বাংলারজমিন
তালতলীতে বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ
তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
২০২০-০৪-১৬
বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নবম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযোগ পাওয়া গেছে । পুলিশ বলছে স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয় গেছে ।
পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের আগাপাড়া এলাকার স্কুল পড়ুয়া মেয়ের সাথে প্রতিবেশী শানু মোল্লার ছেলে আউয়ালের দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। বিয়ের প্রলোভনের কথা বলে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আউয়াল। এক পর্যায় স্কুল ছাত্রী বিয়ের কথা বললে আউয়াল বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। বিয়ের দাবিতে বিভিন্ন সময় আউয়ালের বাড়িতে প্রস্তাব পাঠালে ভিক্ষুকের মেয়ে বলে ফিরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বললে তারা আইনি ভাবে বিচারের জন্য তালতলী থানায় পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় তালতলী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। নলবুনিয়া আগাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী ঔ মেয়েটি।
এদিকে স্কুল ছাত্রী মা বলেন, আমি ও আমার স্বামী গ্রামে গ্রামে মানুষের বাড়িতে ভিক্ষা করে আমার মেয়েকে লেখাপড়া করাইছি। ঐ আউয়াল আমার মেয়েকে প্রেমের জালে ফেলে একাধিবার ধর্ষণ করেন।এখন বিয়ের কথা বললে ভিক্ষুক বলে তাড়িয়ে দেয়। আর বিভিন্ন সময়ে বাড়ি ছাড়ার হুমকি দেয়।
স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মনির খান বলেন স্কুল ছাত্রীকে আউয়াল বিয়ের কথা বলে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এখন বিয়ের কথা বললে তারা বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দেওয় যে তোর চাকরিও খেয়ে ফেলবো।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আউয়ালের সাথে মুঠোফোনে একাধিবার কল দিলেও সে রিসিভ করেনি। তবে তার বাবা শানু মোল্লা বলেন, বলেন ছেলে যখন এই কাজ করছে তখন মেয়েকে ছেলের বউ হিসেবে ঘরে তুলবো। তিনি আরও বলেন মেয়ে পক্ষ যদি মামলা করে তা হলে কোনো সমস্যা হবে না। আমি এমন মামলা অনেক খেয়েছি।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মোমেন বলেন, অভিযোগের ভিক্তিতে ঘটনাস্থানে গিয়ে স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আজ বিকেলে ভুক্তভোগীরা মামলা করতে আসবে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে প্রাথমিক তদন্তের জন্য। এখন যদি ভুক্তভোগী পরিবার যদি মামলা করে তা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের আগাপাড়া এলাকার স্কুল পড়ুয়া মেয়ের সাথে প্রতিবেশী শানু মোল্লার ছেলে আউয়ালের দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। বিয়ের প্রলোভনের কথা বলে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আউয়াল। এক পর্যায় স্কুল ছাত্রী বিয়ের কথা বললে আউয়াল বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। বিয়ের দাবিতে বিভিন্ন সময় আউয়ালের বাড়িতে প্রস্তাব পাঠালে ভিক্ষুকের মেয়ে বলে ফিরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বললে তারা আইনি ভাবে বিচারের জন্য তালতলী থানায় পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় তালতলী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। নলবুনিয়া আগাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী ঔ মেয়েটি।
এদিকে স্কুল ছাত্রী মা বলেন, আমি ও আমার স্বামী গ্রামে গ্রামে মানুষের বাড়িতে ভিক্ষা করে আমার মেয়েকে লেখাপড়া করাইছি। ঐ আউয়াল আমার মেয়েকে প্রেমের জালে ফেলে একাধিবার ধর্ষণ করেন।এখন বিয়ের কথা বললে ভিক্ষুক বলে তাড়িয়ে দেয়। আর বিভিন্ন সময়ে বাড়ি ছাড়ার হুমকি দেয়।
স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মনির খান বলেন স্কুল ছাত্রীকে আউয়াল বিয়ের কথা বলে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এখন বিয়ের কথা বললে তারা বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দেওয় যে তোর চাকরিও খেয়ে ফেলবো।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আউয়ালের সাথে মুঠোফোনে একাধিবার কল দিলেও সে রিসিভ করেনি। তবে তার বাবা শানু মোল্লা বলেন, বলেন ছেলে যখন এই কাজ করছে তখন মেয়েকে ছেলের বউ হিসেবে ঘরে তুলবো। তিনি আরও বলেন মেয়ে পক্ষ যদি মামলা করে তা হলে কোনো সমস্যা হবে না। আমি এমন মামলা অনেক খেয়েছি।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মোমেন বলেন, অভিযোগের ভিক্তিতে ঘটনাস্থানে গিয়ে স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আজ বিকেলে ভুক্তভোগীরা মামলা করতে আসবে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে প্রাথমিক তদন্তের জন্য। এখন যদি ভুক্তভোগী পরিবার যদি মামলা করে তা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।