল টাকার ব্যবসা করে আসছেন। এর বাইরে অস্ত্রের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। তার বিলাসবহুল জীবন ছিল। চলাফিরা করতেন সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে। চালক হিসেবে তার যে আয় সেটি ব্যয় ও সম্পদের সঙ্গে অসামঞ্জস্য ছিল। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, আব্দুল মালেকের স্ত্রীর নামে দক্ষিণ কামারপাড়া এলাকায় দু’টি সাততলা ভবন, বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২৪টি ফ্ল্যাট, ১৫ কাঠা জমিতে একটি ডেইরি ফার্ম, হাতিরপুলে সাড়ে চার কাঠা জমিতে ১০ তলা ভবন রয়েছে। নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে তার রয়েছে কোটি কোটি টাকা। লাভজনক-অলাভজনক বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। র‌্যাব জানিয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে তার আরো বাড়ি, জমি থাকতে পারে।
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার মানবজমিনকে বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজির প্রাডো গাড়ি গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত তিনি ব্যবহার করেছেন। এছাড়া তিনটি প্রকল্পের যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার তিনটি গাড়ি তার দখলে ছিল। অধিদপ্তরের ক্রয়, নিয়োগ-বাণিজ্য টেন্ডার-বাণিজ্য ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা তার নিয়ন্ত্রণে ছিল। একাধিক বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ তার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নানা তথ্য আমাদেরকে দিচ্ছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আশুতোষ মল্লিক

২০২০-০৯-২১ ২৩:১৭:৫৩

সকল মন্ত্রনালয় এবং সকল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং কর্মচারী দের সম্পদের হিসাব যদি একসাথে নেওয়া হতো!!!

Shoheeduzzaman

২০২০-০৯-২১ ০৩:৫০:৩১

Driver যদি টাকার কুমির হয় তাহলে সচিবেরতো নদীর তিমি এবং ভুমির হাতি হওয়ার কথা

uttam

২০২০-০৯-২১ ১২:৫২:২৪

really a big corruption news I hope our government should take proper initiative against him with also who are jointly corrupted and given opportunity to do work this type of corruption .

z Ahmed

২০২০-০৯-২১ ০৮:৪৯:৫০

It's corruption-corruption from top to bottom. Only solution is eradication and combating corruption.

samsulislam

২০২০-০৯-২০ ১৯:২৭:০০

ভাই টাকার কুমির বললে কুমির বেচারা মাইণ্ড করবে,তার এই চিকন স্বাস্থের জন্য।বরং নতুন শব্দ এডিট করে টাকার তিমি বলা যায় না।আবার মাইণ্ড করিয়েন না।জ্ঞ্ন দিতে আসিনি কিন্তু।

Kazi

২০২০-০৯-২০ ১৯:২৩:১৭

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে টাকার (ঘুষের)খনি৭০ বছর জীবনে কল্পনাও করতে পারিনি। সরকার যা দেয় সব লুটপাট হয় । রাখাল নাই। যারা রাখাল তারাই লুটপাট কারি যেভাবে ছিনতাইকারী । ড্রাইভির যদি এত টাকা বানায় বস‘রা কত বানাইছে ভেবে দেখুন । এই হিসাব সুপার কম্পিউটার ছাড়া সম্ভব নয়।

Shwapohin

২০২০-০৯-২০ ১৯:০৯:০০

এ রকম আরো অনেক মালেক আছে.......

Kazi

২০২০-০৯-২০ ১৬:৩৪:১৮

বেটার নাম মালেক। তার অন্তরে কত দুঃখ এখনও সারা বাংলাদেশের মালেক হতে পারে নি। তার মর্ম বেদনা বুঝার চেষ্টা করেন ভাই সব।

Kazi

২০২০-০৯-২০ ১৬:১৮:৩৯

Like Kamal Ata Turk who exploded Ship in Mediterranean sea ......to kill extremists, I think similar action is appropriate for people like him. Accumulate all and put in a ship to explode in Bay of Bengal.

Kazi

২০২০-০৯-২০ ১৫:৫৭:০০

Like Kamal Ata Turk who exploded Ship in Mediterranean sea ......to kill extremists, I think similar action is appropriate for people like him. Accumulate all and put in a ship to explode in Bay of Bengal.

Abu Saleh Chy

২০২০-০৯-২০ ১৪:৪০:১০

ডিজির গাড়ি চালকের এতো টাকা ধরে নেয়া হচ্ছে অবৈধ উপায়ে অর্জন। এখানে ৩ টি প্রশ্ন বড় হয়ে চুখে জ্বল জ্বল করে ভাসছে। ১) (ক) গাড়িচালক ধরা পড়লে তার বস ডিজির অবৈধ কত টাকা আছে বা নেই তা কি অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে ?( খ ) উনার আওতাভুক্ত আর কোন কোনো কর্মকর্তা অবৈধভাবে আয় করেছেন বা না এবং যদি কেউ করে থাকেন তবে কি তাদেরকে অনুসন্ধানের আওতায় এনেছেন ?( গ ) ডিজির আওতাভুক্ত ড্রাইভার অবৈধভাবে এতো টাকা উপার্জন করেছে এবং তা তিনি জনগণের টাকা বেতন ভাতা , সুবিধাদি নিয়ে এসব দেখবাল করার দায়িত্ব থাকলেও, এ দায়িত্ব পালন করলেননা অথবা জেনে বা না জেনে কেন দায়িত্ব অবহেলা করে পূর্বেই এসব দুর্নীতি আইনের আওতায় নিয়ে আসেননি সেজন্যে তার কি আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন ? ২ ) ক) ডিজির বস সচিব এবং তার বস মন্ত্রী মহুদয়ের কি কোনো অবৈধ সম্পদ আছে তা খতিয়ে দেখছেন কি ? খ ) আর না থাকলেও উনাদের দায়িত্ব থাকা অবস্থায় তা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করে এসব দুর্নীতি সংঘটিত হতে দেয়ার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে ? গ ) এখানে তাদের সকলের বস কি এসব ঠিকমতো দেখবাল করেছেন ? ৩) ক ) এমন নয় যে এ ড্রাইভার গত কাল শুরু করে আজই এই টাকা উপার্জন করেছে। তাই উপরোক্ত বসদের পদে আগে যারা দায়িত্ব পালননকরছিলেন তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ? খ ) এসব কারণে পূর্বে যারা দায়িত্বে ছিলেন তাদের কেউ কেউ আজ প্রয়াত। কিন্তু তাদের দুর্নীতির কথা সত্য বলাতে এমনকি কোনো কোনো ইউনিভার্সিটির শিক্ষক পর্যন্ত জেলে যেতে হয়েছে। তাদেরকে আজ কি রিওয়ার্ড দেয়ার ব্যবস্থা করছেন ? জানি কিছুই না শুধু আগে নিরীহ থাকলেও বর্তমানে কোটিপতি ড্রাইভারের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তার কর হয়েছে । যদি টানা করা হয় তবে এ কি দুর্নীতি দমনের প্রকৃত উপায় ???

Mujibur Rahman Sheik

২০২০-০৯-২১ ০৩:৩২:১৬

If the fish head is rotten, the other body parts also start rotting.

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

রায়হান হত্যা

আকবরের সঙ্গে লাপাত্তা নোমানও

২৪ অক্টোবর ২০২০

জরিপে বাইডেনের জয়

সংযত আক্রমণ

২৪ অক্টোবর ২০২০

র‌্যাব মহাপরিচালক

সিনহা হত্যার তদন্তে ইতিবাচক অগ্রগতি

২৪ অক্টোবর ২০২০

সংকটাপন্ন রফিক-উল হক

২৪ অক্টোবর ২০২০

শনাক্ত ১৫৮৬

২৪ ঘণ্টায় আরো ১৪ জনের মৃত্যু

২৪ অক্টোবর ২০২০

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরো ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ১৪ জনের ১২ ...

আলু কিনতে দীর্ঘ লাইন

২৩ অক্টোবর ২০২০

গোয়েন্দা তথ্য

বাজার অস্থির করছে অসাধু সিন্ডিকেট

২৩ অক্টোবর ২০২০



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত