প্রথম পাতা
দেড় বছর পর ফিরলেন র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা হাসিনুর
স্টাফ রিপোর্টার
২০২০-০২-২৩
দেড় বছর নিখোঁজ থাকার পর বাড়ি ফিরেছেন র্যাবের সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসিনুর রহমান। শুক্রবার রাত ১১টায় তিনি মিরপুরের বাসায় ফিরেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাসিনুরের স্ত্রী শামিমা আক্তার। হাসিনুর রহমান র্যাবের ৭ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ছিলেন। পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম জানান, হাসিনুর রহমান বাসায় ফিরে এসেছেন। শুক্রবার রাতে তার স্ত্রী ফোন দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় তার স্ত্রীও তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারেননি। পুলিশের পক্ষ থেকেও দেখা করা যায়নি। এতোদিন তিনি কোথায় ছিলেন সেটিও জানা যায়নি। তাকে চিকিৎসকের কাছে নেয়া হবে। কিছুটা স্বাভাবিক হলে তার সঙ্গে কথা বলবো।
হাসিনুরের স্ত্রী শামীমা আক্তার জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার পরে বাসার কলিং বেলের শব্দ শুনে দরজা খুলে হাসিনুরকে দেখতে পান। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও তাকে মানিসকভাবে অনেকটা বিপর্যস্ত লেগেছে। তার উচ্চ রক্ত চাপও বাড়তি ছিল। পরে তাকে প্রেশারের ওষুধ দিয়ে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। এতোদিন কোথায় ছিলো কেমন ছিলো কিছুই বলেনি। হাসিনুর ফিরে এসেছে এটাই আমাদের কাছে অনেক কিছু। শারীরিক চেকআপের জন্য তাকে চিকিৎসকের কাছে নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
২০১৮ সালের ৮ই আগস্ট রাত ১০টার দিকে মিরপুরের পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসার সামনে থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে দুটি মাইক্রোবাসে ১৪/১৫ জন লোক তুলে নিয়ে যায় হাসিনুরকে। তিনি র্যাব-৫ ও র্যাব-৭ এর সাবেক কমান্ডিং অফিসার (অধিনায়ক) ছিলেন। সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় দণ্ডিত হয়ে পাঁচ বছরের জেল খেটে ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। এছাড়া বিজিবিতেও বেশকিছু দিন দায়িত্ব পালন করেছেন। হাসিনুর নিখোঁজের পরেরদিন র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেছিলেন, হাসিনুর রহমানের নিখোঁজের বিষয়টি নলেজে আছে। এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের পক্ষ থেকে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। হাসিনুর রহমানের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা র্যাবকে জানাতে অনুরোধ করেছিলেন তিনি। জানা গেছে, ২০০৯ সালের অক্টোবরে হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র শিক্ষক ও হিযবুত তাহরীরের উপদেষ্টা গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার হন। তার জবানবন্দি থেকেই হাসিনুর রহমানের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া যায়। তখন হাসিনুর রহমান র্যাব-৭ এর অধিনায়ক ছিলেন।
হাসিনুরের স্ত্রী শামীমা আক্তার জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার পরে বাসার কলিং বেলের শব্দ শুনে দরজা খুলে হাসিনুরকে দেখতে পান। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও তাকে মানিসকভাবে অনেকটা বিপর্যস্ত লেগেছে। তার উচ্চ রক্ত চাপও বাড়তি ছিল। পরে তাকে প্রেশারের ওষুধ দিয়ে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। এতোদিন কোথায় ছিলো কেমন ছিলো কিছুই বলেনি। হাসিনুর ফিরে এসেছে এটাই আমাদের কাছে অনেক কিছু। শারীরিক চেকআপের জন্য তাকে চিকিৎসকের কাছে নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
২০১৮ সালের ৮ই আগস্ট রাত ১০টার দিকে মিরপুরের পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসার সামনে থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে দুটি মাইক্রোবাসে ১৪/১৫ জন লোক তুলে নিয়ে যায় হাসিনুরকে। তিনি র্যাব-৫ ও র্যাব-৭ এর সাবেক কমান্ডিং অফিসার (অধিনায়ক) ছিলেন। সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় দণ্ডিত হয়ে পাঁচ বছরের জেল খেটে ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। এছাড়া বিজিবিতেও বেশকিছু দিন দায়িত্ব পালন করেছেন। হাসিনুর নিখোঁজের পরেরদিন র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেছিলেন, হাসিনুর রহমানের নিখোঁজের বিষয়টি নলেজে আছে। এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের পক্ষ থেকে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। হাসিনুর রহমানের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা র্যাবকে জানাতে অনুরোধ করেছিলেন তিনি। জানা গেছে, ২০০৯ সালের অক্টোবরে হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র শিক্ষক ও হিযবুত তাহরীরের উপদেষ্টা গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার হন। তার জবানবন্দি থেকেই হাসিনুর রহমানের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া যায়। তখন হাসিনুর রহমান র্যাব-৭ এর অধিনায়ক ছিলেন।