ঈদের আগে খুলছে না মার্কেট-শপিং মল

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১০ মাস আগে) মে ৮, ২০২০, শুক্রবার, ৭:৪১ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০০ পূর্বাহ্ন

সরকার অনুমতি দিলেও করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে থাকায় মার্কেট ও শপিং মল ঈদের আগে খুলছে না। দোকান মালিক সমিতি বলছে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শর্ত পালন করে দোকান খুলে ব্যবসা করা যাবে না।

সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন মানবজমিনকে এ বিষয়ে বলেন, বিদ্যমান অবস্থায় সরকারি শর্ত মেনে দোকান খোলা অনেকটা কঠিন। এ অবস্থায় ব্যবসাও হবে না। এমনটি চিন্তা করে ব্যবসায়ীরা দোকান না খোলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি ঘোষণার পর পরই ঢাকার অন্যতম দুই সুপার মল বসুন্ধরা ও যমুনা ফিউচার পার্ক না খোলার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। আজ ঈদের আগে দোকান না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি।

এছাড়া ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর অন্যতম মৌচাক এবং আনারকলি মার্কেটও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই মার্কেটের দোকান মালিক সমিতি।
আজ এক বৈঠকে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সিলেটের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন তারা ঈদের আগে দোকান খুলবেন না। এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন এলাকার দোকান মালিক সমিতি ঈদের আগে দোকান না খোলার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার আরো কিছু নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সব মিলিয়ে ঈদ কেন্দ্রিক মার্কেট ও বিপনী বিতান খোলার সম্ভাবনা নেই।

অর্থনীতি সচল করতে সরকার ১০ই মে থেকে মার্কেট ও শপিং মল সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। শর্ত সাপেক্ষে সকাল ১০টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখা যাবে বলে সরকারের তরফে বলা হয়। সরকারি এ ঘোষণার পর এলাকা ভিত্তিক দোকান খুলে যাওয়ায় ক্রেতা সমাগম বেড়ে গেছে। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে বলে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন।

এদিকে যার যার বাসস্থান থেকে দুই কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত মার্কেট বা শপিংমল থেকে কেনাকাটা করার জন্য নির্দেশ জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্রেতাদের জন্য ৭ই মে এমন নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে নিজ নিজ এলাকার শপিংমলগুলোতে কেনাকাটা করতে পারবেন ক্রেতারা। কেনাকাটার জন্য যাওয়া যাবে না অন্য এলাকায়। বাসস্থানের দুই কিলোমিটার এলাকার মধ্যে অবস্থিত মার্কেট বা মলেই সারতে হবে শপিং। ঠিকানা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মার্কেটে ঢোকার সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইডি কার্ড (ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/বিদ্যুৎ, গ্যাস অথবা পানির বিলের মূল কপি দেখাতে হবে)।

এসব শর্তের বিষয়ে কিছু কিছু দোকান মালিক বলেন, যেসব শর্ত দেয়া হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে হাত-পা বেঁধে পুকুরে ফেলে দেয়ার মতো অবস্থা। তার মতে, ঢাকার মধ্যেই একটা লোক যখন যাত্রাবাড়ি বা মিরপুর থেকে নিউ মার্কেট বা মৌচাক মার্কেটে আসতে পারবে না, তখন এই মার্কেট খোলা রাখা না রাখা সমান।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Ahsan Ul Huq Khan Ch

২০২০-০৫-০৯ ১০:২৩:১৯

ভালো সিদ্ধান্ত । মানুষ বাঁচলে দেশ বাঁচবে । আর বেঁচে থাকলে এমন ঈদ আরো পাওয়া যাবে ।

মাসুম

২০২০-০৫-০৮ ১৪:৪৬:৩৬

যেখানে গার্মেন্টসের মতো শ্রমঘন কারখানা খোলা , সেখানে শপিংমল বন্ধ রাখার কোন মানে হয় না । অবস্থা এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না যেখানে করোনার হাত থেকেও বাঁচলেও না খেয়ে মারা যাওয়ার মিছিল লম্বা হতে পারে । আমরা দূর্বল অর্থনীতির দেশ । সরকারের সক্ষমতা সীমাবদ্ধ । একটি ঈদে যদি ব্যবসা না হয় , তার অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব থাকবে কয়েক মাস । এটা সামাল দেবার সক্ষমতা কি আমাদের আছে ? আর আমরা করোনা সংক্রমনের কোন পর্যায়ে আছি , প্রাথমিক , মাঝামাঝি না শেষ পর্যায়ে তা বলার মতো কোন বিশেষজ্ঞ কি আমাদের দেশে আছে ? থাকলেও তার ঠিকানা বোধ হয় আমরা জানি না । তাই এই অনিশ্চিত যাত্রায় আর কতো দিন ?

Taj

২০২০-০৫-০৮ ১৪:০৫:১৫

বন্ধ দোকানের কর্মচারীদের খাওয়াবে কে ? দোকান মালিকগন কি সকলে সব কর্মচারীকে বেতন দিচ্ছেন ? অনেকেই দিচ্ছেন না বেচাকেনা নেই বলে। তাহলে ঐ সব কর্মচারী যারা কোন সাহায্যও পাচ্ছেন না তারা বাঁচবে কিভাবে ?

TOOHIDUL ISLAM MUZUM

২০২০-০৫-০৯ ০১:৫১:৩০

বেঁচে থাকলে ঈদ অনেক করা যাবে , সঠিক সিদ্ধান্ত আমি চাই সংগ্র বাংলাদেশের শপিং মল এবং বিপণি বিতান বন্ধ করে দেয়া হোক

রাসেল ইসলাম

২০২০-০৫-০৮ ১২:০৫:০২

টাকা না দিলে কেউ খাবার দিচ্ছে না।।করোনার কোন ক্ষমতা নেই যে সে আল্লাহর হুকুম ব্যাতীত কারো মৃত্যু সংঘঠিত করতে পারে।তাহলে পৃথিবীতে করোনা আক্রান্ত সকল ব্যাক্তিই মৃত্যু বরন করত।সুতরাং যারা ভুলভাল কথা বলে গার্মেন্টস ব্যাবসায়ীদের বাঁশ দিতে চাচ্ছেন তারা একটু চুপ থাকেন।ফজরের সালাতের পর থেকে আছরের ওয়াক্ত পর্যন্ত রিযিকের সন্ধান করা আল্লাহর হুকুম।

তপু

২০২০-০৫-০৮ ১১:২৭:৪৪

ভালো সিদ্ধান্ত।

Muktadir Joy

২০২০-০৫-০৮ ১১:২১:৪৮

আমি আপনাদের সাথে একমত।মার্কেট খুলে দিলে পরিস্তিতি আরো খারাপ হবে।এতে মার্কেট এর লোকজন বিপদে পরবে।মার্কেট কমিটি লাভের জাগায় বিপদে পরবে বেশি।।

Mustafa Ahsan

২০২০-০৫-০৮ ১০:৪৯:১৪

আব্দুল হামিদ অল্প বিদ্যা ভয়ংকর।এই কারানতি লগ্নে আপনি আছেন দালালী করতে ছি। ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দোকান মালিক সমিতির নেতারা,মানুষের জিবন আগে না টাকা আগে ? মানুষ বাচলে অনেক কামাই করতে অনেক ব্যাবসা করতে অনেক ঈদ উদযাপন করতে পারবে।অর্বাচীনের মতো কিছু একটা লিখলেই হলো?

Nil

২০২০-০৫-০৮ ১০:৪১:৩৭

শপিংমল এর মালিক ও মালিক সমিতি কে অশেষ ধন্যবাদ

Shobuj Hazari

২০২০-০৫-০৮ ০৯:৪৬:০৮

দোকান ও শপিংগুলো অবশ্যই বন্ধ রাখা উচিত।

Ziaur Rahman

২০২০-০৫-০৮ ০৯:১৪:৫৭

জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে দোকান মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত সরকারকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করবে।

sajeeb

২০২০-০৫-০৮ ২২:০০:১১

বেঁচে থাকলে ঈদ অনেক করা যাবে !

Abdul Hamid

২০২০-০৫-০৮ ০৮:৫০:২৬

Very upsetting. Shops, supermarkets should keep open as per govt. directives. These shops, market owners has no any intention to keep economy moving but they are actually waiting for govt. stimulus package to feed without any acts. or they have money enough to end meet !!

Anam

২০২০-০৫-০৮ ০৮:৪৪:৩০

A very good decision has been made that people can do a lot of shopping if they survive

Anam

২০২০-০৫-০৮ ০৮:৪৪:১৩

A very good decision has been made that people can do a lot of shopping if they survive

Faisal

২০২০-০৫-০৮ ০৮:২৮:২২

দোকান শপিংমল অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে

Selina

২০২০-০৫-০৮ ০৮:০৫:১৮

Wise decision.

Mahbub

২০২০-০৫-০৮ ০৭:৪৮:০২

Very good decision has taken by shop owner association.

শাওন

২০২০-০৫-০৮ ০৭:৩৫:০৮

সঠিক সিদ্ধান্ত আমি চাই সংগ্র বাংলাদেশের শপিং মল এবং বিপণি বিতান বন্ধ করে দেয়া হোক ! বেঁচে থাকলে ঈদ অনেক করা যাবে !

suma

২০২০-০৫-০৮ ০৭:০৯:৩১

somoy er ekphur , osomoy er dosh phur , ekotha ta sobai jane. good decission. kinto ei sob leje gubore decission er order er mane ki keo bujaben. rashtro khamota kar .....

tanbir

২০২০-০৫-০৮ ০৬:৫১:১৪

khubi balo decision niye Che dukan Malik somithe,Ai dengerous somoi businee kora thake Jaan bachano Boro,dekte icchey kor Che sei careless business man Der jara ai dengerous situation shopping mall o khular Jonno Sarkar ar kache request kore chilo

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

রোহিঙ্গা নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতই প্রধান চ্যালেঞ্জ

ক্যাম্পে নারী দিবস-২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তারা

৮ মার্চ ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



তালাকের পরও পাসপোর্টে রাকিবের নাম

পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে তামিমাকে

গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

সভাপতি-সম্পাদকসহ ৫ পদে বিএনপি বিজয়ী

DMCA.com Protection Status