জবানবন্দিতে রবিউল

ইউএনও’র ওপর হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকে

শেষের পাতা ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০০ পূর্বাহ্ন

ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে হত্যা প্রচেষ্টার মূল হামলাকারী হিসেবে মালি রবিউল ইসলামকে শনাক্ত করেছে তদন্তকারী কর্মকর্তারা। রিমান্ডে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে ইউএনও’র ওপর হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে। মামলার অন্যতম আসামি রবিউলকে ৬ দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার ফের ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

অন্যদিকে রবিউল ইসলামের স্বীকারোক্তি জোরপূর্বক নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। একইসঙ্গে স্থানীয়দের দাবি, একটি মহলকে আড়াল করতেই রবিউলকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তাই এ মামলাটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির মাধ্যমে তদন্তের দাবি তুলেছেন তারা।

এদিকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা প্রচেষ্টা ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম শতভাগ সফল বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওসি ইমাম আবু জাফর। তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদ, আলামত উদ্ধার এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অনুযায়ী রবিউল ইসলামই একমাত্র আসামি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ইতিপূর্বে ৩ আসামিকে রিমান্ড এবং বিভিন্ন আঙ্গিকে তদন্ত করেও যখন ক্লু পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন সামনে আসে রবিউল ইসলামের সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি।
এরপর রবিউলকে নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। একপর্যায়ে একটি মোবাইল নম্বর হাতে আসে, যেটিতে দিনাজপুরের বিরল থেকে ঘোড়াঘাট যাওয়ার লোকেশন দেখাচ্ছিল। নম্বরটি রবিউলের কিনা নিশ্চিত হতে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রবিউলের স্ত্রী বারবার স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও মোবাইল নম্বরের কথা বলতেই তিনি থমকে যান। পরে বিভিন্ন উপায়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে রবিউলই সেদিন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এরপর ৯ই সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১টায় নিজ বাড়ি থেকে রবিউলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে রবিউল স্বীকার করে যে হামলার সঙ্গে সে জড়িত। জিজ্ঞাসাবাদে কোথায় কতক্ষণ ছিল সব তথ্য দিয়েছে রবিউল। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে রবিউলের কথার মিল রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা এই ঘটনা বর্ণনা দিয়েছে।
যা ঘটেছিলো সেদিন: ২রা সেপ্টেম্বর। বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের ধামাহার ভীরপুর নিজ গ্রামের বাড়ি থেকে সকালেই বাইসাইকেল যোগে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যায় রবিউল ইসলাম। বিকাল ৩টার দিকে শহরের ফুলবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে যায় রবিউল। ফুলবাড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে রবিউল তৃপ্তি পরিবহনে উঠে ঘোড়াঘাট রানীগঞ্জ বাজার বাসস্ট্যান্ডে নামে। রাত ১টা ১৯ মিনিটে রবিউল গার্ডরুমের সামনে দারোয়ান আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করে। এরপর উপজেলার সরকারি কোয়ার্টারের সামনে দিয়ে ইউএনও’র বাসভবনের পশ্চিম দিকের দেয়াল টপকে বাসভবন চত্বরে প্রবেশ করে। সেখানে কিছুক্ষণ বাসভবন পর্যবেক্ষণ করার পর রাত ১টা ৪৬ মিনিটে বাসভবনের পেছনের কবুতরের ঘরের দিক থেকে একটি মই হাতে ঝুলিয়ে নিয়ে আসে। ২টা ২ মিনিটে সে একটি হাতুড়িসহ গোলঘরে গিয়ে একটি চেয়ার নিয়ে যায়। চেয়ার ও মই দিয়ে সে বাসভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠতে গিয়ে ব্যর্থ হয়। প্রথম দফায় দ্বিতীয় তলায় উঠতে ব্যর্থ হয়ে চেয়ার ও মই রেখে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ২টা ৩৬ মিনিটে রবিউল খালি হাতে গোলঘরের দিকে গিয়ে আবার ফেরত এসে বাসভবনের বাইরের সিকিউরিটি লাইট বন্ধ করে দেয়। সিসিটিভি ক্যামেরায় রাত ৩টা ২৯ মিনিটে সে আবার আম গাছের নিচ থেকে মই ও ব্যাগ নিয়ে ইউএনও’র বাসভবনে যায়। ব্যর্থ হয়ে চলে যেতে উদ্যত হওয়ার সময় তার মনে হয় দ্বিতীয় তলায় ওঠার কেচিগেটের চাবি বাসার সিকিউরিটি গার্ড পলাশের কাছে থাকতে পারে। এজন্য সে গার্ডরুমে গিয়ে পলাশকে নাক ডেকে ঘুমাতে দেখে। গার্ডরুম থেকে সে একটি তালা ও কিছু চাবি নিয়ে প্রথমে বাইরে থেকে গার্ডরুম তালাবদ্ধ করে রাখে। কিন্তু, কেচিগেট খুলতে না পেরে গার্ডরুমের সামনে থেকে টুল নিয়ে যায়। চেয়ার ও টুল একসঙ্গে করে মই বেয়ে সে দ্বিতীয় দফায় ইউএনও’র বাসভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। বাথরুমে ঢোকার পর সে বুঝতে পারে বেডরুমের ভেতর থেকে বাথরুমের ছিটকিনি আটকা। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর ধাক্কা দিয়ে সে ছিটকিনি ভেঙে বেডরুমে প্রবেশ করে। এরমধ্যে শব্দ পেয়ে ইউএনও তার বাবাকে ডাক দেন। বলে ‘দেখো তো বাবা রুমে কোন্‌ বেয়াদব ডুকেছে!।’ রবিউল সঙ্গে সঙ্গে ইউএনও’র মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। ইউএনও ওয়াহিদা অচেতন হয়ে পড়ে যাওয়ার পর তার বাবা সেখানে আসেন। রবিউল তাকেও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে মেঝেতে ফেলে দেয়। রবিউল ইউএনও’র বাবার কাছে আলমারির চাবি চায়। চাবি না দিলে তার নাতিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ইউএনও’র বাবা ওমর আলী তার নাতিকে না মেরে ঘরে যা আছে নিয়ে যেতে বলেন।

ইউএনও’র বাসায় নগদ টাকা রয়েছে এ বিষয়ে ধারণা ছিল রবিউলের। কিন্তু সে একটা চাবি পেয়ে আলমারি খোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে ওয়্যারড্রোবের ওপরে রাখা ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা ৫০ হাজার টাকার একটি বান্ডিল নেয়। এ সময় ফজরের নামাজের আজান শুরু হলে রবিউল দ্রুত ভেন্টিলেটর দিয়ে বের হয়ে চলে যায়। রাত ৪টা ৩১ মিনিটে মই ও ব্যাগ নিয়ে আম গাছের দিকে যায় রবিউল। রাত ৪টা ৪০ মিনিটে উপজেলার মেইন গেটে যায়। যাওয়ার সময় ইউএনও’র বাসভবন ও অন্য কোয়ার্টারের মাঝখানে এক গোছা চাবি ফেলে যায়। ইউএনও’র বাসা থেকে বের হয়ে সে নতুন ভূমি অফিস সংলগ্ন পুকুরে হাতুড়িটি ফেলে দেয়। হেঁটে হেঁটে সে ঘোড়াঘাট টিএন্ডটি মোড়ে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় হানিফ পরিবহনের ঢাকাগামী একটি বাস এলে তাতে উঠে বিরামপুরে গিয়ে নামে। বিরামপুর শহরের ঢাকা মোড়ের একটি গলিতে গিয়ে একটি গাছের নিচে হাতে থাকা লাল প্লাস্টিকের ব্যাগ ও ব্যাগে থাকা লাল শার্ট, লাল গামছা, মাংকি ক্যাপ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। বিরামপুর বাজারে গিয়ে একটি হোটেলে ৩০ টাকা দিয়ে খিচুড়ি খায়। পরে সেখান থেকে একটি পিকআপে করে দিনাজপুর শহরে যায়। যষ্টিতলার আইনুলের গ্যারেজ থেকে সাইকেল নিয়ে সোজা চলে যায় বিরলের নিজ বাড়িতে। বাড়িতে গিয়ে গোসল করে ভাত খেয়ে সাইকেল নিয়ে আবারো দিনাজপুরে ডিসি কার্যালয়ে যায়। পরে গোর-এ শহীদ ময়দানের পাশে কালেক্টরেট স্কুলের সামনে গিয়ে খোকন নামে একজনকে ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা দেয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খোকনের কাছ থেকে ওই টাকা উদ্ধার করেছেন। খোকন, সেলুন মালিক মুরাদ ও গ্যারেজ মালিক আইনুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও রবিউলের স্বীকারোক্তির সঙ্গে মিল পেয়েছেন। তিনজনকেই এই মামলার সাক্ষী করা হয়েছে।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালতে ১৬৪ ধারায় খোকনের সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আঞ্জুমান আরা বেগমের আদালতে মুরাদ ও আইনুলের সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া ইউএনওকে হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়িটি পুকুর থেকে উদ্ধারের পর জব্দ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর ক্ষোভ থেকে হামলা ও টাকা চুরি করার পরিকল্পনা করেছিল রবিউল। ২০০৮ সালে রবিউল দিনাজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ফরাশ (পরিচ্ছন্নতাকর্মী) হিসেবে যোগ দেয়। ২০১১ সালের ২৪শে মে থেকে সে জেলা প্রশাসকের বাসভবনে মালি হিসেবে কাজ করে। গত বছরের ডিসেম্বরে তাকে ঘোড়াঘাট উপজেলায় বদলি করা হয়। সেখানেও মালি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতো রবিউল। রবিউল মূলত গত কয়েক বছর ধরে ক্রিকেটসহ অনলাইনে জুয়া খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এ কারণে কয়েক লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। রবিউল দাবি করে চলতি বছরের ১১ই জানুয়ারি সে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে ১৬ হাজার টাকা চুরি করেছিল। বিষয়টি ধরা পড়ার পর ইউএনওকে সে ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে। যাতে তার চাকরি নিয়ে কোনো সমস্যা না হয়। ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ইউএনও তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না বলে কথা দিয়েয়েছিলেন। কিন্তু, ১৫ই জানুয়ারি ইউএনও টাকা চুরির বিষয়টি উল্লেখ করে রবিউলের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন দেন। ৫ই ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা দায়েরের পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। রবিউলের দাবি, এ কারণেই সে ইউএনও’র ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। ক্ষোভ থেকেই সে পরিকল্পনা করে হামলা ও টাকা চুরি করতে যায়।

আলমারিতে ছিল ৪০ লাখ টাকা: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের বাসায় নগদ প্রায় ৪০ লাখ টাকা ছিল। ছিল স্বর্ণালংকারও। কিন্তু হামলাকারী রবিউল ইসলাম নিয়ে যায় মাত্র ৫০ হাজার টাকা। বাকি টাকা আলমারিতে থাকায় রবিউল নিতে পারেনি। খোয়া যায়নি স্বর্ণালংকারও।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহানুর রহমানের উপস্থিতিতে ঘোড়াঘাট থানার ওসি আজিম উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল ইসলাম ও মামলার বাদী ওয়াহিদা খানমের ভাই শেখ ফরিদ উদ্দিন মিলে গত ১৩ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ইউএনও’র বাসার আলমারি খুলে দেখেন সেখানে রাখা নগদ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা, পাঁচ হাজার ইউএস ডলার, স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই ও জমা রসিদ এবং জমির দলির সব অক্ষত রয়েছে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মামলার বাদী ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভাই শেখ ফরিদ উদ্দিনের হেফাজতে দিয়ে দেন।
ঘোড়াঘাট থানার ওসি আজিম উদ্দিন বলেন, ‘বাসা থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যা ছিল, তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভাই মামলার বাদী নিয়ে গেছেন। এগুলো যেহেতু মামলার কোনো আলামত নয়, ফলে এসব নিয়ে আমাদের কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

সেদিন ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাড়ির কাছের একটি স্থানে ১০ মিনিট অতিবাহিত করেছিল রবিউল। এর কারণ হিসেবে সে জানায়, তার প্যান্ট কাঁটাতারে আটকে গিয়েছিল। ফুটেজে দেখা গেছে- তার হাতে লাঠি ছিল। কিন্তু হামলা করেছে হাতুড়ি দিয়ে, তাহলে লাঠি ছিল কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সে জানায়, রাস্তায় গভীর রাতে কয়েকটি কুকুর থাকে। কুকুরের আক্রমণ থেকে বাঁচতেই সে লাঠি নিয়েছিল। গভীর রাতে ঘোড়াঘাটের ওই রাস্তায় গিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, আসলেই সেখানে কয়েকটি কুকুর থাকে। এমনি তথ্য জানিয়েছেন, ওই আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Rasmat

২০২০-০৯-২০ ১৩:৫০:৩৮

Ek sathe ato nagad taka ghare keno silo? ta sara takar utso ta jana dorkar.

md Abdus Salam

২০২০-০৯-২০ ১২:২৮:৫১

Second Version of Jazmia Drama R ki . Public Khabe bole mone hoy na.

Forhance

২০২০-০৯-২০ ১২:১৫:৪৩

তার একার পক্ষে এত বড় কাজ করা একে বারেই অসম্ভব । এর পিছনে অন্যরা জড়িত তা স্পষ্ট । তাদেরকে বাঁচানোর জন্য রবিউলকে ফাঁসানোর পায়তারা করা হচ্ছে।

A ,R ,Sarker

২০২০-০৯-১৮ ২২:২২:৪৩

Almira te eto nogod taka o doller?

Abdul Kader

২০২০-০৯-১৯ ১১:০৮:০২

১৩ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ইউএনও’র বাসার আলমারি খুলে দেখেন সেখানে রাখা নগদ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা, পাঁচ হাজার ইউএস ডলার, স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই ও জমা রসিদ এবং জমির দলির সব অক্ষত রয়েছে।

Amir

২০২০-০৯-১৯ ১০:৩০:৩৮

একটি মহলকে আড়াল করতেই রবিউলকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।------রাজনৈতিক নেতাদের সংশ্লিষ্টতা , জমি কেনাবেচা আগের এই কাহিনী গুলো তাহলে পাল্টে গেল? একজন মালির এত সাহস! উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর ঘরে ঢুকে তার গায়ে হাত তোলে? মনোবিজ্ঞান ও পারিপার্শিক আবহ কি বলে ?

আলম পাটোয়ারী

২০২০-০৯-১৮ ২১:১০:২৩

বিরল উপজেলা হতে রাতে এসে একাকী মই যোগাড় করে জানালা দিয়ে উঠে চুরি ও হামলা; এ সকল গাঁজাখোরি গল্প। মূল ঘটনা আড়াল করা হচ্ছে।

নূর মোহাম্মদ নূরু

২০২০-০৯-১৮ ২১:০২:১২

মোবাইল নেটওয়ার্ক, সি সি ক্যামেরা, পুকুর থেকে হাতুড়ি উদ্ধার, টাকা উদ্ধার, লাঠি কুকুর, এতকিছুর পরও বলেছে পুলিশ জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করেছ অন্য কাউকে বাঁচানোর জন্য। উকিল সাহেব রাও কোর্ট দাঁড়িয়ে এই বলবেন। তবে পুলিশকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। পুলিশ চাইলে সবই পারে, পারে বাতাসের গলায়‌ও দড়ি পরাইতে।

Shahid

২০২০-০৯-১৯ ০৭:৪৬:৫৭

আলমারিতে এত টাকা কোথা থেকে এলো তার কী তদন্ত হবে?

Kazi

২০২০-০৯-১৮ ১৮:৪২:৪৮

জজ মিয়া নাটক পূনঃ মঞ্চস্থ যেন না হয়। পুলিশ ভাইরা সাবধান জজ মিয়া নাটকের হুতারা পরে কারাগারে গেছে। এখন ও কারাগারে ।

আপনার মতামত দিন

শেষের পাতা অন্যান্য খবর

ওলামা-মাশায়েখের ফতোয়া

কোরআন ও হাদিসের আলোকে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম

৪ ডিসেম্বর ২০২০

কোরআন ও হাদিসের আলোকে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে মূর্তি-ভাস্কর্য ...

ধুলায় ধূসর রাজধানী

৪ ডিসেম্বর ২০২০

করোনায় আরো ৩৮ জনের মৃত্যু

৩ ডিসেম্বর ২০২০

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ...

নির্বাচনে জালিয়াতির প্রমাণ পাননি মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ডিসেম্বর ২০২০

ভোটে জালিয়াতির কোনো প্রমাণ পাননি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের ফল পাল্টে ...

দেশ ও জনগণের বিরোধিতায় নেমেছে বিএনপি

৩ ডিসেম্বর ২০২০

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি সুবিধাবাদ-জিন্দাবাদে বিশ্বাস করে বলেই দুর্নীতিবাজদের দলে প্রশ্রয় ...



শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত



মৌলভীবাজারে খুতবায় ভাস্কর্য নিয়ে আলোচনা

ছাত্রলীগ নেতার বাধা হাতাহাতি, ইমামের বিরুদ্ধে মামলা

DMCA.com Protection Status