কিট সংকটে কুমিল্লায় করোনা পরীক্ষা বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে

অনলাইন ৭ জুন ২০২০, রোববার, ১:০৮ | সর্বশেষ আপডেট: ২:৪৩

কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজে  কিট সংকটের কারণে গত দুই দিন ধরে করোনার পরীক্ষা করা যাচ্ছে না। সম্পূর্ন বন্ধ রয়েছে নমুনা পরীক্ষা। যার কারণে স্যাম্পল সংগ্রহ করাও স্থগিত রেখেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। পরীক্ষার অপেক্ষামান রয়েছে আগে নমুনা দিয়ে রাখা এক হাজারের উপর মানুষ। ফলে করোনার উপসর্গ নিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে ভুক্তভোগী লোকজন। কিট সংকটের কারণে কুমেকে করোনার পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে এ কথা স্বীকার করে কুমেক অধ্যক্ষ ডা.মোস্তফা কামাল আজাদ বলেছেন,আশা করি  রবিবারে কিট এসে পৌছলে আমরা আবার কাজ শুরু করতে পারব ।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল থেকে কুমেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথমে এক শিফট চালু হলেও পরবর্তীতে দুই শিফটে কাজ করা হয়। কখনো কখনো কাজের চাপ বেড়ে গেলে তিন শিফটেও নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
প্রতিদিন প্রতি শিফটে ৯৪টি পরীক্ষা করা সম্ভব হয়।
চালুর পর এ পর্যন্ত ৬,৯০০ টি কিট সরকার থেকে কুমেক কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়।একটি সূত্র জানা যায় . কুমেকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা শুরুতে কাজ শিখতে গিয়েই নষ্ট করে ফেলে প্রায় ৮০০ কিট। যার প্রতিটি মূল্য রয়েছে ৪ হাজার টাকা করে। ৫ জুন শুক্রবার অর্ধবেলা আর শনিবার পুরো দিন কুমেকে করোনার পরীক্ষা সম্পূর্ন বন্ধ রয়েছে কিট সংকটের কারণে। এতে জমে আছে এক হাজারের বেশী স্যাম্পল। এই স্যাম্পল গুলো পরীক্ষা না হওয়াতে এই বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী জানতে পারছে না তারা করোনা পজেটিভ কি না। ফলে তারাও এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অপর দিকে, কুমেকের এই করোনা পরীক্ষা বিভাগে রয়েছে লোক বলের চরম সংকট। বর্তমানে বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ৬ জন করে ১২ জন লোক দিয়ে কাজ চালাতে হচেছ কুমেক কর্তৃপক্ষকে। বর্তমানে করোনা পরীক্ষার যে পরিমান চাপ রয়েছে সেই চাপ সামলাতে কমপক্ষে বর্তমানের দ্বিগুন লোক প্রয়োজন বলে কুমেক কর্তৃপক্ষ জানান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা.মোস্তফা কামাল আজাদ বলেছেন,হ্যাঁ, কিট সংকটের কারণে আমরা শনিবার পরীক্ষা করাতে পারিনি। এক হাজার স্যাম্পল পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা আমাদের ডিজি মহোদয়কে বিষয়টি জানিয়েছি। আজ (শনিবার) বিকালে ডিজি অফিস থেকে বলেছে, বাহির থেকে এয়ারপোর্টে কিট চলে এসেছে। কিট নষ্ট করে ফেলার বিষয়টি জানতে চাইলে কুমেক অধ্যক্ষ বলেন,এত গুলো হবে না। তবে কিছু কিট নষ্ট হয় বিভিন্ন কারণে। কুমিল্লা করোনা সংক্রমন প্রতিরোধ কমিটির সমন্বায়ক  ডা.নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী জানান,যেহেতু কুমেকে পরীক্ষা বন্ধ তাই আমরাও আপাতত স্যাম্পল সংগ্রহ বন্ধ রেখেছি। খুব জরুরী না হলে এখন আমরা স্যাম্পল নিচ্ছি না। পরীক্ষা শুরু হলে আবার আমরা স্যাম্পল নেওয়া শুরু করব বলে তিনি জানান।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০২০-০৬-০৬ ১৯:৩১:৪৪

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানেনা পরীক্ষা করতে কিট লাগে ? এরা কি ঘোড়ার ঘাস কাটার জন্য বসে বসে বেতন নিচ্ছে ? জেদের বশবর্তী হয়ে দেশে উৎপাদিত কিটের অনুমোদন আটকিয়ে রেখেছে ১। ঘুষ পায় নি। ২। আমদানি করলে দশগুণ দাম দেখিয়ে টাকা লুটতে পারে। ৩। কম আদানি করে বেশী পরিমাণ আমদানি দেখিয়ে ও টাকা মারে। কেউ হিসাব নেয় না।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

সাহারা খাতুন আর নেই

১০ জুলাই ২০২০

মির্জাগঞ্জে ছাত্রলীগের মানববন্ধন

৯ জুলাই ২০২০

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ হাসান সিকদারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচারের প্রতিবাদে মির্জাগঞ্জ ...

অনলাইন অ্যাপয়েনমেন্ট শুরু

ঢাকায় বৃটিশ ভিসা আবেদন কেন্দ্রের তালা খুলছে রোববার

৯ জুলাই ২০২০

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

‘‘দ্রুত’’ কথাটির ব্যবহার নিয়ে ঢাকা–দিল্লির দ্বৈরথ

৯ জুলাই ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত