ভারতে এক মাসব্যাপী ভোটের সমাপ্তি

পশ্চিমবঙ্গে গুলি বোমা, সংঘর্ষ

শেষের পাতা

কলকাতা প্রতিনিধি | ২০ মে ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩১
ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের সমাপ্তি হয়েছে। রোববার সপ্তম তথা শেষ দফায় ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৯টি কেন্দ্রে মানুষ প্রখর রোদের তাপ উপেক্ষা করে ভোট দিয়েছে। এদিনও বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ইভিএম খারাপ থাকায় ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।  রোববার ভোট হয়েছে বিহারের ৮টি, চণ্ডীগড়ের ১টি, হিমাচল প্রদেশের ৪টি, ঝাড়খণ্ডের ৩টি, মধ্য প্রদেশের ৮টি, পাঞ্জাবের ১৩টি, উত্তর প্রদেশের ১৩টি ও পশ্চিমবঙ্গের ৯টি আসনে। শেষ দফার ভোটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, বিজেপির অভিনেতা সানি দেওল, কিরণ খের, কংগ্রেসের শত্রুঘ্ন সিনহা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার শিবু সোরেন, তৃণমূল কংগ্রেসের অভিনেত্রী নুসরত জাহান, মিমি চক্রবর্তী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সিপিআইএমের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যসহ ৯১৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে। ভারতে এবার সাত দফায় লোকসভার ভোট নেয়া হয়েছে। এদিনের ভোটের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে এক মাসব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। ফল প্রকাশ হবে ২৩শে মে।

শেষ দফায় বিহার ও পাঞ্জাবের কয়েকটি জায়গায়  বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
তবে পশ্চিমবঙ্গে ভোটে ব্যাপক অশান্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন রাজ্যের ভোটের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা সত্ত্বেও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দিনভর গুলি, বোমা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট দেয়া এবং ভোটারদের ভোট দানে বাধা দেয়ার অসংখ্য অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। তিনজন বিরোধী প্রার্থী এদিন শাসক দলের কর্মী-সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এই দফাতেও কেন্দ্রীয বাহিনীর বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ করেছে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিজেপিকে ভোট দিতে ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন। অনেক জায়গায় প্রার্থীকে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে বাধাও দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, কেন্দ্রীয বাহিনী মানুষকে অত্যাচার করেছে। এমন ঘটনা আগে কখনও দেখিনি। দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মালা রায় এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর আচরণের বিরুদ্ধে থানার সামনে ধরনাও দিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোট হয়েছে কলকাতা ও দুই ২৪ পরগণা জেলার  উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর, দমদম, বসিরহাট, বারাসত, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর ও জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রে। এছাড়া চারটি বিধানসভা কেন্দ্রেরও উপনির্বাচন একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাটপাড়া, দার্জিলিং, ইসলামপুর ও হবিবপুরের বিধানসভার উপনির্বাচনেও ব্যাপক অশান্তি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গোলমাল হয়েছে ভাটপাড়া কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গায়। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপকভাবে বোমা পড়েছে। এদিকে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমন অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন শেষ হলেই পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ভোটারদের ওপর আক্রোশ বশত আক্রমণ নামিয়ে আনতে পারে। তিনি বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে জানা গেছে, বহু জায়গাতেই বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের ভোট দিতে দেয়া হয়নি। তাই এই আশঙ্কা থেকেই বিজেপি আদর্শ আচরণ বিধি লাগু থাকা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী রাখার দাবি জানিয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই সহোদরের মৃত্যু

যৌন সুবিধা চাওয়া পুরুষের সংখ্যা অগণিত- ম্যাডোনা

বিএনপি নেতা হাসান মামুন গ্রেপ্তার

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

ফুলপুরে তিন যমজ বোন নিখোঁজ

‘এখনো অভিনয়ের ক্ষুধা মরে যায়নি’

জনবান্ধব-আওয়ামী লীগ

প্রত্যাখ্যান-গণফোরাম

সহায়ক -এফবিসিসিআই

মুশফিককে নিয়ে শঙ্কা

হঠাৎ ডেঙ্গু, ১৫ দিনে আক্রান্ত দুই শতাধিক

সীমান্ত হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত

জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ইকোসকের সদস্য নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ

হয়রানিতে সতর্ক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে বিএনপি স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক

ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াহেদ ম্যানশনে রাতের আঁধারে চলছে নির্মাণ কাজ