পশ্চিমবঙ্গে মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফিরেছে কনিষ্ঠতম করোনা জয়ী

মানবজমিন ডেস্ক

ভারত (১ বছর আগে) মে ১৭, ২০২০, রোববার, ৮:৫২ পূর্বাহ্ন

বয়স মাত্র দুই মাস। দিনের হিসেবে ৫৫ দিনের এক পুত্র শিশু করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছিল। তাকে ভর্তি করা হয়েছিল কোভিড হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত এমআর বাঙুর হাসপাতালে। সেখানে দুই সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে করোনা জয় করে শিশুটি মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফিরে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই শিশুটিই কনিষ্ঠতম করোনা জয়ী হিসেবে বাড়ি ফিরে গিয়েছে। কলকাতার পার্ক সার্কাস অঞ্চলের বাসিন্দা এক মহিলা তার শিশুপুত্রকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। করোনা পরীক্ষায় মহিলার পজেটিভ রিপোর্ট এসেছিল। এর পরেই দুই মাসের শিশুটিরও পরীক্ষা করে তার শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়।
এর পরেই মা ও শিশুকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্রে বলা হয়েছে, তাদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন শাখার চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিকেল টিমও তৈরি করা হয়েছিল। তাদের চিকিৎসায় মাত্র দশ দিনেই শিশুটি ভাল হয়ে ওঠে। নিয়ম অনুযায়ী পর পর দু’বার শিশুটির পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। তবে মায়ের সেরে উঠতে আরও কয়েকদিন সময় লেগেছে। ফলে গত সপ্তাহে মা ও শিশুকে এক সঙ্গে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এম আর বাঙুর হাসপাতালের প্রধান শিশির নস্কও বলেছেন, মাত্র দুই মাসের শিশুর করোনা শনাক্ত হওয়ায় তার চিকিৎসা আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছিল। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই কোভিড হাসপাতালে আমরা যে কয়জন শিশু রোগীর চিকিৎসা করেছি তার মধ্যে এই শিশুটিই এখন পর্যন্ত ছিল কনিষ্ঠতম। হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সূত্রে বলা হয়েছে, শিশুটির বয়স এতই কম ছিল যে সতর্কতার সঙ্গে তার চিকিৎসা করতে হয়েছে। মায়ের থেকেই শিশুটির শরীরে সংক্রমণ হয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে আশার কথা, শিশুটির শরীরে সংক্রমণের মাত্রা ছিল খুবই কম। শিশুটির কোনও উপসর্গও ছিল না। এদিকে এই হাসপাতাল থেকেই গত ৪ মে বয়স্কতম ব্যক্তি হিসেবে ৮৮ বছরের এক প্রৌঢ়া করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। ভারত সরকারের নির্দেশে গর্ভবর্তী মা এবং ১০ বছরের নিচে বয়সী শিশুদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

shiblik

২০২০-০৫-১৭ ২১:১১:০১

Very good news.

আপনার মতামত দিন

ভারত অন্যান্য খবর



ভারত সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status