মারা গেছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি রুথ ব্যাডার গিন্সবার্গ

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৫৯

ক্যান্সারে ভুগে মারা গেছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রুথ ব্যাডার গিন্সবার্গ। দেশটির ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী বিচারপতি ও নারী অধিকারের অনন্য চ্যাম্পিয়ন ছিলেন তিনি। ৮৭ বছর বয়সে ক্যান্সারের কাছ হার মেনে চিরতরে বিদায় নেন মহীয়সী এই নারী। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। এক বিবৃতিতে আদালত জানিয়েছে, শুক্রবার রাজধানী ওয়াশিংটনে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গিন্সবার্গ। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তার কাছেই ছিলেন। এ বছরের শুরুর দিকে ক্যান্সারের জন্য কেমোথেরাপি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছিলেন গিন্সবার্গ। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, মার্কিন উদারপন্থিদের মধ্যে অন্যতম নারীবাদী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত গিন্সবার্গ।
সুপ্রিম কোর্টে দায়িত্বরত সবচেয়ে বয়োজৈষ্ঠ্য বিচারপতি ছিলেন তিনি। ২৭ বছর ধরে বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমাদের জাতি ঐতিহাসিক মর্যাদার একজন আইনবিদকে হারালো। সুপ্রিম কোর্টে আমরা একজন প্রিয় সহকর্মীকে হারালাম। আমরা শোক পালন করবো, কিন্তু সাথে এই আত্মবিশ্বাসও থাকবে যে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রুথ ব্যাডার গিন্সবার্গকে আমাদের মতো করেই মনে রাখবে- ন্যায় বিচারের একজন ক্লান্তিহীন ও সংকল্পবদ্ধ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।
আদালতের চার উদারপন্থি বিচারপতিদের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি। তার স্বাস্থ্যের অবস্থা বেশ নিবিড়ভাবেই নজরে রাখছিলেন সবাই। তার মৃত্যুতে আদালতের বিচারপতিদের মধ্যে রক্ষণশীলদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, তার জায়গায় এবার নিজের পছন্দসই রক্ষণশীল কোনো বিচারককে বসানোর চেষ্টা করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের বিতর্কিত আইনগুলোর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকে সুপ্রিম কোর্ট। গিন্সবার্গের মৃত্যুতে তার উত্তরসূরী নির্বাচন নিয়ে একটি রাজনৈতিক লড়াই শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হতে পারে। গিন্সবার্গের জায়গায় রক্ষণশীল কোনো বিচারক এলে সুপ্রিম কোর্টের নয় বিচারপতির মধ্যে উদারপন্থিরা বিশাল ব্যবধানে সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন। এতে করে কট্টরপন্থি নীতিমালাগুলো ছাড় পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ক্ষমতায় আসার পর থেকে ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টে দুইজন রক্ষণশীল বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়েছেন। এতে করে আদালতের নয় বিচারপতির মধ্যে ইতিমধ্যেই ৫-৪ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে আছেন রক্ষণশীলরা।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০২০-০৯-১৮ ২০:১৫:৪৭

এক আদালত হাজার ইবাদত তুল্য যদি করে ন্যায় বিচার । ট্রাম্পের আগে আদালতের উপর হস্তক্ষেপ ছিল না। ন্যায় বিচার সহজ ছিল। যে ধর্মের লোক হউন কর্মফল সাথী হবে।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

ডেইলি সাবাহ’র প্রতিবেদন

বার্লিনে মসজিদে পুলিশি অভিযানের নিন্দা এরদোগানের

২৫ অক্টোবর ২০২০

৪টি মানবাধিকার সংগঠনের বিবৃতি

অধিকার কর্মী ও তাদের পরিবারকে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন বন্ধ করুন

২৫ অক্টোবর ২০২০

ইন্ডিপেন্ডেন্টের রিপোর্ট

ট্রাম্প উন্মাদ হয়ে গেছেন- ওবামা

২৫ অক্টোবর ২০২০



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



ইন্ডিপেন্ডেন্টের রিপোর্ট

ট্রাম্প উন্মাদ হয়ে গেছেন- ওবামা

বিচারপতি ব্যারেটকে অনুমোদন

ট্রাম্পের উল্লাস, ডেমোক্রেটদের বয়কট

আল জাজিরার প্রতিবেদন

গ্রে লিস্টেই থাকবে পাকিস্তান