পরিবেশ ছাড়পত্রহীন স্থাপনা অপসারণে হাইকোর্টের রুল

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৩:১৫ | সর্বশেষ আপডেট: ৩:২২

পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সুয়ারেজ প্ল্যান্ট ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস ও অপসারণের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে  চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আজ বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ পৃথক পৃথক রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী, তাকে সহযোগিতা করেন সাঈদ আহমেদ কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

একইসঙ্গে ১২০ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতের অবৈধ দখল, নির্মাণ, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দূষণ, পৌর বর্জ্য ও ওয়ান টাইম ইউজ প্লাস্টিক যত্রতত্র ফেলা বন্ধ করতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির টাস্কফোর্সের সভায় কক্সবাজারের সংরক্ষিত এলাকায় ১০তলা সার্কিট হাউজ ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত কেন স্বেচ্ছাচারি ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সুয়ারেজ প্ল্যান্ট ছাড়া কক্সবাজার পৌর এলাকায় হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, মার্কেট ও বাণিজ্যিক কাঠামো নির্মাণ এবং কক্সবাজার পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পরিবেশ সচিব, বিমান ও পর্যটন সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, পানিসম্পদ সচিবসহ ২২ জনকে আগামী তিন মাসের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পরে আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবির জানান, কক্সবাজার জেলা সদর, মহেশখালী, টেকনাফ, রামু, চকোরিয়া, উখিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় উন্নয়ন বহির্ভূত ও সংরক্ষিত এলাকায় অবস্থিত পাহাড়, টিলা ও বনাঞ্চল দখল থেকে রক্ষায় বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

হঠাৎ জরুরি বৈঠকে ইসি

১৮ জানুয়ারি ২০২০

মির্জাগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষ

মহিলাসহ আহত-২

১৮ জানুয়ারি ২০২০

ধামরাইয়ে বাসচাপায় নিহত ১

১৮ জানুয়ারি ২০২০





অনলাইন সর্বাধিক পঠিত