অনলাইন
এই মুহূর্তে অন্তত ১০ লাখ টন চাল মজুদ রাখা প্রয়োজন: সিপিডি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
২০২১-০২-১৫
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করে, চালের দাম নিয়ন্ত্রণে ও সংকট মোকাবিলায় সামনের দিনগুলোর জন্য অন্তত ১০ লাখ টন চাল মজুদ রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি আমাদানির ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যেগের উপর জোর দেন সিপিডি।
আজ সকালে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বাধীন পর্যালোচনা বিষয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে একথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবেদনটি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়।
সিপিডি জানায়, গত বছর এই সময় চাল মজুদ ছিল ১৫ লাখ টন, এখন যা মাত্র ৭ লাখ টন। সামনের দিনগুলোর জন্য অন্তত ১০ লাখ টন চাল মজুদ রাখা প্রয়োজন। যা আমাদানির ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যেগের উপর জোর দেন সিপিডি।
খেলাপিদের নতুন করে ঋণ দেয়ার ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থ প্রাপ্তদের ব্যপারে সঠিক তথ্য প্রকাশেরও দাবি জানান তিনি অনুষ্ঠানে টেকসই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের সমালোচনাও হয়।
তবে করোনার সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় অনেকে ভালো করেছে। এমনটাই মূল্যায়ন করেছে সিপিডি।
এ সময় আগামী ছয় মাস এই ধারা অব্যহত রাখতে কৃষি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেন।
আজ সকালে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বাধীন পর্যালোচনা বিষয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে একথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবেদনটি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়।
সিপিডি জানায়, গত বছর এই সময় চাল মজুদ ছিল ১৫ লাখ টন, এখন যা মাত্র ৭ লাখ টন। সামনের দিনগুলোর জন্য অন্তত ১০ লাখ টন চাল মজুদ রাখা প্রয়োজন। যা আমাদানির ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যেগের উপর জোর দেন সিপিডি।
খেলাপিদের নতুন করে ঋণ দেয়ার ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থ প্রাপ্তদের ব্যপারে সঠিক তথ্য প্রকাশেরও দাবি জানান তিনি অনুষ্ঠানে টেকসই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের সমালোচনাও হয়।
তবে করোনার সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় অনেকে ভালো করেছে। এমনটাই মূল্যায়ন করেছে সিপিডি।
এ সময় আগামী ছয় মাস এই ধারা অব্যহত রাখতে কৃষি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেন।