‘ছাত্রলীগ নেতাদের বহিষ্কারেই বোঝা যায় দেশে কতটা দুর্নীতি চলছে’

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৫০
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বহিষ্কারে এটাই প্রমাণ করে যে, কি হারে দেশে দুর্নীতি চলছে। এটা তো মাত্র একটা প্রকাশ পেয়েছে। দুর্নীতির কারণে একটা সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কে বহিষ্কার করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এতে বুঝা যায় এদেশের দুর্নীতি কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে।
গতকাল বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র অনেক ধরণের। এরমধ্যে রয়েছে নির্বাচনী গণতন্ত্র, নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র ও রুদ্ধদ্বার গণতন্ত্র। বাংলাদেশে এখন নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র চলছে।
দেশে নির্বাচন একটা হচ্ছে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচন করে ক্ষমতা দখলে নিয়ে নিজেদের মতো করে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করছে। ২০০৭ সালের এই দিনটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এবারের গণতন্ত্রের দিবসের থিম হচ্ছে অংশীদারিত্ব। এই থিমটার মধ্যে আমি কিছুটা অভাব লক্ষ্য করি। শুধু অংশীদারীত্ব হলেইতো আর গণতন্ত্র হতে পারে না। গণতন্ত্রে অংশীদারিত্ব বিষয়টা বুঝায় জনগণের অংশগ্রহণ। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে বলতে হচ্ছে আমরা এমন একটা দিনে গণতন্ত্র দিবস পালন করছি যেখানে আমাদের দেশে অংশীদারিত্ব বিষয়টা একবারেই অনুপুস্থিত হয়ে গেছে। একটি মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়া কারাবাস করছেন। বিশ্ব গণতন্ত্র দিবসে বাংলাদেশে এর চেয়ে প্রহসন আর কি হতে পারে। ২০০৭ সালে বাংলাদেশে একটা অগণতান্ত্রিক সেনা সমর্থিত সরকার ক্ষমতা দখল করে। সেদিন থেকেই প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্রহীনতার কাজগুলো শুরু হয়।

তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্র বলতে কিন্তু একটা দেশের নির্বাচনকেই বুঝায় না। গণতন্ত্র বুঝায় গোটা সিস্টেমটাকে গণতান্ত্রিক করতে হবে। এটা একটা দেশে যদি এর অভাব থাকে তাহলে ওই দেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ কখনোই পাবে না। আমরা যে মুক্তিযুদ্ধ করেছি এই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই ছিল গণতন্ত্রের চেতনা। আজকে স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছরে এসে শূন্যতা অনুভব করছি। কোথায় সেই গণতন্ত্র? যেটার স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম। তাহলে স্বাধীনতার কি আদো মূল্য আছে? এই প্রশ্নের জবাব কে দেবে।
ফখরুল বলেন, আজকের এই দিনে আমি পরিস্কার করে বলতে চাই গণতন্ত্রের বিষয়ে আমাদের দলের কমিটমেন্ট ছিল শতভাগ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছেন। তিনি সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। অর্ধ অর্থনীতিকে তিনি মুক্ত করে দিয়েছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। এই দিনটিকে স্মরণ করে আসুন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি, উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা নির্মাণের লক্ষ্যে দল মত নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা যে চেতনার জন্য একত্র হয়েছিলাম সেই লক্ষ্যে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই। এবং ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে আমরা বদ্ধ পরিকর।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান. নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০১৯-০৯-১৫ ১৯:০৮:০৫

5 times champion of corruption. They never take action against corruption to hide them from public eyes. But finally they could not hide it from international evaluations, and caretaker government.

আপনার মতামত দিন

মেঘনায় পুলিশ-জেলে সংঘর্ষ, আহত ৬

স্ত্রীর চাকরি করছেন স্বামী

বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে, তোলপাড়

রোহিঙ্গা যুবককে গলা কেটে হত্যা

কোটচাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন

ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন এএসআই

১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া রিটের শুনানি আগামীকাল

বাবরি মসজিদকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় নিরাপত্তা জোরদার

ইরান ও সৌদি আরবকে জোড়া লাগাতে পারবেন ইমরান!

ছাত্রলীগ থেকে অমিত সাহা বহিষ্কার

‘শিবির সন্দেহেই আবরারকে পিটিয়ে হত্যা’

চীনকে বিভক্ত করার চেষ্টা করলে হাড় গুঁড়ো করে দেবো

‘যার জমি আছে, ঘর নেই’ প্রকল্পে নয়ছয়

কাজ না করেই ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ

সিরিয়া সরকার ও কুর্দিরা এক হয়ে যুদ্ধ করবে তুরস্কের বিরুদ্ধে

যুদ্ধাপরাধ মামলায় গাইবান্ধার ৫ জনের রায় আগামীকাল