রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রিনসিটি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত দাবি বিশিষ্টজনদের

অবিশ্বাস্য লুট তোলপাড়

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ মে ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৪৩
অবিশ্বাস্য। অকল্পনীয়। লুটের এমন ঘটনা দুনিয়ার ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেছে কি-না কে জানে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ঘটেছে  অকল্পনীয় এ ঘটনা। প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের থাকার জন্য নির্মিত ভবনে আসবাবপত্র কেনা আর তা ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ দেখে তাজ্জব সবাই। এমন বেহিসাবি কারবারে সোশ্যাল মিডিয়াতেও বইছে ঝড়। কেউ কেউ কৌতুক করে বলছেন, বাহুবলি সিনেমার নায়কও বাংলাদেশে আসছেন, বালিশ তোলার কাজ করতে। অনেকে আবার, বিসিএসের পড়াশুনা বাদ দিয়ে বালিশ তোলার কাজ খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন।
বিশিষ্টজনেরা বলছেন, সরকারি অর্থের হরিলুট হচ্ছে, এটা বিভিন্ন সময়ে প্রমাণীত হয়েছে। কিন্তু এমন অবিশ্বাস্য কাহিনী এটা একেবারেই মেনে নেয়া যায়না।  বিষয়টি তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দাম আর ওঠানোর খরচে বিশ্ব রেকর্ড: ফ্ল্যাটের জন্য বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনতে আর ফ্ল্যাটে তা তুলতে কেমন খরচ পড়েছে তা একবার চোখ বুলিয়ে দেখা যাক। প্রতিটি বালিশ কেনায় খরচ পড়েছে ৫৯৫৭ টাকা। আর প্রতিটি বালিশ ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ হয়েছে ৭৬০ টাকা। প্রতিটি বিছানা কেনায় ব্যয় দেখানো হয়েছে ৫৯৮৬ টাকা। আর ওঠানোর ব্যয় দেখানো হয়েছে ৯৩১ টাকা। চাদর ও বালিশ কেনা হয়েছে ৩৩০টি করে।  খাট প্রতি কেনায় খরচ হয়েছে ৪৩৩৫৭ টাকা। আর ওঠানোর ব্যয় ১০৭৭৩ টাকা। খাট কেনা হয়েছে ১১০টি। একটি বৈদ্যুতিক চুলা কেনার খরচ পড়েছে ৭৭৪৭ টাকা। আর ওই চুলা ওঠাতে ব্যয় হয়েছে ৬৬৫০ টাকা। প্রতিটি বৈদ্যুতিক কেটলি কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫৩১৩ টাকা। আর ওঠানোর খরচ ২৯৪৫ টাকা। রুম পরিষ্কারের একটি মেশিন কিনতে সংশ্লিষ্টরা খরচ দেখিয়েছে ১২০১৮ টাকা। আর ওঠাতে খরচ দেখিয়েছে ৬৬৫০ টাকা। প্রতিটি ইলেক্ট্রিক আয়রন কিনতে খরচ পড়েছে ৪১৫৪ টাকা। আর ওঠানোর খরচ ২৯৪৫ টাকা। টেলিভিশন প্রতিটির দাম ৮৬৯৬০ টাকা। আর ওঠানোর খরচ ৭৬৩৮ টাকা। টেলিভিশন কেনা হয়েছে ১১০টি। সেগুলো রাখার জন্য আবার কেবিনেট করা হয়েছে ৫২ হাজার ৩৭৮ টাকা করে। ফ্রিজের দাম দেখানো হয়েছে প্রতিটি ৯৪২৫০ টাকা। আর ওঠাতে খরচ পড়েছে ১২৫২১ টাকা। ওয়ারড্রোব প্রতিটি কেনায় খরচ দেখানো হয়েছে ৫৯৮৫৮ টাকা। ওঠাতে খরচ পড়েছে ১৭৪৯৯ টাকা। মাইক্রোয়েভ প্রতিটি কেনায় ব্যয় ৩৮২৭৪ টাকা। খরচ হয়েছে ৬৮৪০ টাকা। প্রতিটি  সোফা কেনা হয়েছে ৭৪ হাজার ৫০৯ টাকায়, ভবনে ওঠাতে খরচ হয়েছে ২৪ হাজার ২৪৪ টাকা করে। ১৪ হাজার ৫৬১ টাকা করে কেনা সেন্টার টেবিলের প্রত্যেকটি ভবনে তুলতে লেগেছে ২ হাজার ৪৮৯ টাকা। ছয়টি চেয়ারসহ ডাইনিং টেবিলের প্রতিটি সেট কেনা হয়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ৬৭৪ টাকায়। ভবনে তুলতে লেগেছে ২১ হাজার ৩৭৫ টাকা করে।

জড়িত কারা: সরকারি টাকার এই রেকর্ড লুটপাটে নাম এসেছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের পাবনা পূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় মূল প্রকল্প এলাকার বাইরে হচ্ছে গ্রিনসিটি আবাসন পল্লী। ওই পল্লীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য ২০ তলা ১১টি ও ১৬ তলা আটটি ভবন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ২০ তলা আটটি ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্মাণ সম্পন্ন হওয়া নয়টি ভবনের ৯৬৬টি ফ্ল্যাটের জন্য আসবাবপত্র কেনা শেষ হয়েছে। এর মধ্যে একটি ২০ তলা ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে ওঠাতে সব মিলে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা। প্রকল্পের নথি বিশ্লেষণে পাওয়া গেছে দাম আর ওঠানোর ওই রেকর্ড। তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, নিয়ম  মেনেই কেনাকাটা করা হয়েছে।

হরিলুট চলছে কেউ দেখার নেই: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, এমন ঘটনা যদি সত্য হয় তাহলে তো খুবই বিপদের কথা। এমন হরিলুট চলছে অথচ  দেখার কেউ নেই, শুনার কেউ  নেই, কোনো স্বচ্ছতা নেই। তা তো পরিষ্কার। দেশে বর্তমানে কোনো কিছুই স্বচ্ছ নয়। দেখেন সংসদে যে কাজ গুলো করার কথা সেগুলো হচ্ছে কিনা। দেশে আইনের শাসন আছে কিনা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা  থাকতে হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার যে প্রতিষ্ঠান গুলো আছে সেগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। পার্লামেন্টের কমিটিগুলোকে এক্টিভ করতে হবে। যে পার্লামেন্টে বিরোধী দল থাকে না, সে পার্লামেন্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। তাছাড়া পার্লামেন্টের যে কমিটি গুলো আছে তাদের তো কোনো কথা শুনি না আমরা। পার্লামেন্টে কোনো বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না। ওয়াক আউট হয় না, কোনো প্রশ্ন হয় না, নিয়ম, অনিয়ম নিয়ে কথা হয় না। তাহলে তো এমন অবস্থা হবেই। সরকারের উচিৎ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এত উন্নয়ন এভাবে না করে টেকসই উন্নয়ন করা উচিৎ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ঘটনার সত্যতা যদি থাকে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর যদি এমন দুর্নীতির ব্যবস্থা না নেয়া হয় তাহলে দুর্নীতির অবস্থা দিনে দিনে বাড়তে থাকবে। শুধু কেস করে ঝুলিয়ে রাখলে হবে না, যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, এসব  দুর্নীতি এবং অস্বচ্ছতার কারণেই হলো দেশে সুশাসন নেই । দেশে যে আইন আছে সে আইনের কার্যকারীতা নেই। যার যার দায়িত্ব পালনের অগ্রগতি নেই।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারজ্জামান বলেন,  বিষয়টি যদি নির্ভরযোগ্য হয়, ঘটনাটি অন্ত্যত দুঃখের এবং উদ্বেগের বিষয়। কারণ সরকারের এত বড় হাই প্রোফাইলের একটি প্রকল্পের একটি অংশে এত বড় দুর্নীতির বিষয়টি সবাইকে ভাবিয়ে তুলে। সরকারের এসব অর্থ তো বাস্তিবক অর্থে জনগণের অর্থ। এ ধরনের জালিয়াতি অনিয়ম সরকারকে বিব্রত করার জন্য যথেষ্ঠ। এখন এসবের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করতে হবে।   এধরনের অস্বচ্ছতার কারণ গুলো হচ্ছে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রন না থাকা। এ প্রকল্প গুলো মানেই হচ্ছে কিছু কর্মকর্তারা সুযোগে দুনীর্তি করে নিজের অর্থ সম্পদের বিকাশ ঘটায়।

‘সাপ্তাহিক’ সম্পাদক গোলাম মোর্তুজা তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন , বালিশ কেনা-উঠানোর খরচ দেখে যারা অবাক হচ্ছি, তারা হয়ত কল্পনাও করতে পারছি না, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আসলে কী ঘটছে! রাশিয়া থেকে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ঋণ নিয়ে চলছে এই প্রকল্প। ঋণের টাকা কীভাবে খরচ হচ্ছে, তা তো বোঝাই যাচ্ছে প্রযুক্তি লোকবল সবই বিদেশি। কোন শর্তে ঋণ নেয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অজানা। সম্পূর্ণ অস্পষ্ট নিরাপত্তার দিকটিও। এত ভয়াবহ অনিয়ম-দুর্নীতি ও অনিরাপদ প্রকল্প বিষয়ে দেশের মানুষ হিসেবে আমরাও বেশ নির্বিকার!



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

শাহজাহান

২০১৯-০৫-১৮ ১৫:১৫:১২

বার্ষিক বাজেটের ১/৪ অংশ যদি উন্নয়ন কাজে খরচ হইত তাহলে দেশের চেহারা রাতারাতি পাল্টে যাইত এবং আমরা যারা বিদেশে আছি দেশে গিয়ে কোন কিছু করে খেতে পারতাম এবং পরিবার পরিজন ছেঁড়ে বিদেশে থেকে থেকে টেনশনে হার্ট এ্যাটাক করে মরতে হতো না ৷ শুনি দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে কিন্তু ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে (বাসে) যখন ১০ ঘন্টা লাগে তখন বুঝতে পারি উন্নয়ন কার হয়েছে ৷ ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের যা দূরত্ব তা আমরা বিদেশে দেড় ঘণ্টায় যেতে পারি ৷ দূর্নীতি রোধ করার আবেদন কার কাছে করব জানিনা তবে প্রভুর কাছে বলব তাদের যেন কঠিন শাস্তি দুনিয়াতে হয়, দূর্ণীতি বাজদের ছেলে মেয়ে যেন বিকলাঙ্গ হয় এবং পারিবারিক অশান্তি যেন লেগে থাকে ৷

Kamal hussain

২০১৯-০৫-১৮ ০৬:৫৩:৪৩

Digital project digital theft. Bhai they need to make home in American or Malaysia for the future safety.

শেলী

২০১৯-০৫-১৮ ০৫:২৩:২২

ডিজিটেল দেশে সব কিছুই চলে. সরকারের উপরের লোক থেকে নীচের সবাই এর সাথে জড়িত .

shahabuddin

২০১৯-০৫-১৮ ০৪:৩৭:৪১

সরকারে উপর মহলেকে না জানিয়ে কি ৫০০ টাকার বলিস ৭৫০০ -৮০০০ টাকায় কেনা হয় ? মোটেওনা তবে এই রকম ১/২ টি সরবরাহ সরকারের নিকট করা গেলে সরবরহ কারীর ১৪ জন্ম সরবরাহ ব্যবসা না করলে ও চলিবে সরকারে এত ছোট খাট বিষয় দেখার লোক কোথায় . আল্লাহ আমাদে সরকারী অফিচার দের হেদায়েত না করলে এর থেকে অনেক বরবর সরকারি টেন্ডার অনিয়ম রোদ কারার নির পেক্ষ কেউ নেই আল্লাহ আমাদের দুর্নিতর অবিশাপ মক্ত করন আমিন

Ibrahim khalil

২০১৯-০৫-১৭ ১৫:৩২:১১

হুদাই আপনারা এগুলি প্রকাশ করে শত্রু হচ্চেন,কোন কিছুতো হবেই না উলটা আম পাবলিক কে ২দিন আগুন/কয়লা/নদী ইত্যাদি নিয়া গবেষনাগার খুইলা দিলেন%!!তারপর ৩য় দিন ওহে ভাই, জুনা খাইলে গুনা নাই

Mustafa Ahsan

২০১৯-০৫-১৭ ১৩:৫৭:২৩

ধন্যবাদ মানবজমিন কে সাহসি সংবাদটি প্রকাশ এর জন্য।সেই সাথে এও লিখছি এ ধরনের লুটপাটের সাথে জড়িতদের সনাক্ত করা এবং তাদের সম্পদ ব্যংকের একাউন্ট জব্দ করতে সরকারের সদিচ্ছাই যথেষ্ট।প্রথম খোজ নিতে হবে এখানে কতজন জড়িত এবং এরা কতবৎসর ধরে এচাকরীতে আছেন ,তাদের জয়েনিং ডেইটে তাদের মাসিক এবং বাৎসরিক বেতন কত ছিল তাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা থেকে প্রতিমাসের খরচ এর গড় আয়ব্যয়ের হিসাব চাকুরীতে জয়েন এর পূর্বে ব্যংকের জমা এবং অন্য কোন আয় ইনকাম ছিল কিনা তার পূরপর বিস্তারিত বিবরন এবং বর্তমান চাকুরীর শেষ সময় (মানে ইনভেস্টিগেশন এর সময়কালে) উনাদের বর্তমান ব্যংকের হিসাবে কত আছে এবং জমি জমা বাড়ি গাড়ি সোনাদানার সাথে পূর্বের সম্পদ বিবরনির যা অমিল পাওয়া যাবে তা দিয়েই তাদের বর্তমান অন্যায় অসৎ কাজের বিচার করে সমস্ত সম্পদ সরকারের অনুকুলে বাজেয়াপত করতে সহজ হবে।

জাফর আহমেদ

২০১৯-০৫-১৭ ১৩:০৪:৪৭

সংবাদ পড়ে মনে হলো আসলেই আমরা কোন এক অসভ্য সমাজে বাস করছি। এই দেশটা কিছু অসাধারণ চোরের দখলে চলে গেছে।আর ঐ চোর গুলো এত শক্তিশালী যে তাদের কাছে সরকার ও বড় অসহায়। সরকার তাদের কিছুই করতে পারে না। কারণ তাঁরাই তো সরকার কে গদিতে বাসায়।

হাবিবুর রহমান

২০১৯-০৫-১৭ ১১:৩৭:৪৪

সরকারি সব প্রকল্পের একই অবস্থা।কৃষক প্রতিমন ধান উৎপাদন করতে ৫০০টাকা লোকশান দিচ্ছন আর সরকারি কর্মচারিরা একটা বালিশ কিনতে ৬০০০টাকা মুনাফা করছে, এই হচ্ছে দেশের উন্নয়ন।

Shafi uddin didar

২০১৯-০৫-১৭ ১১:২৭:৩৪

১কাপ চা সাধারণ রেষ্টুরেন্টে খেতে গেলে লাগে ১০টাকা। এই ১ কাপ চা এর মূল্য ৫তারকা রেষ্টুরেন্টে হবে ২০০/৩০০টাকা। যায়গা বুঝে দাম। বুঝতে হবে যে এটা একটা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প ! এখানে প্রতিটি বালিশ কেনায় খরচ পড়েছে ৫৯৫৭ টাকা এবং প্রতিটি বালিশ ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ হয়েছে ৭৬০ টাকা - ঠিকই আছে!! কীসের লুটপাট !! প্রকল্পের টাকা যখন বিদেশীরা খেয়ে ফেলে তখন তো কারো দোষ হয় না !!

আপনার মতামত দিন

বিশেষ বরাদ্দের চাল-গমের জন্য তদবিরবাজদের ভিড়

বিজয়নগরে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছিমা বিজয়ী

ভাগ্নে অপহরণের ‘তদন্তে’ সোহেল তাজ

দুই মামলায় আটকে আছে খালেদার মুক্তি

ইফায় অচলাবস্থা, ডিজির পদত্যাগ দাবি কর্মকর্তাদের

কমিউনিটি ক্লিনিকে আরো ১২০০০ কর্মী নিয়োগ হচ্ছে

ক্রাইম পেট্রোল দেখে খুন, অতঃপর...

৫ স্কুলছাত্রীসহ ৭ নারী ধর্ষিত

ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন বিলম্বে দেয়ায় চিকিৎসককে তলব

অর্থমন্ত্রী বাসায় ফিরেছেন

বিচারাধীন মামলা ৩৫ লাখ ৮২ হাজার

মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০০০ সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

এক মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ

রাষ্ট্র ও বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা হারিয়ে গেছে

রংপুরে জেলা পরিষদের প্রায় অর্ধকোটি টাকা লুটপাট