ঘোষণা ছাড়া পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুতপ্ত

কূটনৈতিক রিপোর্টার

প্রথম পাতা ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার

 পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, পিয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার নোটিশ জারির আগে বাংলাদেশকে না জানানোর বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুবই ‘অনুতপ্ত’। কারণ হঠাৎ নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটি তারা জানতো না।’ তুরস্ক সফর শেষে বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফিরে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে মন্ত্রী এ কথা বলেন। পিয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা দ্রুত প্রত্যাহারে ঢাকা যে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে শিগগিরই সে বিষয়ে ইতিবাচক ফল আসবে অর্থাৎ সরবরাহ সচল হবে বলে আশা করে বাংলাদেশ। ১৫ই সেপ্টেম্বরের ওই চিঠিতে আকস্মিক পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, গত বছরের অক্টোবর ও চলতি বছরের জানুয়ারিতে পিয়াজ সরবরাহ প্রশ্নে বাংলাদেশ-ভারত শীর্ষ পর্যায়ে যে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছিল আচমকা ওই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেই আলোচনা আন্ডারমাইন বা অবজ্ঞা করা হয়েছে। স্মরণ করা যায়, চলতি বছরের ১৫-১৬ই জানুয়ারি দুইদেশের বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের বৈঠক এবং গত বছরের অক্টোবরে নয়া দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিভিআইপি সফরকালে বাংলাদেশ ক্যাটাগরিক্যালি পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ না করতে ভারতকে অনুরোধ করেছিল। এ-ও বলা হয়েছিল কোনো কারণে যদি বন্ধ করতেই হয় তবে যেন ঢাকাকে আগাম জানানো হয়। কিন্তু দিল্লি সেই অনুরোধ রাখেনি।
সেগুনবাগিচার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকার তরফে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হলেও দিল্লি এখনও তার লিখিত কোনো জবাব দেয়নি। তবে দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সাউথ ব্লকের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে যে ধারণা পেয়েছেন তা নিয়ে ঢাকায় একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। সেই রিপোর্টে দু’টি বিষয় উল্লেখ করেছেন, তা হলো- দিল্লির বিদেশমন্ত্রক পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের বিষয়টি জানতো না বলে জানিয়েছে। দ্বিতীয়ত ঢাকার প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পর সাউথ ব্লকের তরফে যত দ্রুত সম্ভব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়েছে। তবে দিল্লি মিশনের ওই বার্তায় ভারতের অনুতাপের কোনো বিষয় ছিল না বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বরং ওই সিদ্ধান্ত না জানা এবং ঢাকাকে আগাম জানানোর বিষয়ে যে গ্যাপ হয়েছে তাতে সাউথ ব্লক খানিকটা বিব্রত বলে ঢাকা রিপোর্ট পেয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় অভ্যন্তরীণ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভারত পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করে। বিষয়টি প্রকাশের পরপরই বাংলাদেশের নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। যা বাংলাদেশ সরকারকে উদ্বেগের মধ্যে ফেলেছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোতাহার

২০২০-০৯-১৮ ০৫:৫০:২৫

উনি কি বাংলাদেশের, না ভারতের পররাস্ট্র মন্ত্রী?

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

মানুষকে মাস্ক পরাবে কে?

২৬ অক্টোবর ২০২০

নো মাস্ক নো সার্ভিস

২৬ অক্টোবর ২০২০

মাস্ক না পরলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো সেবা মিলবে না। এমনই নির্দেশনা দিয়েছে ...

পহেলা নভেম্বর থেকে সবার জন্য খুলছে ওমরাহ’র দরজা

২৬ অক্টোবর ২০২০

আগামী ১লা নভেম্বর থেকে ওমরাহ পালন করতে পারবেন বিশ্বের সকল দেশের মুসল্লিরা। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা ...

অনশন ভাঙালেন মেয়র আরিফ

রায়হানের মায়ের কান্না

২৬ অক্টোবর ২০২০

১৯৩৫-২০২০

মানবদরদি এক আইনবিদের বিদায়

২৫ অক্টোবর ২০২০

বিশ্বব্যাংকের কাছে ৬৩৬২ কোটি টাকা চাইলো বাংলাদেশ

২৫ অক্টোবর ২০২০

করোনার টিকা আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব মানুষের জন্য করোনার ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাংকের ...



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত