অস্ট্রেলিয়ার দু’রাজনীতিককে ভিসা দেয়নি চীন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৩৯
সমালোচনার কারণে অস্ট্রেলিয়ার দু’জন রাজনীতিককে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে চীন। তবে শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যদি তারা চীনের সমালোচনার জন্য অনুতাপ বা দুঃখ প্রকাশ করেন তবেই তাদেরকে ভিসা দেয়া হবে। ওই দুই রাজনীতিক অ্যানড্রু হ্যাস্টি এবং জেমস প্যাটারসন সমালোচনা প্রত্যাহার করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। এ দু’নেতারই আগামী মাসে একটি স্টাডি ট্যুরে চীন যাওয়ার কথা ছিল। তারা অস্ট্রেলিয়া সরকারের সদস্য। চীনে যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
চীনের দূতাবাস বলেছে, তারা যদি চীনকে নিয়ে করা তাদের মন্তব্য নিয়ে মনেপ্রাণে অনুতাপ প্রকাশ করেন তাহলেই তাদেরকে চীন সফরে যেতে দেয়া হবে। কিন্তু দূতাবাসের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন তারা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণশীল এই দু’রাজনীতিক চীনের কড়া সমালোচক। তারা চীনের মানবাধিকার রেডর্ক তুলে ধরে সমালোচনা করেন। তা ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে চীন হস্তক্ষেপ করে বলেও তাদের অভিযোগ আছে। তবে তৃতীয় একজন এমপি’র ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হয় নি। তিনি হলেন লেবার দলের ম্যাট কেউফ। এখানে উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আভ্যন্তরীণ বিষয়ে চীনের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক চলমান। ডোনেশন বা দানের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বেইজিং- এমন অভিযোগ করেছেন কোনো কোনো রাজনীতিক। অন্যরা মনে করেন, এই অভিযোগের মধ্য দিয়ে অহেতুক বিদেশীভীতি ছড়িয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এমপি হ্যাস্টি এবং প্যাটারসনের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করার পর চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, অনাকাঙ্খিতভাবে যে বা যারা চীনের বিরুদ্ধে আক্রমণ করবে তাদেরকে স্বাগত জানায় না চীন। এমন অভিযোগকারী ব্যক্তিরা যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মন্তব্য ও ভুলের জন্য ক্ষমা না চাইবে, চীন ইস্যুতে যুক্তপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ না করে, চীনা সিস্টেমের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখায়, চীনা জনগণের পছন্দের উন্নয়নকে পছন্দ না করে তাদেরকে চীন স্বাগত জানায় না। তবে আলোচনা ও মত বিনিময়ের দরজা সব সময়ই খোলা। এমন বিবৃতির জবাবে এমপি হ্যাস্টি স্থানীয় মিডিয়াকে বলেছেন, তিনি চীনের এমন প্রস্তাবে হতাশ হয়েছেন, বিস্মিত হন নি। সিনেটর জেমস প্যাটারসন এবং আমি অনুশোচনা বা দুঃখ প্রকাশ করবো না। আমরা অস্ট্রেলিয়ার সার্বভৌমত্ব, আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের স্বার্থ এবং জনগণের অবস্থানের সঙ্গে আপোষ করে কোনো দুঃখ প্রকাশ করবো না।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Ni

২০১৯-১১-১৯ ০৩:৩১:৪৩

China ekta desh holo, china chor. Batpar er desh, chinar manush australia gie vikkha kore dhora porese. Chita manosera ekhono ghorer bahire toilet kore. 90% manusher life style nimno serenir. Australiar manusera visa dara oboido vabe deser bahire thake na, kinto chinar msnusera thake.

আপনার মতামত দিন

মিছিলে না যাওয়ায় পিটিয়ে হল থেকে বের করে দেবার অভিযোগ

সৌদিতে একই দরজা দিয়ে রেস্টুরেন্টে ঢুকতে পারবে নারী-পুরুষ

চট্টগ্রাম-৮ উপ নির্বাচনে মনোনয়ন কিনলেন বিএনপির দুই নেতা

আমরা ন্যায়বিচার চাই: খন্দকার মাহবুব হোসেন

পুরুষ ক্রিকেটের জয়ে ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেল কাঠমান্ডু

দেশীয় সংস্কৃতি কম থাকার জন্য সময়স্বল্পতাকে দুষলেন পাপন

৩৪ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সারা মারিন

লাভা উদগীরণে নিউজিল্যান্ডে নিহত ৫, নিখোঁজ অনেক

মামলাটি দ্রুত এগুচ্ছে এটিই ইতিবাচক দিক

পরিবেশ ছাড়পত্রহীন স্থাপনা অপসারণে হাইকোর্টের রুল

আজ মুখোমুখি বসছেন পুতিন-জেলেনস্কি

“শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞানার্জনের জন্য, লাশ হতে নয়”

সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৬

হারিরিই হতে পারেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী

উইন্ডিজদের বিরুদ্ধে হারের কারণ জানালেন কোহলি

অধ্যাপক অজয় রায় আর নেই