গণপরিবহন কতটা সুরক্ষিত?

স্টাফ রিপোর্টার

এক্সক্লুসিভ ২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫৯

করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক সর্বত্র। এই আতঙ্ক নিয়ে ঘরের বাইরে বের হতে হয় অনেককেই। আবার তাদের অধিকাংশই যাতায়াত করেন গণপরিবহনে। এসব পরিবহনে যাতায়াত করা অধিকাংশই ভীতি নিয়ে চলাচল করছেন।এখন প্রশ্ন কতোটা নিরাপদ এসব গণপরিবহন?
মরণঘাতী করোনা ভাইরাসে কাবু গোটা বিশ্ব। হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বিশ্বের অনেক দেশ লকডাউন। চারদিকে আতঙ্ক। বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাসের আঁচ এসে লেগেছে।
ইতিমধ্যে মুত্যুবরণ করেছেন ২ জন। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।
গতকাল সরজমিন দেখা যায়, রাজধানীর গণপরিবহন গুলোতে নেই করোনা প্রতিরোধমূলক কোনো ব্যবস্থা। পরিবহনের সংখ্যাও আগের তুলনায় অনেক কম। কম যাত্রীর সংখ্যাও। অফিস সময়ে বাসগুলোতে যাত্রীদের কিছুটা ভিড় দেখা যায়। বাসে উঠতে একজন আরেকজনের গায়ের উপর ভর করে উঠছেন। যাত্রীদের অনেকের মুখেই নেই সুরক্ষা মাস্ক। কয়েকজনকে দেখা গেছে বাসে বসেই বাদাম ও শসা খেতে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব অরক্ষিত গণপরিবহনের কারণে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
ফার্মগেটে ভিআইপি পরিবহনের চালক মো. মিজান বলেন, বাসে সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই। নেই কোনো জীবাণুনাশক। মালিকপক্ষ বাসে জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে চায় না। আমরা গরীব মানুষ, তাই পেট চালাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। তানজিল পরিবহনের একজন সহকারি রিয়াজ উদ্দিন বলেন, বাসে একজন করোনা রোগী উঠলে তো সবাই শেষ। এমনিতে সারাদিন ধুলা-ময়লার মধ্যে থাকি। তার ওপর করোনা। মালিকদেরকে আমার বলছি, একটা দিন বাস বন্ধ রেখে ভালো করে পরিষ্কার করতে। তারা আমাদের কথা শুনে না।
যাত্রাবাড়িগামী যাত্রী মো. সুলায়মান বলেন, ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাসের মধ্যেও অফিস ছুটি হয়নি। গণপরিবহনে উঠলে বিপদ আছে জেনেও এক প্রকার বাধ্য হচ্ছি। কেউ করোনায় আক্রান্ত কিনা বোঝার কোন বুদ্ধি নেই। বাসের অনেক যাত্রীর হাঁচি-কাশি থাকে। বিদেশ ফেরতও থাকতে পারে। তিনি আরো বলেন, বাস মালিকরা একটু সচেতন হয়ে কম যাত্রী ও বাসে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা করলে ভালো হতো।
মহাখালী বাসস্টাণ্ড সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হাজী আবুল কালাম মানবজমিনকে বলেন, করোনা নিয়ে অবহেলা করা উচিত নয়। রাজধানীতে অনেকে সেটাই করছে। আমারা সচেতনামূলক কাজ করছি। দেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর থেকেই মহাখালী বাসস্টান্ডে আমার হাত ধোয়ার, স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা করছি। বাস সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছি। প্রতিটি বাসকে একদিন পর পর ক্লিন করার ব্যবস্থা করেছি। দুরপাল্লার বাসের সিটে জীবাণুনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। হাত পরিষ্কার করিয়ে যাত্রীদের পরিবহনে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত দিন

এক্সক্লুসিভ অন্যান্য খবর

৯৯৯-এ ফোন

ভোরে ট্রাক চুরি দুপুরে উদ্ধার

২৬ অক্টোবর ২০২০

মামলা জট

ঢাকায় ২,৪৭,৩৮০ ফৌজদারি মামলা ঝুলছে

২৪ অক্টোবর ২০২০

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

প্রাপ্তবয়স্ক ৩৫.৩% মানুষ তামাক ব্যবহার করেন

২৩ অক্টোবর ২০২০

দাম বাড়িয়ে ৩৫ করলো সরকার

আড়তে আলু নেই

২১ অক্টোবর ২০২০

দীর্ঘদিন পদোন্নতি না দেয়ায় পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে

২১ অক্টোবর ২০২০

দীর্ঘদিন পদোন্নতি না দেয়ায় পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। একই পদে ২৫ থেকে ...



এক্সক্লুসিভ সর্বাধিক পঠিত



দাম বাড়িয়ে ৩৫ করলো সরকার

আড়তে আলু নেই