আরিফ আজাদের যে স্ট্যাটাস আজহারীর টাইমলাইনে

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক ডায়েরি ৭ মার্চ ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:১৭

করোনা ভাইরাস নিয়ে বইমেলায় আলোচিত লেখক আরিফ আজাদের স্ট্যাটাস নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। ইতিমধ্যে তার এ ফেসবুক স্ট্যাটাসটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় শেয়ার দেয়া ওই লেখাটি ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ শেয়ার দিয়েছেন। লাইক পড়েছে  ৬৬ হাজার । এছাড়াও ওই লেখার বিষয়ে প্রশংসা করে মন্তব্য করেছেন প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মানুষ।

লেখক আরিফ আজাদের দেয়া করোনা ভাইরাস নিয়ে লেখা সেই আলোচিত স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘‘করোনা মানেই ‘মৃত্যু’ নয়, বাঁচতে হলে জানতে হয়-দেশি-বিদেশি মিডিয়া হাউজগুলোকে গত মাস দেড়েক ধরে খুব সুক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। দেশীয় মিডিয়া হাউজের কথা অবশ্য ধর্তব্যের বাইরে, কারণ এদের নিউজগুলোর মাঝে কোনো সৃজনশীলতা নেই। নেই নিজস্ব রিসার্চ, ডাটা। এরা যেখানে যা পায় তা-ই অনুবাদ করে ছেড়ে  দেয়।
তাই, গ্লোবাল সিরিয়াস ইস্যুতে সচেতন ব্যক্তিমাত্রই বিদেশি মিডিয়া হাউজগুলোর ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু, ‘করোনা’ ইস্যুত এই বিদেশি মিডিয়া, বিশেষ করে আমেরিকান মিডিয়াগুলোকে বেশ ইন্টারেস্টিং লাগছে আমার কাছে। তারা সারাদিন ‘করোনা’ কে তাদের লিড নিউজ হিশেবে দেখাচ্ছে, খবরের পাতা থেকে জিনিসটা সরাচ্ছেই না একদম। বিশ্বের কোনো প্রান্ত থেকে যদি করোনাতে কোনো একটা মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়, সঙ্গে সঙ্গে সেটা তুলে দিচ্ছে লিড নিউজে।
মিডিয়াগুলো করোনায় মৃতের সংখ্যা হাইলাইট করছে বলে আমি বিরোধিতা করছি না। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, করোনায় আক্রান্ত হাজার হাজার লোক প্রতিদিন সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরছে, এই নিউজটা লিড নিউজ হিসেবে দেখাচ্ছে না আমেরিকান মিডিয়াগুলো, বিশেষ করে সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমস।

এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুহার ২% এর কাছাকাছি। এই ২% এর পাশে আমি ইচ্ছে করলে ‘মাত্র’ শব্দ যোগ করতে পারতাম, কিন্তু করিনি। আমার কাছে একটা প্রাণের মূল্যও অনেক। কিন্তু ব্যাপার হলো, এই যে হাজার হাজার মানুষ করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরছে, এটা কেনো মানুষকে জানানো হচ্ছেনা?
আরেকটা ইন্টারেস্টিং ডাটা শেয়ার করি। করোনা নিয়ে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি হইচই করছে আমেরিকান মিডিয়া হাউজগুলোই। মুহূর্তে মুহুমূহু সংবাদ ছাপাচ্ছে তারা করোনা নিয়ে। এতে করে সারা পৃথিবীতে একটা প্যানিক ছড়িয়ে পড়েছে ভালোভাবে যে, করোনা ধরলে আর বুঝি রক্ষে নেই।
অথচ, করোনায় মৃতের সংখ্যার পাশাপাশি আমাদের যদি সুস্থ হয়ে উঠার ডাটাও মিডিয়া জানাত, তাহলে বোধকরি মানুষ এভাবে প্যানিক্ড হয়ে পড়তো না। মানুষ এখন ভাবছে, করোনা মানেই মৃত্যু।

কিন্তু, এই ফি বছর, খোদ আমেরিকাতেই নর্মাল ফ্লু’তে মারা গেছে বিশ হাজারের মতো মানুষ। একেবারে টাটকা খবর কিন্তু। নর্মাল ফ্লু মানে বুঝেছেন তো? এই যে জ্বর, সর্দি-কাশি ইত্যাদিতে। দেখুন, এই নর্মাল ফ্লুয়ের জন্য দুনিয়ায় হাজার রকমের প্রতিষেধক মজুদ আছে। আছে বাহারি রকমের চিকিৎসা।
এতোকিছু থাকা সত্ত্বেও, আমেরিকার মতোন দেশে এই ফ্লুতেই মারা গেছে বিশ হাজারেরও অধিক মানুষ। পুরো বিশ্বের হিসেব যে কি, তা তো বলার বাইরে।
অথচ, যে করোনাকে নিয়ে এতো হইচই মিডিয়া করছে, সেই করোনায় এখন পর্যন্ত মারা গেছে ২ হাজারের মতো। এই করোনার কিন্তু কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। কোনো প্রতিষেধক না থেকেও এতে মারা গেছে ২ হাজার, আর হাজার রকমের প্র্রতষেধক মজুদ থাকার পরেও নর্মাল ফ্লুতে আমেরিকায় নাই হয়ে গেছে বিশ হাজার।

তাহলে, কোনটাকে বেশি ডেঞ্জারাস মনে হচ্ছে ডাটানুসারে? কিন্তু দেখুন, আমেরিকার মিডিয়া এটা নিয়ে কোনো বাতচিত করছে না। তারা সারাদিন ওই এক করোনা নিয়েই আছে। এখানে কি তাহলে কোন ‘গেম’ চলছে? আমি জানি না।
‘করোনা আর মৃত্যু’ শব্দ দুটো শুনতে শুনতে আপনি নিশ্চয় ভয়ে কুঁকড়ে আছেন, না? তাহলে আপনাকে কয়েকটা আশার কথা শুনাই। হয়তো আপনার ভয়টা চলে যাবে। স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।
-এখন পর্যন্ত করোনাতে কোনো শিশুর মৃত্যু সংবাদ পাওয়া যায়নি। শিশু মানে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে ০-৯ বছরের কোনো শিশুর মৃত্যু ঘটনা দুনিয়ার কোথাও ঘটেনি। তাই, আপনার বাচ্চার ব্যাপারে বেশি ভয় পাওয়ার দরকার নেই। তবে, সতর্ক থাকতে হবে অবশ্যই।
- ১০-১৯ বছরের একজনের মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেছে এখন পর্যন্ত, তবে অনেকের মতে, সেটাও রহস্যজনক। আদৌ করোনায় কিনা, তা পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত না।
- করোনা আক্রান্ত ৭০,০০০ মানুষের ওপরে একটা স্ট্যাডি হয়েছে, যেখানে দেখা গেছে ৮১% মানুষের সর্দি-কাশি হচ্ছে করোনার ফলে, আবার সেরেও যাচ্ছে। সুতরাং, বিশ্বাস রাখুন, আপনার-আমার যদি করোনা হয়েও থাকে, সাধারণ জ্বর-সর্দির মতো তা আবার সেরেও যাবে, ইনশাআল্লাহ। আশা নিয়ে বাঁচুন, ভালো থাকবেন।
- ডাটা অনুসারে, করোনায় যারা মারা গিয়েছে, তাদের ৫০ ভাগের বয়স ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে। আর ৩০% এর বয়স ৬০-৬৯ এর মধ্যে। মানে, ৮০% লোক যারা মারা গেলো বা যাচ্ছে, তাদের গড় বয়স ৬০-৭০ এর উর্ধ্বে। আরো স্পষ্টভাবে, এই করোনায় বুড়োরাই মারা যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি। না, ভয় পাওয়ার কারণ নেই। বুড়ো হলেই যে করোনায় ধপাস করে মারা পড়ছে, তা কিন্তু নয়। রিসার্চে দেখা গেছে, বুড়োদের মধ্যে করোনায় যারা মারা যাচ্ছে, তারা প্রায় সবাই আগে থেকেই কোনো না কোনো রোগে আক্রান্ত, যেমন- ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ, অ্যাজমা, লিভার ইত্যাদি।
সব ডাটাকে একত্র করলে যা সারমর্ম দাঁড়ায় তা হলো, সুস্থ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাদের বেশি, তাদের ক্ষেত্রে করোনায় মারা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তাই, আশাহত হবেন না। মনে জোর রাখুন।
গত দু’দিন ধরে আমার নিজেরও হালকা হালকা গা গরম। মাঝে মাঝে মনে হলো, আমাকে বুঝি করোনাই পেয়ে গেলো। তো, আমি যদি এই ফ্যাক্টরগুলো সম্পর্কে না জানতাম, আমি কি ভাবতাম জানেন? আমি ভাবতাম, আমার যদি সত্যিই সত্যিই করোনা ধরা পড়ে, তাহলে সেদিন আমি আর বাসায় ফিরবো না। আমার মাধ্যমে আমার মা, স্ত্রী, সন্তান আক্রান্ত হবে, আমি এটা ভাবতেই পারি না। তো, কি করবো তাহলে? কক্সবাজারের দিকে চলে যাবো, কিংবা কোনো নির্জন পাহাড়ি অঞ্চলে। বাসায় কোনোভাবে ব্যাংকের কার্ডটা পাঠিয়ে বলবো, ‘বেঁচে থাকলে দেখা হবে’।
তো, বাঁচলে তো ফিরবো। যদি না বাঁচি। সম্ভবত আমার লাশটাও খুঁজে পাবে না আমার পরিবার। এই ভাবনাগুলো কোত্থেকে আসতো জানেন? প্যানিক থেকে। প্যানিক এতো ভয়ানক জিনিস। তাই, ভাইয়েরা, প্যানিক হবেন না। স্বাভাবিক জীবনযাপন করুন, কিন্তু অতি অবশ্যই সতর্কতার সঙ্গে।
এই যে বিশাল একটা লেখা পড়লেন, এই লেখার সারমর্ম কি? আমি কি করোনা নিয়ে হাসি তামাশা করছি? পাত্তা না দিতে বলছি?
না, মোটেও তা নয়। করোনাকে অবশ্যই পাত্তা দিতে হবে। সতর্ক হতে হবে। বাইরে বেরুলে মাস্ক পড়তে হবে, বারে বারে হাত ধুতে হবে, লোকারণ্য এলাকা এড়িয়ে চলতে হবে। সবই করতে হবে, কিন্তু প্যানিক হওয়া যাবে না। প্যানিক হলে স্বাভাবিক জীবনযাপন বিপর্যস্ত হবে ভীষণভাবে। তখন করোনায় আপনার মৃত্যুর সম্ভাবনা না থাকলেও, প্যানিক থেকে তৈরি ডিপ্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্রেশন আপনার মৃত্যুর সম্ভাবনা কিন্তু হুড়মুড় করে বেড়ে যাবে।
চলুন, সকাল-সন্ধ্যার যিকিরগুলো নিয়মিত করি। বেশি বেশি ইস্তিগফার করি। ভয় না পেয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করি।’’

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Anwar hossain

২০২০-০৩-২০ ০৫:১৫:২৫

Jakhan allah! Let us truly and exactly follow islamic indications, make dua and istighfar, correct ourselves. May Allah protect us from the GAJAB.

ওমর

২০২০-০৩-২০ ০৩:২১:০১

Epidemiological ও sociological ব্যাখ্যার মধ্যে ফারাক অনেক। আরিফ আজাদের লেখাটি পুরোপুরি sociological। ফ্লু নামক রোগ একটি সময়ে বের হয় এবং একটি সময় অবধি active থাকে। করোনা কত সময় অবধি বিরাজ করবে তা এখনও পরিস্কার নয়। করোনাতে ventilator ব্যবহার করার পরেও মৃত্যুর হার কেন এত বেশি সেটাও পরিস্কার নয়। ফ্লু তে কেন মৃত্যু হয় সেটা পরিস্কার। প্রতি ১০ জন করোনা আক্রান্ত ২২ জনকে সংক্রমিত করতে পারে, ফ্লু সংক্রমনের হার এর থেকে অনেক অনেক কম। আরিফ আজাদকে অনুরোধ করব যে SARS virus এ কত লোক মারা গেছেন সেই সংখ্যাটা জেনে নিবেন প্লিজ, তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে পশ্চিমা মিডিয়া কেন মৃত্যু সংখ্যা এত বেশি প্রচার করছে। এই virus মোকাবিলায় আমাদের হাতে তেমন কোন অস্ত্রই নেই, যা আছে তা অপ্রতুল, যত বেশি লোক ভয় পেয়ে বাসায় অবস্থান করবে virus এর বিস্তার তত প্রলম্বিত হবে এবং তত বেশি সময়ও পাওয়া যাবে। ঐ সময় টুকু আমাদের কিনতেই হবে। যে ভয় সাবধানতা বয়ে আনে সেটা অনেক উপকারি, যে আশা সাবধানতাকে বিলম্বিত করে তা পরিত্যাজ্য। মানুষ বোঝানো অপেক্ষা লোকসমাগম ঠেকানো এখন অনেক বেশি জরুরী, অনুধাবন করলে আমরাই লাভবান হব, এটাই আশা।

মাসুদ

২০২০-০৩-১৮ ০২:৫৮:৩২

আলহামদুলিল্লাহ একটু শান্তি পাইলাম

Shopon ahmed

২০২০-০৩-১৭ ২৩:৩৪:০৬

Thanks for information

Md sirajul Islam

২০২০-০৩-১২ ০৩:৩৮:৪৭

Insah Allah and soon thanks manobjomin

Md Ahaduzzaman Ahad

২০২০-০৩-০৯ ১২:১৫:৩৪

Thanks for better post. jajhakalla khair.

এম এ মাহমুদ

২০২০-০৩-০৭ ২১:৪৯:২৭

মা'শাল্লাহ, অনেক সুন্দর পর্যবেক্ষনমুলক লেখা। ধন্যবাদ লেখককে ও মানবজমিনকে। জা'জাকাল্লাহু খাইরান।

Faruk

২০২০-০৩-০৭ ১৯:৪১:১৭

thanks

এটিএম তোহা

২০২০-০৩-০৭ ০৫:৫২:৪৮

সত্যি বলতে কি, আমি নিজেই করোনা নিয়ে পেনিক হয়ে পড়েছিলাম। লেখাটি পড়ে খুবই উদ্দীপ্ত হলাম। মনে হয়েছে ধূর, করোনা কি একটি রোগ হল? আর সর্বাবস্থায় আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। ধন্যবাদ আরিফ আজাদ কে, ধন্যবাদ মিজানুর রহমান আজহারী কে।

হেলাল আহমেদ

২০২০-০৩-০৭ ০৫:১৮:২৬

আমি এক জন অতি সাধারন মানুষ, আমার সাধারন জ্ঞানে যেটা মনে হয়, করোনা একটা ভাইরাস মৃত্যু দুত নয়, তবে সাবধানতার বিকল্প নেই, কেন না এটা এক জন থেকে অন্য জনের ছড়িয়ে পড়ার মতো একটা ভাইরাস, তাই নিজে সাবধান হোন পরিবার কেউ সাবধানে রাখুন। আর সব থেকে বড় কথা হল আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন, আর নিজের উপর আত্মপ্রত্যয়ী হোন, মনে রাখবেন ভালো রাখার মালিক একজন " আল্লাহ " ভাল থাকুন সবাই এই প্রত্যাশায়,

mamun

২০২০-০৩-০৭ ০৫:০৪:২৩

Valuable message.

Mosharef Mir

২০২০-০৩-০৭ ১৮:০২:৫৭

Thanks for sharing

Md. Abdul Awaul

২০২০-০৩-০৭ ১৭:৪৪:১৯

সত্যি বলেছেন, মহান আল্লাহর উপর ভরসা করা উচিত । আল্লাহ সকল মুমীন মুমীনাদের হেফাজত করুন । আমাদের সকলকে পাঁচ ওয়াত্ত নামাজ পড়তে হবে, আমি বিশশাস করি পাঁচবার অজু করিলে করোনা ভাইরাস আক্নমন করিতে ারবেনা, করোনা ভাইরাস এর মহা ওষধ বেশি েশি অজু, এবং এছতাগফার পরতে হবে.

Md. Al-Amin

২০২০-০৩-০৭ ১৭:২৭:৩৬

অসংক্ষ ধন্যবাদ

নাছিরউদ্দীন

২০২০-০৩-০৭ ০৩:৪০:৫৭

মা'শা আল্লাহ। খুব সুন্দর ও আশাব্যঞ্জক কথামালা।আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। আমীন ইয়া রাব্বুল 'আলামীন।

Mohammad Saifuddin M

২০২০-০৩-০৭ ১৬:৩৪:৫৮

Ma-sha Allah. Its very good. May Allah bless you sir.... Also every time we will read ---- "Allah Humma Enni Auju-bika Minal Junun.. Oall Jujam.. Oall Barus.. Oall Sayel Askam".... (Nasaye- 5493). Allah will secure all Muslim .... Insha Allah.

নাজমুল হুদা

২০২০-০৩-০৭ ১৬:২৬:০৩

Mr Azhari, Always tries to modified of the peoples. Even if you have sent other people's writing on your Facebook page, millions of people will benefit from reading this article. Mr. Arif Azad's writing has gained a lot of importance through you. May Allah reward you and Arif Azad well.

Raju

২০২০-০৩-০৭ ১৬:০৭:০৮

জাজা কাল্লাহু খায়ের।

Kibria khan

২০২০-০৩-০৭ ০২:৪১:১০

সত্যি বলেছেন । মহান আল্লাহর উপর ভরসা করা উচিত । আল্লাহ সকল মুমীন মুমীনাদের হেফাজত করুন ।

আপনার মতামত দিন

ফেসবুক ডায়েরি অন্যান্য খবর

সমস্যা কি তাইলে বোরকায়?

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

শাইখুল হাদিস থেকে আল্লামা আহমদ শফী:

আল্লামা আহমদ শফীর পাশে একজন‌ও কি ভালোবাসার মানুষ নেই?

৪ সেপ্টেম্বর ২০২০



ফেসবুক ডায়েরি সর্বাধিক পঠিত

DMCA.com Protection Status