লকডাউনে সংবাদপত্র পড়া বেড়ে গিয়েছে

কলকাতা প্রতিনিধি

ভারত ২৫ এপ্রিল ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৬

লকডাউনের একত্রিশ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। ঘরবন্দী অবস্থায় সকলেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। টিভির পর্দায় চোখ রেখেও সময় কাটছে না। টিভিতে একঘেয়েমি খবরে ঘরবন্দী মানুষ রীতিমত দিশেহারা। তাই আমরা ক্লান্ত হলেও দিনে একাধিবার সংবাদপত্র টেনে নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে নানা কিছু জানার চেষ্টা করছি। আগে সকালে সংবাদপত্র হকার দিয়ে যাবার পর সেটা নিয়ে কেটে যেত বেশ খানিকটা সময়। তার পরে আর সংবাদপত্রে খুব একটা কেউ চোখ বোলাতেন না। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গেছে, আগে সাধারণত আমরা দিনে যেখানে একবারই সংবাদপত্রে চোখ বোলাতাম সেখানে এখন ৪২ শতাংশ মানুষ একাধিকবার সংবাদপত্রের পাতা ওল্টাচ্ছেন।
আরও জানা গেছে, আগে যেখানে সাধারনত পাঠকরা ৩৮ মিনিট সংবাদপত্র পড়তেন, এখন লকডাউনের সময় ৩৮ শতাংশ পাঠক গড়ে এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে সংবাদপত্র থেকে নিত্যনতুন তথ্য জানার চেষ্টা করছেন। সব বিভাগে মনোযোগ দিয়ে চোখ বেলাচ্ছেন। এভান্স ফিল্ড এন্ড ব্রান্ড সলুউশান নামের একটি মার্কেট রিসার্চ সংস্থা সমীক্ষা করে জানিয়েছে, লকডাউনের আগে আমার-আপনার মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ পাঠক এক ঘন্টা ধরে সংবাদপত্র পড়তেন। এখন লকডাউনের সময়ে সংবাদপত্র পাঠে সকলেই অনেক বেশি সময় ব্যয় করছেন। আগে যেখানে ৪২ শতাংশ পাঠক ৩০ মিনিটের বেশি সংবাদপত্র পড়তেন, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ শতাংশ। আর আগে যেখানে ১৪ শতাংশ মানুষ ১৫ মিনিটের কম সময় সংবাদপত্র পড়তেন এখন তা কমে এসেছে ৩ শতাংশে। সমীক্ষা থেকে একটি জিনিষ স্পষ্ট হয়েছে, এই সঙ্কটের সময়ে লকডাউনের সময়ে পাঠকদের সঙ্গে সংবাদপত্রের সখ্যতা অনেক বেড়ে গিয়েছে। এই ধারা যদি লকডাউনের পরেও বজায় থাকে তাহলে সংবাদপত্র শিল্পেই নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

আপনার মতামত দিন

ভারত অন্যান্য খবর

আনলক হওয়ার প্রথম দিনেই কলকাতায় মানুষ ঝুঁকি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন, প্রবল যানজটে দুর্ভোগ মানুষের

১ জুন ২০২০

একদিকে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে জনজীবন স্বাভাবিক করার তাগিদে অফিস থেকে কলকারখানা, শপিং মল ...



ভারত সর্বাধিক পঠিত