বিজ্ঞান পারে, ধর্ম পারেনা?

ড. আসিফ নজরুল

মত-মতান্তর ২৩ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৩৩

‘করোনা থেকে বেঁচে গেলে বিজ্ঞানের কারণে বাঁচবো, মসজিদ মন্দিরের কারণে না’ এমন একটা প্রচারণা চলছে ফেসবুকে। এধরনের অতিসরলীকৃত ও উস্কানিমূলক বক্তব্যর জবাব দেয়ার প্রয়োজন ছিল না। তবে এমন কেউ কেউ এটা শেয়ার করছেন যে মনে হয় কিছু বিষয় তুলে ধরা উচিত।

প্রথমত: বিশ্বে এখনো করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা ২৭ লাখের মতো। শেষ পর্যন্ত যদি এর দশগুন ( প্রায় ৩ কোটি) লোকেরও করোনা হয়, তার মানে হবে ৯৯.৫ শতাংশ ব্যক্তি আক্রান্ত হবেনা। এ সাড়ে ৯৯ শতাংশ ব্যাক্তির করোনা আক্রান্ত না হওয়া বিজ্ঞানের অবদান না। এটা হবে কিছুটা তাদের ভাগ্যগুনে (ধর্মপ্রাণ মানুষের মতে আল্লাহ্ বা স্রষ্টার অনুগ্রহে) আর কিছুটা সতকর্তার কারণে। আক্রান্তদের মধ্যে আবার কমপক্ষে ৯০ শতাংশ সুস্থ হচ্ছে শরীরের এন্টিবডির জন্য। এন্টিবডি হিসেবে শরীরে যেটি সেল ও বি সেল নামে দুটো সেল কাজ করে তা বিজ্ঞানের সৃষ্টি নয়, এগুলো এমনিতে থাকে মানুষের শরীরে।

দ্বিতীয়ত: করোনার প্রতিষেধক আবিস্কৃত হলে করোনায় মৃত্যুর হার অনেক কমে যাবে।
এই প্রতিষেধকও একা কিছু করতে পারবেনা যদি আপনার ইম্যুনিটি সিস্টেম কাজ না করে, এই সিস্টেম বিজ্ঞানের তৈরী না। আর প্রতিষেধক হিসেবে যে এন্টিবডি বা জেনেটিক মেটেরিয়াল ব্যবহার করা হবে তাও বিজ্ঞানের সৃষ্টি না, বিজ্ঞান শুধুমাত্র এটি প্রতিষেধকে রূপান্তরিত করবে। ধর্মপ্রাণ মানুষ বিশ্বাস করে এসব মেটেরিয়ালস্ ও বৈজ্ঞানিকের বুদ্ধি সবটাই আল্লাহ্/স্রষ্টার দান।
সত্য বা সমস্যাটা এখানে।এন্টিবডি বা ভাগ্যোর কারণে যারা বাঁচবে, ধর্মপ্রাণ মানুষ বিশ্বাস করবে এটা স্রষ্টার দান। বিজ্ঞান যাদেরকে বাঁচাতে পারবে ধর্মপ্রাণ মানুষ বিশ্বাস করবে সেটাও স্রষ্টার দান। কাজেই করোনা বিষয়ে বিজ্ঞানের তুলনায় ধর্মকে হেয় করে ধর্মপ্রাণ মানুষকে হয়তো অপমান করা যাবে, কিন্তু তার ধর্ম্ বিশ্বাসে চিড় ধরানো যাবে না।এই অপমান করার কোন যুক্তি নেই।কারণ ধর্ম-র প্রকৃত বাণীর চেয়ে সুন্দর ও মঙ্গলকর কিছু নেই কোথাও।
আমাদের এটাও বুঝতে হবে ধর্ম আর বিজ্ঞানের ব্যাপ্তির কোন তুলনা হয়না। বিজ্ঞান মানুষের সৃষ্টি, ধর্মমতে এই মানুষ স্রষ্টার সৃষ্টি, স্রষ্টার অনন্ত ও অসীম সৃষ্টিজগতের একটি অতি ক্ষুদ্র বালিকনায় (পৃথিবী) এর কিছু মানুষ বিজ্ঞান চর্চা করেন। এই চর্চা অতি প্রয়োজনীয় ও মনোমুদ্ধকর কিছু আবিষ্কার করেছে। কিন্তু এটাও আবিস্কার করেছে যে মহাবিশ্বের ৯৫ শতাংশ সম্পর্কে (ডার্ক এনার্জী) বিজ্ঞান কোনদিন কিছু জানতে পারবেনা, বাকী ৫ শতাংশ সম্পর্কেও তার জ্ঞান খুব কম ও নিয়ত পরিবতর্নশীল। অন্যদিকে ধর্ম এ ৯৫ শতাংশ ও বাকী ৫ শতাংশের সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী।
ধর্ম’র কাজ মানুষের নৈতিকতা, আত্নিক পরিশুদ্ধি নিয়ে। এসব বিজ্ঞানের বিষয় নয়। বিজ্ঞান যুক্তি ও জ্ঞান নির্ভর, ধর্ম বিশ্বাস ও উপলদ্ধি নির্ভর । বিজ্ঞানের কাছে ইহজগত সব, ধর্ম’র কাছে ইহজগত তুচ্ছ, এটা বরং পরজগতের জন্য এক পলকের পরীক্ষা মাত্র।
ধর্ম আর বিজ্ঞান এতো ভিন্ন যে করোনা নিয়ে এদের তুলনা হাস্যকর ও চরম অজ্ঞতাপ্রসূত। আমরা কি বলি করোনা থেকে যদি বেঁচে যাও, যেন ডাক্তার বাঁচাবে, তোমার বাবা মা না। এটা বলে কি আমরা আশা করি ডাক্তারকে শুধু ভালোবাসাব উচিত আমার, পিতা মাতা বা অন্য কাউকেও না। আমরা কি কখনো বলি সাকিব কি সুন্দর ক্রিকেট খেলে, মেসি তো ক্রিকেট খেলতেই পারেনা। ধর্ম ও বিজ্ঞানের তুলনা এসবের চেয়ে বহুগুনে হাস্যকর ও অবান্তর।
ধর্ম ও বিজ্ঞান দুটোই প্রয়োজনীয়। ধর্ম বিশ্বাস করলে বিজ্ঞানকে অবজ্ঞা করতে হবে কেন? বিজ্ঞানমনস্ক হয়েছেন বলে ধর্মকে অবজ্ঞা করেন কেন? পৃথিবীতে বহু বড় বিজ্ঞানী ধর্মবিশ্বাসী ছিলেন। অনেকে আবার ছিলেনও না। কিন্তু এজন্য তারা ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে উপহাস করেছেন বলে শুনিনি।
ধর্মান্ধতা আর ধর্মবিদ্বেষ দুটোই পরিত্যাজ্য। ‘বেঁচে গেলে বিজ্ঞানের কারণে বাঁচবো, মসজিদ মন্দিরের কারণে না- এমন অদ্ভূত কথা সম্ভবত ধর্মবিদ্বেষ থেকে প্রচারিত।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Shiblik

২০২০-০৬-০৪ ০৮:৫৩:১৮

Dr Asif Nazrul's writings are becoming more powerful than his quick tempo live talk shows. A very methodical speaker and writer who is a threat to social misfits.

M Shahadad Hossem

২০২০-০৪-২৫ ০৩:২৭:৪১

কিন্তু স্যার, মন্দির মসজিদের অবদান কতটুকু সেটা কিন্তু বলেন নাই। বিজ্ঞানের অবদান হাসপাতাল ভ্যাক্সিন মেডিসিনগুলো বন্ধ করে দিয়ে মন্দির মসজিদ খোলা রেখেই দেখুন না, এই দুর্যোগে মন্দির মসজিদের অবদান কেমন? ধার্মিকদের মন জুগিয়ে নিজের অবস্থান তৈরী করে নেবার জন্য আপনার লেখা প্রশংসনীয়। কিন্তু আপনি যেই বিজ্ঞান নিয়ে লিখেছেন সে বিষয়ে আপনার জ্ঞান যথেষ্ঠ প্রশ্নবিদ্ধ। করোনা ভাইরাস বিবর্তনের ধারায় মাত্র ৫ মাসে পুনঃপুন মিউটেশন ঘটিয়ে এখন তিনটি নতুন রূপে বর্তমান। বলুন তো কোন ধর্ম এই বিবর্তনবাদকে স্বীকৃতি দিয়েছে? বিবর্তনবাদ স্বীকৃতি দিলে যে প্রচলিত ধর্মগুলো অন্তঃসারশূন্য হয়ে যায়। ধর্মের লেজুড়বৃত্তি করেন ভালো কথা, কিন্তু বিজ্ঞান সম্পর্কে বিভ্রান্ত করিয়েন না। ধন্যবাদ, ভালো থাকুন, অন্যকেও ভালো রাখুন।

মোঃ জাবের

২০২০-০৪-২৪ ০৭:১৩:২১

স্যার এর শেষের কথাগুলো ভাল ছিলো। কোনো ধর্মপ্রাণ জ্ঞানী মানুষ কখনও বিজ্ঞানকে অবজ্ঞা করেনি বরং এটাও সৃষ্টিকর্তার দান বলে আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু নাস্তিকরা ধর্মের অবজ্ঞাকে বৈজ্ঞানিক চিন্তা মনে করে।

Ahamed Ali Khan

২০২০-০৪-২৪ ০৬:৫৬:৩২

Sir, 100% right, thank you.

মোঃ সোয়েব

২০২০-০৪-২৪ ০৩:৫৩:৫৮

আমরা অনেকেই কখনো বিজ্ঞানকে ধর্মের মুখোমুখি, কখোনো বা ধর্মকে বিজ্ঞানের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেই। যা মোটেই উচিত নয়। বোকামি। ধর্ম কখনো বিজ্ঞানকে অস্বীকার করে না, বিজ্ঞানও ধর্মকে অস্বীকার করে না। আসলে, আমরা ধর্মও বুঝি না, বিজ্ঞানও বুঝি না।

আখতার

২০২০-০৪-২৩ ২২:১৩:০১

বিজ্ঞান ধর্মথেকে উৎসারিত একটি জাগতিক বিষয় পরকাল বা ইহকাল নিয়ে নয়। তবে প্রথম যে ব্যক্তি করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত হয় তাকে কে সংক্রমন করেছিল? একবার ভাবুন।

আবদুস ছাত্তার

২০২০-০৪-২৩ ২০:১১:৪৯

চমত্কার লেখা

আবুল কালামআজাদ

২০২০-০৪-২৩ ২০:০৭:৪৪

স্যার আপনার সত্য ও সাহসী বক্তৃতা এবং লেখনীর জন্য আমি আগে থেকেই আপনাকে ভালবাসি আপনার এলেখার মাধ্যমে আপনার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও ভালবাসা আরো বেড়ে গেল, আল্লাহ আপনাকে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু দান করুন,আমীন।

Maniruzzaman

২০২০-০৪-২৩ ১৭:৫২:১৬

Alhamdullia, Excellent writing

বাহাউদ্দিন বাবলু

২০২০-০৪-২৩ ১৭:৪১:৫৬

যারা ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাদের কাছে আমার ছোট একটি প্রশ্ন তোমার জন্মটা কিভাবে হলো? তোমার জন্ম কি বিজ্ঞান দিয়ে? অর্থনীতিতে একটি কথা আছে মানুষ কোন কিছু সৃষ্টি করতে পারে না, মানুষ শুধু তার ব্যবহারযোগ্য উপযোগী দ্রব্য সামগ্রী তৈরী করতেপা।

কামাল ভূঁইয়া

২০২০-০৪-২৩ ১৭:৩৭:২১

আলহামদুলিল্লাহ। সুন্দর সত্য কথা বলেছেন। আল্লাহ আপনাকে এবং আমাদের কে ক্ষমা করে দিন। আর যেসব মানুষ আপনার কুদরতের রহস্য বুঝে না, তাদের কে হেদায়েত দান করুন। আমিন।

shah jahan

২০২০-০৪-২৩ ১৭:৩০:৫৮

Very logical and acceptable.

Rasel

২০২০-০৪-২৪ ০৬:১৬:৫৩

100%

আবুল কাসেম

২০২০-০৪-২৩ ১৭:১৫:২৬

ভুল সংশোধনঃ আমি গতকাল এখানে আমার মতামত দিতে গিয়ে সূরা আর রহমান এর উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছি, "সূরা আর রহমানের ২য় আয়াতে কুরআনকে বিজ্ঞানময় বলে অভিহিত করা হয়েছে।" প্রকৃতপক্ষে তা হবে "সূরা ইয়াসিনের ২য় আয়াতে কুরআনকে বিজ্ঞানময় বলে অভিহিত করা হয়েছে।" আমার এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের প্রথমত, মহান ক্ষমাশীল দয়াময় আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ভিক্ষা করছি। দ্বিতীয়ত, পাঠকদের কাছেও মাফ চেয়ে নিচ্ছি।

Md. Jalilur Rahman

২০২০-০৪-২৩ ১৭:০৮:৩০

Sir, Allah bless you.

SJ

২০২০-০৪-২৩ ১৬:১৯:৫৪

ধর্ম বাদ দিলে বিজ্ঞান পঙ্গু। বিজ্ঞান বাদ দিলে ধর্মের অনেক কিছুই গুপ্ত থাকে। ধর্ম ও বিজ্ঞান একে অপরের সাহায্যকারী। ধর্ম দেয় বেশী নেয় কম। বিজ্ঞান ধর্মের গুপ্তকে উন্মুক্ত করে। ধর্ম পুস্তক যাহারা অর্থ বুঝে পাঠ করে না, তাহারা ধর্মের ক্ষুদ্রাংশের ও জ্ঞান অর্জন করে না। বিজ্ঞানের চেয়ে ধর্ম অধিকতর শক্তিশালী।

সুলতান

২০২০-০৪-২৩ ১৬:১৯:২৯

মাশ আল্লাহ্ সুন্দর আলোচনা করেছেন আল্লাহ্রর শান্তি বর্ষিত আপনার উপর। যারা পথভ্রষ্ট মুনাফেকরা কোন অবস্থাতেই সত্যকে মেনে নেয়নি ও কোন দিন মেনে নিবেও না কিয়ামত পযন্ত। এরা সবই আবদুল্লা ইবনে ওবাইদা ইবনে সুলুলের বংশধর ও অনুসারী। জাহান্নাম তো এজন্যই তৈরি করেছেন মহান আল্লাহ্। আবু লাহাভ ও স্ত্রীর পরিনতির কথা মহান আল্লাহ্ তাদের পরিনতির আগেই আয়াত নাজিল করে ভবিষ্যত বানী করে রেখেছিলেন। এর পরও তারা হেদায়েত হয় নাই। দুনিয়াতে নতুন করে ওহি বা ভবিষ্যত বানী আসলে অবশ্যই বর্তমান যোগের মুনাফেকদের জন্য নাজিল হত ওদের পরিনতির কথা। আলহামদুলিললা, আলহামদুলিললা, আলহামদুলিললা, আমরা যারা ঈমান এনেছি সবাই আমরা বরবাদীদের অন্তর ভুক্ত নই, হে মহান রাববুল আলামিন আল্লাহ্ আপনি ভাল জানেন আমাদের অন্তরের কথা। আমাদের ইবাদত কবুল করে আমাদেরকে হেফাজত করে নিন হে আল্লাহ্। (আল্লাহু আলেম) সবই মহান আল্লাহ্ ভাল জানেন। আল্লাহ্ হু আকবর।

SM.Rafiqul Islam

২০২০-০৪-২৩ ১৬:১২:১৩

Thanks Mr.Asif Nazrul for writing the article.

Md.Rabiul Islam

২০২০-০৪-২৩ ১৬:০৫:১৭

Very good explanation

মো: আমানুল ইসলাম

২০২০-০৪-২৩ ১৫:০৩:৩১

মহোদয়, আপনার কথাগুলো খুবই সুন্দর; এগুলি জনসন্মুখে লিখার পূর্বে যদি আপনি কষ্ট করে ভাববাদ ও বস্তুবাদ দর্শন Study করে নিজকে নির্ধারন করে তার পরে লিখতেন তবে ভাল হতো। ধন্যবাদ।

মজিবুল হক

২০২০-০৪-২৩ ১৪:৫৩:১৯

‘বেঁচে গেলে বিজ্ঞানের কারণে বাঁচবো, মসজিদ মন্দিরের কারণে না- এমন অদ্ভূত কথা পরিহার করি।

Mockbul

২০২০-০৪-২৩ ১৩:৫২:০৫

I agree with u.

Mizanur Rahaman

২০২০-০৪-২৩ ১৩:৫১:০৭

Ami vabtam Asif sir sudo rajniti, somaj niti ittadi valo bujen abong vlo bislason dita paren! Ajk r likha ta koyek bar porlam! Prottek baroy notun kicho pai! Ki ak asadaron bislason

Mohsin

২০২০-০৪-২৩ ১৩:৪৪:৩৩

Ah, ki sundar apnar katha guli. Pare valo laglo. Allah anader sabaike balanced knowledge Dan karuk.

raiyan

২০২০-০৪-২৪ ০২:১৮:২৭

tremendous!

Abu Zubair

২০২০-০৪-২৩ ১৩:১৫:৩২

আমি সাধারণত মতামত পড়ি, মতামত দেই না। কিন্তু আজকে ডঃ আসিফ নজরুল সাহেবের লেখাটা পড়ে আমার চোখ দিয়ে পানি ঝরে পড়েছে। আল্লাহ্ আপনাকে দীর্ঘ জীবি করুক আমিন।

HOSAIN MOSTOFA

২০২০-০৪-২৩ ১৩:০১:৩৭

I am agree with d. Asif Nzrul

Afroza Sultana

২০২০-০৪-২৩ ১২:৫৭:৫২

Sr. 100% right you

জাফর আহমেদ

২০২০-০৪-২৩ ১২:৪৭:০৫

সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউব এ আল্লাহ নাম নেয়ার সাথে, বিভিন্ন আইডি থেকে বিভিন্ন রকমে আল্লাহ কে কুট‌উক্তি গালিগালাজ ও যে বলে আল্লাহ তাআলার রহমতেই করোনা বন্ধ হবে তাকে কয়েকটি আইডি থেকে একসাথে গালমন্দ করতে থাকে, তার প্রমাণ আমার কাছে আছে, দয়া করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমাদের আবেদন আপনারা এগিয়ে আসুন, এদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি,

Sarwar Hossain

২০২০-০৪-২৩ ১২:৪০:৩৯

আসসালমুয়ালাইকুম স্যার । আপনার এই মূল্যবান লেখা গুলো তিন বার পড়লাম তবু যেন মন ভরে না। আশাকরি মানুষ সঠিক চিন্তা করার অবকাশ খুঁজে পাবে। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিক ও সারা জীবনই যেন এমন লিখতে পারেন দোয়া রইলো।

anwar hossain

২০২০-০৪-২৪ ০১:৩১:০৪

যিনি বা যারা ঐ লেখা টি লিখেছেন তাঁর বা তাদের কাছে একটি প্রশ্ন আপনি যখন মায়ের পেটে ছিলেন তখন বিজ্ঞান কিন্তু আপনাকে খাওয়ায় নাই। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আপনাকে খাওয়াইছেন। বিনীতভাবে অনুরোধ করব একটি বিশ্বাস রাখুন একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ই আমাদের বাঁচাবেন। অহেতুক কোন যুক্তি দিবেন না। স্যার কে ধন্যবাদ।

জিলানী

২০২০-০৪-২৩ ১২:১০:৪৬

ধর্ম ও বিজ্ঞানের, সমঝোতা নির্ভর আপনার যুক্তি ভিত্তিক লিখা টা ভাল লাগল, বিশেষ করে যে সব তথ্য তুলে ধরেছেন তা শুধু তাদের জন্য কাফি যারা, বাহ্যিক চোখ সহ অন্তরের চোখকে কাজে লাগবে।

মহিদ

২০২০-০৪-২৩ ১১:৫২:২৪

বুঝলাম না এই খাপছাড়া লেখা দিয়ে আসিফ নজরুল কি বোঝাতে চাইলেন। এটা তো সত্যি মসজিদ মন্দির বা জগতের কোন ও উপসানালয় করোনা চিকিতসায় কিছুই করতে পারছে না, বরঞ্চ এগুলোতে সমাগমের ফলে বেশী মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। ধর্ম মানুষের বিশ্বাসেই বাস করুক তাকে মহান করতে যেয়ে মানবতাকে হেয় করা অধর্মের সামীল।

Aziz

২০২০-০৪-২৩ ১১:৪৭:১৪

Sir,thanks But sobai ke bole den sob theke boro Bigani Allah

Ramizukhan

২০২০-০৪-২৩ ১০:১৭:০৪

হাফিজ আব্দুস সাত্তার সাহেব আমি আপনার সহিত একমত পোষণ করছি।

Md.Jahangir Alam Cho

২০২০-০৪-২৩ ২৩:১০:৪৯

Thank you sir for your deep analytical argument . Ignorant people say many things. Science also under universe creator.

تحليل بناء وموضوعي

২০২০-০৪-২৩ ২৩:০৯:২৩

تحليل بناء وموضوعي للغاية جزاه الله خيرا

আকবর আলী

২০২০-০৪-২৩ ২৩:০৭:১০

সুন্দর লিখার জন্য ধন্যবাদ। নিজেকে বিজ্ঞান মনষ্ক প্রমাণ করতে গিয়ে ‘আবাল’ এর পরিচয় দেয়া যাবে না। বিজ্ঞানের এই চরম উৎকর্ষের যুগেও করোনার কাছে বিজ্ঞান এখনও আবাল। বরং বার বার মানুষের অসহায়ত্ব ফুটে উঠছে। পৃথিবীতে টিকে থাকতে মানুষকে বদলাতে হবে, শাধরাতে হবে অনেক। চোখের সামনে মানুষ নীরবে মানুষকে মরতে দেখছে, কিছুই করতে পারছেনা।

হেলালআহমেদ

২০২০-০৪-২৩ ১০:০২:১৭

নাস্তিকরা এইভাবেই বলতে পারে । আপনি চমৎকার ব্যখ্যা বিশ্লেষণকরেছে।

Sazzad

২০২০-০৪-২৩ ২২:৫২:৪৪

Masha Allah

A ,R ,Sarker

২০২০-০৪-২৩ ০৯:৫০:৫৮

Many many thanks for a good/better/best writing.

আমিনুল

২০২০-০৪-২৩ ০৯:৪৯:৪৬

যারা ধর্ম কে অবজ্ঞা করে তাদের বেশিরভাগই বিজ্ঞান বা ধর্ম কোনটাই জানেনা। একটু পরিসংখ্যান নিলেই দেখা যায় যারা বিভিন্ন সময়ে ধর্ম কে সরাসরি অবমাননা করে কথা বলেছে তাদের কেউ ই বিজ্ঞান মনস্ক ছিলনা। তবে এটা ঠিক, ধর্মান্ধতা বা কুসংস্কারের কারনে কোন কোন বিজ্ঞানীর জীবন পর্যন্ত গেছে। বিজ্ঞান যেমন যুক্তি এবং জ্ঞান নির্ভর। ধর্মের বানীগুলোও তেমনি সব যুক্তি ও জ্ঞান নির্ভর। বিজ্ঞান চর্চা অনেকে করে, কিন্ত একজন প্রকৃত বিজ্ঞানী অবশ্যই অনেক জ্ঞানের অধিকারী। ধর্মীয় মতে এই জ্ঞান একজনেরই দান এবং তিনি যাকে পছন্দ করেন তাকেই দিয়েছেন। বিজ্ঞানীরাও কিন্ত এটাকে বলে গিফটেড ট্যালেন্ট। একই ভাবে ধর্ম নিয়ে অনেকে কথা বললেও প্রকৃত ধার্মিক ব্যক্তি বা ধর্মীয় নেতাও অনেক জ্ঞানের অধিকারী হন। এটাও কিন্ত গিফটেড এবং ওই একজন দ্বারাই মনোনীত।

শহীদ

২০২০-০৪-২৩ ২২:৩৩:১৪

প্রয়োজনেই প্রযুক্তি। আর প্রযুক্তির কাঁচামাল সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি থেকে। ‍যিনি বিজ্ঞানী তিনিও সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। ধর্ম ফুড প্রসেসিং শেখায়নি। ফুড ডেলিভারী ও সেলস শিখায়নি। কিন্তু ফুডে মানুষের শারীরিক দিক নিয়ে আলোচনা আছে। এখানে নৈতিকতা। ধর্ম যান-বাহন তৈরি শেখায়নি। কিন্তু পরিভ্রমনের কথা আছে। এখানেও নৈতিকতা। ধর্ম বাণিজ্যের সুত্রগুলো শেখায়নি। কিন্তু ওজনে কম দিতে নিষেধ করেছে। এখানেও নৈতিকতা। সুতরাং যারা শিল্প, প্রযুক্তি বিকাশে ধর্মের ভুমিকা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করে তারা মুলত মাথায় কোন “বোধ” নিয়ে চলে না। না তারা শিল্প বিকাশে কাজ করে। না প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করে। তারা নিজেরাই বিভ্রান্ত এবং বিভ্রান্ত করার কাজেই লিপ্ত।

মনির

২০২০-০৪-২৩ ০৯:৩১:২৪

যিনি বা যারা ঐ লেখা টি লিখেছেন তাঁর বা তাদের কাছে একটি প্রশ্ন আপনি যখন মায়ের পেটে ছিলেন তখন বিজ্ঞান কিন্তু আপনাকে খাওয়ায় নাই। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আপনাকে খাওয়াইছেন। বিনীতভাবে অনুরোধ করব একটি বিশ্বাস রাখুন একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ই আমাদের বাঁচাবেন। অহেতুক কোন যুক্তি দিবেন না। স্যার কে ধন্যবাদ।

Mohammad Nayyer Afro

২০২০-০৪-২৩ ০৯:২৯:১৩

যদি কোন মুসলমান এ ধরণের কথা বলে বা বিশ্বাষ করে, তাহলে তার ঈমান থাকবে কি না সে বিষয়ে অভিঞ্জ মুফতি ভাল বলতে পারবেন।

MD.FAISAL BIN MORSHE

২০২০-০৪-২৩ ২২:২৬:১৬

Really logical writing. Excellent presentation. Appreciate Sir.

MD.FAISAL BIN MORSHE

২০২০-০৪-২৩ ২২:২৩:৫৩

স্যার আপনার যৌক্তিক উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ। আশা করি সমাজের উঠতি যুব সমাজের কিছুটা হলেও বধোদয় হবে। Really logical writing. Excellent presentation. Appreciate Sir.

Kamal

২০২০-০৪-২৩ ০৯:১৫:১১

Thanks sir for your analysis. Few person in bangli having aleargy with Islam. They are not much, not more than 20 personal. But our government shelter them, otherwise this, Shariar kobir, Ino, menon, Hassan, Kader. they can't say anything aginist the holy Islam. Anyway Ramadan mubaruk sir.

morshed

২০২০-০৪-২৩ ০৯:১৫:০৫

100% sir.

খুদিরাম

২০২০-০৪-২৩ ০৯:০৮:২৯

দাদা মনেহয় এবার নাস্তিকদের লুংগি ধরে টান দিলেন! ঠিক হয়নি দাদা, বরই সরমের বিষয়৷!!

হাফিজ আব্দুস সাত্তার

২০২০-০৪-২৩ ২১:৪৩:২০

পৃথিবী ৪২০০ধর্ম সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে. প্রত্যেক ধর্মের অনুসারীরা দাবি করে যে একমাত্র তাদের ধর্ম এবং তাদের ঈশ্বরী হচ্ছে সত্য আর বাকি ধর্ম ঈশ্বর মিথ্যা ,

Amirul

২০২০-০৪-২৩ ২১:৩৩:০৭

Salute Sir.

jakir

২০২০-০৪-২৩ ০৮:২৩:০৪

জারা ধর্ম মানেনা তারা এই গুলা বলবে কারন তাদের কোনো ধর্ম নাই একানে বলা না বলার কিছু নাই আল্লাহ সবাই কে হেদায়াত দান করুক

Jalal

২০২০-০৪-২৩ ২০:৫৭:৪৭

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দুনিয়া সৃষ্ট্রি করেছেন আল্লাহকে স্মরণ করার জন্যে, আল্লাহকে ডাকার জন্যে, মানবজাতির কল্যাণের জন্যে, আল্লাহ যখন মানুষ সৃস্টি করেন তখন বিজ্ঞান বলে কিছু ছিল না, বিজ্ঞান আল্লাহর নিকট থেকেই এসেছে, আল্লাহ আমাদের সকলকে দুনিয়া ও আখেরাতে নিরাপত্তা দান করুন

আবুল কাসেম

২০২০-০৪-২৩ ০৭:৫৬:০২

অর্বাচীন ও মূর্খরা ধর্মকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও অস্বীকার করে। ধর্মহীনতা পৃথিবীকে ঝঞ্জাবিক্ষুদ্ধ করেছে। মানবতা ও মানবিকতার সমাধি রচনা করেছে। ইসলাম পূর্ব যুগে (আইয়ামে জাহালিয়াত) নীতি-নৈতিকতা, ন্যায়পরায়নতা, অসভ্যতা ও অশ্লীলতার ছিল ছড়াছড়ি। হত্যা, লুন্ঠন, রাহাজানি, অনাচার, ব্যাভিচার, অহংকার, আত্মম্ভরিতা ও যুদ্ধবিগ্রহ ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল স্তরে জোর যার মুল্লুক তার নীতি বলবৎ ছিল। এমন সময় তমসাচ্ছন্ন ধরনীর বুকে মহান করুনাময় স্রষ্টার পক্ষ থেকে ইসলাম এলো মানবতার মুক্তির দিশা হয়ে। তখন অবস্থা এমন হয়েছিল যে, মক্কা থেকে হাজার মাইল দূরবর্তী স্থানে স্বর্নলংকার পরিহিত পূর্ণযৌবনা কোন নারী নিঃসংকোচে ও নিরাপদে একাকী ভ্রমণ করেছিলেন। সময়ের ব্যবধান মানুষ আবারও আইয়ামে জাহেলিয়াতের দিকে চলতে থাকে। যদিও এই সময়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধিত হয়েছে। কিন্তু ধর্মকে অবহেলা, অবজ্ঞা ও অস্বীকার করে স্থায়ীভাবে সুখশান্তি মানুষ পেতে পারেনা। আজকের COVID 19 বা করোনা ভাইরাসের অপ্রতিরোধ্য আক্রমণ তার প্রকৃষ্ট প্রমান বহন করে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, ইসলামের আবির্ভাব ও পবিত্র কুরআন নাযিলের পূর্বে পৃথিবীতে উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো বিজ্ঞানের আবিস্কার ছিলোনা। যা হয়েছে কুরআন নাযিলের পরে। সূরা আর রহমান এর ২য় আয়াতে কুরআনকে বিজ্ঞানময় বলে অভিহিত করা হয়েছে। তাই সন্দেহ নেই যে, বিজ্ঞান ও ধর্ম একে অন্যের পরিপূরক। এই আধুনিক কালেও ইসলাম ধর্মে অবিশ্বাসীরা নির্মমভাবে অবলীলায় অসংখ্য মানুষ হত্যা করেছে। যেমনঃ মাও সে তুং, ষ্ট্যালিন, পলপট, কিম ইল সাং, মেইন পিন্টু হেইলি, হাই ভেক তোষো, হিটলার ও জর্জ ডব্লিউ বুশ (ইরাকে) অগণিত মানুষ হত্যা করেছে। পরিশেষে বলতে হয়, বর্তমান বিশ্ব পাপের সাগরে নিমজ্জিত। যা নাকি ইসলাম পূর্ব যুগ বা আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগের কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়। অতএব মনে রাখবেন, শান্তির পথ মানে ইসলামের পথ। তাই আহ্বান জানাই, বিশ্ব ফিরে আসুক ইসলামের পথে। আলোকিত হয়ে উঠুক পৃথিবীর আকাশ বাতাস। সবুজে ভরে উঠুক পত্র পল্লব । শান্তিতে ও স্বস্তিতে ভরে উঠুক মানুষের জীবন। আল্লাহ বিশ্ববাসিকে আসমানী আজাব থেকে রক্ষা করুন এ-ই প্রার্থনা করছি।

Zahir

২০২০-০৪-২৩ ০৭:৫৩:৫০

Fantastic analysis. I know couple leading scientists working in Queen Mary University, London, are very respectful to Islam.

MD. ABDUS SAMAD AZAD

২০২০-০৪-২৩ ২০:৫০:৩৯

salute sir

jakir

২০২০-০৪-২৩ ০৭:৪২:৩০

People who are less knowledgeable about science and religion are opposing the religion.Actually the are not intellectuals, they are having some few knowledge on few subjects. Man is created by his god,everything what he think is given by god, this is also the power of god.The world is a big science that is created by god. Every body who opposing the religion, first read science books may be fundamental science, engineering books, medicine, logic , philosophy,history, theology, gather knowledge, know yourself first. You having some calculus or some chemical reactions and thinking yourself more intellectual, you are fool, the god who created you, who give you some power is the almighty.So be intellectual not fool. Scientists who are inventing medicines for corona viras or others is the delegated power of god. Power two types 1. Direct power 2. Delegated power. So pray to god from your own religion for the better of the human being. Do not think yourself more knowledgeable.Only the god almighty.

জাফরী

২০২০-০৪-২৩ ০৭:৪২:২৭

এরা জ্ঞানের পরিধি বিজ্ঞানের আওতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ।

NASIM ALI

২০২০-০৪-২৩ ২০:৪১:২৫

ALLAH HELP TO US

Almas Alam

২০২০-০৪-২৩ ২০:৩৮:৪২

Sir, Jazakallahu Khairaan, May Allah reward you for defending Islam in such a logical way.

Md Azizul Islam

২০২০-০৪-২৩ ০৭:২৬:১৮

Many many thanks for excellent response.

Malek

২০২০-০৪-২৩ ২০:১৬:৫৪

এটা সত্যি যে কিছু মানুষ ধর্ম বাবশা করে, এবং তাদের এই অপকর্মের ফল ধর্মপ্রাণ মানুষেরা বহন করে। ইসলাম নিয়ে কেউ কিছু বললেই প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীরা ধর্ম বাবশায়ী, ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক ইত্যাদি শব্দে সনবোধন করে। অন্য পক্ষে, বাংলাদেশের অধিকাংশ বুদ্ধিজিবি, ইসলাম বিদ্বেষী রাজনৈতিক নেতা, বামপন্থী ছিন্তক বিজ্ঞান বাবশা করে, এরা বিজ্ঞানের প্রায় কিছুই জানে না। তার পরেও বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে এমন সব কথা বার্তা বলে যে হাসি সংবরণ করা কঠিন।

Nazml Hasan

২০২০-০৪-২৩ ২০:১৩:১৩

প্রান যখন কণ্ঠে এসে যায় ঐ সব মানুষ তখন চুপি চুপি অসীমের পানে চেয়ে একজনকেই ডাকে বিজ্ঞানের ব ও মনে থাকেনা। অতি মূর্খরাই এমন চিন্তা করে। মহাসমুদ্রে জাহাজ যখন রোল করে, আকাশে প্লেন যখন Air Pocket এ পরে ঐ জাহাজ আর প্লেনে তখন এক্তিও নাস্তিক খুজে পাওয়া যায় না সবাই আস্তিক হয়ে যায় আর মনে মনে একজনকেই ডাকে। সব থিক হয়ে গেলে আবার তাঁরা নাস্তিক হয়ে যায়।

মোঃ আব্দুল মান্নান

২০২০-০৪-২৩ ০৭:০৬:৩৬

আমার মনে হয় উনি ঠিক কথাটি বলেছেন।

basher

২০২০-০৪-২৩ ১৯:৫৯:৫১

science has been created by the creator of whole universe,it has lot of limitation. so islam is not only a religion it includes everything,if medicine or vaccine is produced it will be done by the indication of our creator,so criticism of religion is really pathetic because they have no study about their creator who is sustain er of everything of this world. basher

মোহাম্মদ শাহ আলম

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৫৫:০৬

সুন্দর লেখা র আপনাকে ধন্যবাদ ।

Md hasan

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৫৪:১৮

স্যার অশেষ ধন্যবাদ , মহান আল্লাহ আপনাকে এই উত্তম কাজের জন্য তার চাইতে বেশি উত্তম প্রতিদান দিন

ইমতিয়াজ ইমন

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৫৩:১২

ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার মনের কথা গুলো বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য, যারা ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবধান সৃষ্টি করে তাদেরকে প্রশ্ন করুন তাঁরা কার সৃষ্টি সৃষ্টি করে তাদেরকে বলুন

আবদুল কাদেরসুমন

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৫২:১৬

বাংলাদেশের প্রয়োজনে আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত বাড়িয়ে দেক

মোঃ মনির হোসেন

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৪৬:৩৬

যারা বিজ্ঞানকে ধর্মের সাথে তুলনা করে ধর্মকে খাটো করার চেষ্টা করে বা করতে চায় তারা ধর্ম সম্পর্কেই বিশেষ কিছু জানেনা। আমি ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে বলবো যে বিজ্ঞানের সব বিষয়ের ব্যাখ্যা এই ধর্মের আলোকে করা যাবে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে বিজ্ঞান সব সময় দ্রুব নয় , পরিবর্তশীল। এক্ষেত্রে ব্যাখ্যা করা যাবে না। পবিত্র কোরআনে অসংখ্যবার বলা হয়েছে এটা একটি বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। কোরআনের অনেক বিষয়ের ব্যাখ্যা এখনো বিজ্ঞান দিতে পারেনি ।হয়তো কোন এক সময় আরো কিছু দিতে পারবে।

Abu hanif

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৪১:২৯

যুক্তি নির্ভর তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।

Maksudur Rahman

২০২০-০৪-২৩ ১৯:৩৯:৪৮

If our intellectual society could come forward with this kind of nice knowledgeable thoughts as Dr. Asif Nazrul have presented here, then the so called new brand of "stupid" ignorant cannot take place in our society.

[email protected]

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৩৬:২২

একদম মন ছুঁয়ে গেল...! অসাধারণ একটি দর্শন !!! বাস্তবতাকে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ

আশিকুল ইসলাম

২০২০-০৪-২৩ ০৬:৩৩:২৪

ঠিক বলেছেন স্যার, এসব ধর্ম বিদ্বেষীদের কাজ। এসব লোকদের কাছে আমারও জানতে ইচ্ছে করে, "ধর্ম বিশ্বাসী নন‌ আপত্তি নেই, কিন্তু ‌ধর্ম বিদ্বেষী হবেন কেন?

M.A. Awal

২০২০-০৪-২৩ ১৯:১৮:৪৫

Professor Dr Asif Nazrul deserves special thanks for a well-written time-befitting write-up. Yes, religious teaching is not that it denies the science. Islamic thinkers do and should encourage & welcome the scientific advancement. Without science, religion is incomplete. Without religion, science is paralyzed.

মোঃ আঃহান্নান

২০২০-০৪-২৩ ০৬:১৮:১৯

স্যার,চমৎকারভাবে বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছেন.ধর্ম বিজ্ঞান একে অপরের সাথে সাংঘর্ষিক নয় . ধর্মের ক্ষমতা অসীম, বিজ্ঞানের ক্ষমতা সীমিত.কারণ বিজ্ঞান নিজেই স্বীকার করেছে পৃথীবির মাত্র ৫ভাগ সে জানতে পেরেছে. আর মানুষ যেহেতু বিজ্ঞান সৃষ্টি করেছে সে হিসেবে বিজ্ঞানও আল্লাহর সৃষ্টি. অতএব সব কিছুর যিনি সৃষ্টিকর্তা, যে কোন সমস্যর সমাধানে তার শরণাপন্ন হওয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ.

Din Islam Didar

২০২০-০৪-২৩ ১৯:১৩:৪০

Many many thanks for good write

আলম পাটোয়ারী

২০২০-০৪-২৩ ০৬:১২:২৫

ধর্ম এবং বিজ্ঞান - একে অপরের পরিপূরক। বিতর্ক বৃথাই।

Morsidul

২০২০-০৪-২৩ ০৬:১১:১৭

বিজ্ঞানের একটি আবিষ্কার ও যদি পৃথিবীতে না আসতো আর মানুষ যদি ধর্মপ্রাণ হত, ধর্মনিষ্ঠ হত (ধর্মান্ধ নয় ) তবে পৃথিবীটা আরো অনেক মানবিক থাকতো ও সুখময় থাকতো । শান্তিপূর্ণ থাকতো। বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ , অনুভূতি এবং মানবিকতা। মানবিকতার স্থানে এসেছে যান্ত্রিকতা ।রোগ প্রতিরোধ করাই উত্তম । ধর্ম প্রতিরোধ করাতে শেখায় । আর ধর্ম বিজ্ঞানময় । ধর্মে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা আছে । কিন্তু বিজ্ঞানে ধর্মের ব্যাখ্যা নেই বলে যারা মনে করে তাদের কারণেই ধর্ম বিদ্বেষ এবং ধর্মান্ধতা সৃষ্টি হয় । ধর্মের সত্যিকারের অনুসরণ সব রোগের প্রতিরোধ হিসেবে কার্যকরী। ধর্মে বাদুর জাতীয় হিংস্র প্রাণী খেতে নিষেধ করা হয়েছে । ধর্মে এইডসের মত রোগের দমন করার -সৃষ্টি না হওয়ার নিয়ম-কানুন রয়েছে ।ধর্মে মানুষের উপরে মানুষকে অত্যাচার এর নিষেধ করা হয়েছে । সারা বিশ্বে যুদ্ধাস্ত্র গুলো ধর্মের কারণে হয়নি ধর্মহীনতার কারণে হয়েছে। মানুষকে ধর্ম শৃঙ্খলিত করেনি- করেছে আধুনিক যুগের মাফিয়া ব্যবসায়ী বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বসূরিরা। আফ্রিকা মহাদেশের দাস ব্যবসা ধর্মে অনেক আগেই নিষেধ করা হয়েছে, কিন্তু আমেরিকানরা সেটা করেছে, ব্রিটিশরা সেটা করেছে ,স্প্যানিয়ার্ড ফরাসি ইতালিয়ানরা সেটা করেছে ।অন্যায় ভাবে আফ্রিকার সম্পদ লুট করেছে ।আফ্রিকাকে মেধাশূণ্য করেছে -এশিয়ার অনেক দেশ মেধাশূন্য করা হয়েছে । দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে হাজার হাজার মানুষকে মেরে ফেলা হয়েছে ধর্মের কারনে নয়- আধিপত্যবাদের কারণে ।ব্যবসার কারণে। নির্যাতন করা হয়েছে ধর্মের কারণে নয় ব্যবসার কারণে । যে পেট পুরে আহার করে ঘুমায় আর তার প্রতিবেশীরা অভুক্ত থাকে তাদেরকে ধর্মহীন বলা হয়েছে ।

A S Dilshad Ahmed

২০২০-০৪-২৩ ১৯:০৩:৩৫

খুবই সত্যি কথা । আপনি তবুও কষ্ট করে লিখে এদের জবাবটা দেন । এভাবেই জ্ঞানী ব্যক্তিরা সমাজকে বদলায় ...

shaheen

২০২০-০৪-২৩ ১৯:০১:৫০

Really logical writing. Excellent presentation. Appreciate Sir.

Zaman

২০২০-০৪-২৩ ০৫:৫৭:১১

সালাম স্যারকে অপূ্রব লেখা।আল্লাহ আপনার সহায় হোন।আমিন।

Dr. M. Ishaque

২০২০-০৪-২৩ ১৮:৫৫:০১

I endorse your timely reaction, thanks

Jesmin

২০২০-০৪-২৩ ১৮:২৯:৫৯

স্যার আপনার যৌক্তিক উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ। আশা করি সমাজের উঠতি যুব সমাজের কিছুটা হলেও বধোদয় হবে।

আপনার মতামত দিন

মত-মতান্তর অন্যান্য খবর

বাংলাদেশের জার্নাল

আরোপিত ও জন্মগত সম্পর্কের নির্মম পরিণতি!

৫ জুন ২০২০

এরপর কি?

২৫ মে ২০২০

তবুও ঈদ মোবারক

২৫ মে ২০২০



মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত