পপির অনুরোধ

স্টাফ রিপোর্টার

বিনোদন ১ জুন ২০২০, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:২১

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি ২৫ বছর পর গ্রামের বাড়ি খুলনায় ঈদ করেছেন। কারণ করোনাভাইরাসের প্রাদুুর্ভাবের আগে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আর ঢাকা ফিরতে পারেননি তিনি। ঢাকায় ঈদ করা হলে অনেককেই পপির সালামি দিতে হয়। নিজে সালামি চাওয়ার মতো তেমন কেউ থাকে না। তবে এবার গ্রামের বাড়িতে ঈদ করায় আত্মীয়-স্বজন ও কাছের মানুষদের কাছ থেকে ঈদ সালামি হিসেবে পেয়েছেন বেশ কিছু টাকা। সেই টাকা অসচ্ছল মানুষদের মধ্যে বিতরণ করছেন বলে জানিয়েছেন পপি। শুধু তার টাকাই নয়, সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কাজিনদের পাওয়া ঈদ সালামিও। পপি বলেন, ঢাকায় ঈদের সময় সালামি চাইতে পারি তেমন কেউ নেই।
গ্রামের বাড়িতে আমরা যৌথ পরিবার, চাচা-চাচি, ফুপু-ফুপা ও কাজিনরা আছে। যে কারণে সবাই মিলে মুরব্বিদের কাছ থেকে ঈদে ভালো সালামি পেয়েছি। অন্য কিছু কাছের মানুষও সালামি দিয়েছেন। কাজিনদের ও আমার সালামির টাকা মিলে বেশ কিছু টাকা হয়েছে। আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই টাকাটা করোনায় সমস্যা পড়া মানুষদের দান করবো। আর খুলনায় শুধু করোনা নয়, কয়েকদিন আগে ঝড়েও অনেক ক্ষতি হয়েছে। যে কারণে সমস্যায় পড়া মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে। তাই এই টাকায় সহযোগিতা শুরু করেছি এরইমধ্যে। পপি আরো বলেন, ১৯৯৫ সালে কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় চলে যাই, তারপর থেকে প্রতি বছর রোজা সেখানেই কেটেছে। কীভাবে এতগুলো বছর পার হয়ে গেল, বুঝতেই পারিনি। এতদিন পর গ্রামের বাড়িতে সবার সঙ্গে রোজা এবং ঈদ করে অনেক ভালো লেগেছে। তবে বাবার শরীরটা একটু খারাপ। যে কারণে মনটা খারাপ থাকে। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন। পপি বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন, করোনায় আমি এখানে প্রায় দুই হাজার মানুষকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়েছি। এটা আসলে ভালোবাসার প্রতিদান। যাদের ভালোবাসায় আমি আজ পপি হয়েছি, তাদের জন্য ভালোবাসা দিতে পেরে ভালো লেগেছে। আবার কিছুটা মন খারাপও ছিল। কারণ আমি হাজার কোটি টাকার মালিক নই। যে কারণে ইচ্ছে থাকার পরও এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারিনি। সমাজের বিত্তবানদের অনুরোধ করবো আপনারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। কারণ সব সময় মানুষের সাহায্যের প্রয়োজন হয় না, এখন যতটা প্রয়োজন। সবাইকে বলবো আপনারা নিজের ঘরে অবস্থান করুন। বিশেষ কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না।

আপনার মতামত দিন



বিনোদন সর্বাধিক পঠিত