বাংলাদেশে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিল ভারত

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা

ভারত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৫৭

অনুমান ছিল, প্রতীক্ষা ছিল। অবশেষে সবুজ সংকেত মিলল। ভারত থেকে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিল ডিরেক্টরেট অফ ফরেন ট্রেডস। শনিবার থেকেই বাংলাদেশে পেঁয়াজ যাবে ট্রাকে ও চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে। বাংলাদেশ সরকার বৃহস্পতিবার ভারত সরকারকে চিঠি পাঠিয়ে ভারতের এই একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। চিঠিতে  ২০১৯-২০ সালের  সমঝোতার  কথা  উল্লেখ ছিল। বলা হয়েছিল, রপ্তানি বন্ধ করাটা দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। কিন্তু, বন্ধ করার আগে দু’ দেশ দু’ দেশকেই জানাতে বাধ্য থাকবে।
পেঁয়াজ রপ্তানি যে ১৪ই সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ থাকছে তা ভারত বাংলাদেশকে জানায়নি। বাংলাদেশের দাবির যথার্থতা নিয়ে শুক্রবার ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ডিরেক্টরেট অফ ফরেন ট্রেডস একটি বৈঠকে বসে এবং সেখানেই বাংলাদেশে পেঁয়াজ পাঠানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উল্লেখ্য, ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশে দেশি পেঁয়াজের দর সেঞ্চুরি ছোঁয়। হাইব্রিড পেঁয়াজের দাম হয় ৮০ টাকা কিলো। মজুত করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৭০ টাকা কিলো দরে। শনিবার ভারতীয় পেঁয়াজ আসার সঙ্গে সঙ্গে দরে কিছুটা স্থিতিশীলতা আসবে বলে অনুমান।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

shiblik

২০২০-০৯-১৯ ১৩:৩২:১৯

আমি ভারতীয় পিয়াজ এবং অনান্ন পণ্য এক বছরের জন্য বাবহার বন্ধ করে দিয়েছি।

A ,R ,Sarker

২০২০-০৯-১৮ ২৩:৫০:৪০

Bangladesh should denie it for imposing limit by India and search other country like Pakistan and more from where continue import will come.

আবুল কাসেম

২০২০-০৯-১৮ ২৩:৩৪:০৫

ভারতীয় সীমান্তে আটকে দেয়া পেঁয়াজগুলো অবশেষে বাংলাদেশে ঢুকার অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু তারা আমাদেরকে যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে তার জন্য কোনো দুঃখ প্রকাশ দেখা যায়নি। সে যাই হোক, গত বছর এবং এই বছরের পরিস্থিতি দেখে বুঝা যাচ্ছে , পেঁয়াজের ঝাঁজের তেলেসমাতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। প্রথম কথা হলো, প্রতি বছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারত দু-দেশেই বন্যা হয়। তখন পেঁয়াজের মূল্য দু-দেশেই বৃদ্ধি পায়। সে কারণে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। তবে বন্ধুত্ব ও প্রতিবেশীর দায়বদ্ধতা এবং বানিজ্যিক সম্পর্ক, ভদ্রতা ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের নীতি রক্ষা করতে হলেও ভারতের উচিত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের পূর্ব ঘোষণা দেয়া। সারা বছর পেঁয়াজ বেচে বাংলাদেশ থেকে কোটি কোটি ডলার নিয়ে যাবেন আর সংকটের সময় কিছু না বলে না কয়ে বাংলাদেশে হঠাৎ পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেবেন। এতে বুঝা যায় ভারতীয় শাসকেরা অনুদার এবং তারা বাংলাদেশকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এবং বন্ধু মনে করেনা। এসব তিক্ত অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদেরকে ভারতের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। ভারতের বাইরে গিয়ে পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্য পন্যের বাজার খুজতে হবে। ভারতের বিশাল জনগোষ্ঠীর চাহিদা মেটাতে গিয়ে তারা পেঁয়াজ রপ্তানি করতে অপারগ হতেই পারে। তাই আগামী বছরের চাহিদা সামনে রেখে এবং আগষ্ট-সেপ্টেম্বরের সংকটের হিসাব ধরে নিয়ে এখন থেকেই আমাদের পরিকল্পনা নিতে হবে। এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। আমাদের কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর হস্তে দমন করাটাও জরুরি ।

নিশিতা

২০২০-০৯-১৮ ২৩:১৭:০৬

এখন দেখে নিতে হবে এগুলো নষ্ট নাকি?কারণ নষ্ট না হলে ছাড়ার কথা নয়।টাকা দিয়ে খারাপ পণ্য কেন কিনবো?আর সাথে সাথে বিকল্প বাজার খুজতে হবে সমস্যা সৃষ্টি হবার আগেই।ভোজনরসিক আমাদের মুখে যে বড়ই স্বাদ!!! ন্যাড়া ২বার গেল বেল তলায় কিন্তু ৩বার যেন যেতে না হয়।

Md. Harun al-Rashid

২০২০-০৯-১৯ ১১:৪১:৩৬

গভীর ক্ষতে মলমের দাওয়াই। বিকল্প উৎস থেকে আমদানী অব্যাহত রাখুন। প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর হতে নভেম্বর পর্যন্ত বাজার মনিটরিং এর কার্যকর ব্যবস্হা চালু করুন। দেশীয় উৎপাদনে প্রনোদনা দিন। গ্রীষ্ম বা সারা বছরে উৎপাদন করা যায় এমন জাত উৎভাবনে গবেষণায় অর্থ বরাদ্ধ দিন।

Kazi

২০২০-০৯-১৮ ২২:৩৫:৪০

25,000 ton = 25,000 X 1000 kg/ton = 25,000,000 KG.=2,50,00,000 KG. POPULATION of Bangladesh 16 crore. 2,50,00,000 Kg ÷ 16 crore = 15.625 gram per head A family of 8 person will have 125 gram. Not even sufficient for a day cooking.

Kazi

২০২০-০৯-১৮ ২১:৩২:২৬

Big favour ? Bangladesh must find out countries exporting onion to sign agreements for continued export to Bangladesh.

আপনার মতামত দিন

ভারত অন্যান্য খবর

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন

চিকিৎসার জন্য ভারত সফরে আগ্রহীরা সঙ্গীসহ ভিসার আবেদন করবেন

২২ অক্টোবর ২০২০

রাহুল গান্ধী যা বললেন...

১৪ অক্টোবর ২০২০



ভারত সর্বাধিক পঠিত