ঢাবি অধ্যাপক চাকরিচ্যুত

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষাঙ্গন ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আজ বুধবার সিন্ডিকেটের এক সভায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ ছিল। একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত নিবন্ধনে অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান বঙ্গবন্ধু ও সংবিধানের অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। সে অভিযোগে গঠিত ট্রাইবুনালের সুপারিশক্রমে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মু. সামাদ। তিনি বলেন, অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানকে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বরাবর এক চিঠি পাঠিয়ে অধ্যাপক মোর্শেদের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করতে অনুরোধ করেন সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। যার অনুলিপি পাঠানো হয়, দুই প্রো-ভিসিসহ সিন্ডিকেটের অন্যসব সদস্যদের কাছেও। এদিকে চাকরি থেকে অব্যাহতি পাওয়া অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসানের প্রতিক্রিয়া জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এছাড়াও সিন্ডিকেট শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে যুক্ত করতে সব ধরণের সহায়তা দিতে বিভাগ ও ইনস্টিটিউটকে নির্দেশনা দিয়েছে। তবে এখনই ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি সিন্ডিকেট।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোঃ জসিম উদ্দিন

২০২০-০৯-১৮ ০০:০৫:১২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড: মো: মোর্শেদ হাসান খান স্যার চাকুরী থেকে কেন ও কী কারণে বরখাস্ত হলো? স্যারের মত বিএনপি’র এত বড় মাপের নেতা আর কী পাওয়া যাবে ? কেউ কি এর জন্য দায়ী ? নাকি স্যার নিজেই। মোটেই নয়, নয়, নয় । আমরা ক’জন অত্যন্ত গভীরভাবে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেছি। যা সত্য, সত্য, সত্য। একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে ড: মো: মোর্শেদ হাসান খান স্যারকে চেয়েছিলেন অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে জাতীয় নেতা করতে। কে সেই উপদেষ্টা/পরামর্শদাতা ? সে হল ড্যাবের যগ্ম সম্পাদক ডাক্তার শাহ মো: আমান উল্লাহ। ডা: আমান বিগত কয়েক বছর ধরে মোর্শেদ স্যারের কাছ থেকে সব রকমের সুযোগ-সুবিধা (অর্থ, দ্রব্য, ভোগ্য, বিশেষ চাহিদা, স্ত্রী’র বিমান টিকেট, ইত্যাদি) ছাড়াও স্যারের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসা’য় দিনের পর দিন স্ত্রীসহ অবস্থান ও মাসোয়ারা নিতেন। শুধু তাই নয়, তিনি ডা: আমান নিজেকে বিএনপি’র চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছিলেন ও ডাক্তার জোবাইদার (তারেক রহমানের স্ত্রী) রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে দাবী করেন। ডা. আমানের-ই বিভিন্ন অনৈতিক পরামর্শে স্যার বেপরোয়া হয়ে যান, লোভ দেখায়, ডাক্তার জোবাইদাকে দিয়ে পরবর্তী বিএনপি কমিটিতে সিনিয়র সম্পাদকীয় পদ দেয়া। আমরা ডা: আমানকে ঘৃণা করি, ধিক্ জানাই, ধিক্ ডা: আমান, লজ্জা হয়, এমন আদর্শবিচ্যুত ডা: আমানদের দেখতে চাই না আর আমাদের মাঝে। শুধু কি তাই, করোনাকালীন সময়ে ডা: আমান, মোর্শেদ স্যারকে দিয়ে জিয়াউর রহমান ফউন্ডেশনের নাম দিয়ে, বিভিনড়ব নাম ভাঙ্গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বিভিন্ন জনের নিকট থেকেও প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। যা প্রমাণিত। আসুন, সবাই মিলে সত্যটি অনুধাবন করি।

Mohammed Islam

২০২০-০৯-১০ ০৯:১৪:০৪

Only partisan history?

সাইফুল ইসলাম ফিরোজ

২০২০-০৯-০৯ ১৮:১৩:৫৪

মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরন করা হলো। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তার কাজ হচ্ছে ছাত্রদের জ্ঞান দান করা এবং ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা। সেটা পছন্দ না হলে পাল্টা যুক্তি দিয়ে তার গবেষণা বা মতামত কে চ্যালেন্জ করা। চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে মুক্ত বুদ্ধি চর্চাকে গলাটিপে হত্যা কর। এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে অপমান করা ছাড়া আর কিছু না।

এ কে এম মহীউদ্দীন

২০২০-০৯-০৯ ১৯:৫০:৪৩

ইতিহাস খাচার মধ্যে বন্দী হয়ে গেছে।

Shahjahan

২০২০-০৯-০৯ ০৬:৩৭:০৯

শুধু বলুন জয় বাংলা

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

নর্থ সাউথে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ শতাংশ টিউশন ফি কমিয়ে আনার ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ, আন্দোলন চালিয়ে নেবার সিদ্ধান্ত

২০ অক্টোবর ২০২০



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত