সুষ্ঠু নজরদারির মাধ্যমেই নগর এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এড়ানো সম্ভব- বি.আই.পি

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (২ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০, শনিবার, ৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নগর এলাকাসমূহে অগ্নিকান্ডের ঝূঁকি বেড়ে যাবার প্রেক্ষিতে প্রায়শঃই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যার ফলে জীবন ও সম্পদের অপূরণীয় ক্ষয়-ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। নগর এলাকার সঠিক পরিকল্পনা, ঝুঁকিমুক্ত নিরাপদ ভবন নির্মাণ, কার্যকরী উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা ও সুষ্ঠু নজরদারি থাকলে নগর এলাকায় এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এড়ানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বি.আই.পি.)।


আজ শনিবার অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ‘নগরে অগ্নি ঝুঁকি ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পরিকল্পনা সংলাপে নগর পরিকল্পনাবিদগণ এমন মন্তব্য করেন।

পরিকল্পনা সংলাপের শুরুতেই বি.আই.পি.-র সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান ‘নগরে অগ্নি ঝুঁকি ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে তিনি সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অগ্নিকাণ্ডের উদাহারণ টেনে এর সঙ্গে পরিকল্পনাগত, প্রকৌশলগত এবং ব্যবস্থাপনাগত বিভিন্ন সমস্যার যোগসূত্র তুলে ধরেন। এছাড়াও এ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে সসম্যার আশু প্রতিকারের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তিনি বলেন, আমাদের সেবা সংস্থা সমূহকে জনগণের জীবনকে প্রধান্য দিতে হবে। এসব দূর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দিতে হবে। ইমারত নকশার অনুমোদনের পাশাপাশি পরিকল্পনাগত অনুমোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও দেশের শহর ও গ্রামীন এলাকায় ভূমি ব্যবহার অনুমোদনের বিধান রাখতে হবে এবং  প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই, আমরা পরিকল্পিত নগর ও গ্রাম তৈরি করতে পারব এবং দেশ বসবাসের উপযোগী হবে।


বি.আই.পি.-র সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান এর সঞ্চালনায় পরিকল্পনা সংলাপের সভাপতির বক্তব্যে বি.আই.পি.-র সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. আকতার মাহমুদ বলেন, ঝুঁকি কমাতে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা এবং ভবন নির্মান পরিকল্পনা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও ইমারত নির্মাণের সময় প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্রসমূহরে মানসম্মত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ড সংগঠিত হলে ফায়ার সার্ভিসের সমর্থতা এবং দূর্ঘটনাস্থলে সময়মতো পৌঁছানের সম্ভাব্যতা বিবেচনায় রেখে ইমারতের অগ্নি নির্বাপক সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক তৈরির মাধ্যমে সামাজিক প্রস্তুতি বাড়াতে হবে, তবেই ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত

DMCA.com Protection Status