বাংলাদেশে ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন

শেষের পাতা

তামান্না মোমিন খান | ১০ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৪১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক বলেছেন সন্তান হারানোর দুঃখ কি সেটা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। প্রত্যেকটা পরিবারের স্বপ্ন থাকে তার সন্তান বড় হয়ে সংসারের হাল ধরবে। পরিবারে আর্থিক উন্নয়ন ঘটাবে। যখন সেই সন্তানকে হত্যা করা হয়, তখন সেই পরিবারের সকল স্বপ্নেরও মৃত্যু ঘটে। চারদিকে সবাই বিচার দাবি করে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। কিন্তু বিচার আর হয় না। বাংলাদেশের যে বিচারব্যবস্থা এখানে ন্যায়বিচার পাওয়া খুব কঠিন।
তাই আমি একজন সন্তানহারা বাবা হয়ে আবরারের বাবাকে বলবো, বিচার হলো কি হলো না সেটা নিয়ে যেন তিনি না ভাবেন। সর্বত্র যেন শুভবুদ্ধির উদয় হোক এটাই শুধু আমরা কামনা করতে পারি।

মানবজমিনকে তিনি বলেন, আসলে রাষ্ট্রের পরিচালনা ঠিক নেই। রাজনীতি দুর্নীতিগ্রস্ত। এই দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতির মধ্যে সরকার কোনো কিছু ঠিকমতো চালাতে পারছে না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করছে না। যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে সেই সরকারের ছাত্র সংগঠনগুলো দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে উঠে। এর আগেও সরকারসমর্থনপুষ্ট ছাত্র সংগঠন কর্তৃক হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এখন সরকারের ছাত্র সংগঠনগুলোর খারাপ ভূমিকা আরো বেড়ে গেছে। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে। আবরারকে হত্যা করা হয়েছে ফেসবুকে ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস দেয়ার কারণে। তার মৃত্যুর পর আবার তাকে বলা হলো সে শিবির করে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

যানবাহনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে

ক্রিকেটারদের ধর্মঘট ষড়যন্ত্রের অংশ

যেভাবে কোটিপতি ‘পলিথিন তবারক’

কীভাবে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করতেন সম্রাট?

ক্রিকেটারদের আন্দোলনে ফিকা’র সমর্থন

দুদকের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু

ইডেন টেস্টে উপস্থিত থাকবেন শেখ হাসিনা

‘আমার মনে হয় বোর্ডের সবাই ব্যর্থ’

বিশ্বনাথে পংকি খান ও ফারুককে নিয়ে জল্পনা

পদ্মা সেতুর ১৫তম স্প্যান বসলো

ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করাতে জনসনের শেষ প্রচেষ্টা

এনু-রূপণের ৩৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

মাদক-দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে জিরো টলারেন্স: যুবলীগ

সাদাতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের বিক্ষোভ

বাংলাদেশ উন্নয়নের মডেল: আইনমন্ত্রী