এখন নিজেই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন

স্টাফ রিপোর্টার | ২০১৪-০১-২৯ ৮:৪২
অভিনয়ের প্রতি অন্যরকম মুগ্ধতা তার ছোটবেলা থেকেই। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে মুগ্ধতার মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। তাই লেখাপড়া শেষ করে চাকরি না করে অভিনয়েই নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তিনি শামীমা নাজনীন। একজন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী। এখন আর মুগ্ধ হওয়া নয়, ব্যতিক্রমী অভিনয় নৈপুণ্যে নিজেই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন দর্শকদের মাঝে। বর্তমানে নতুন দুটি ধারাবাহিক নাটকে  কাজ করছেন এ অভিনেত্রী। একটি এম আর মিজান পরিচালিত ‘নগর আলো’ ও অন্যটি মাসুদ সেজান পরিচালিত ‘চলিতেছে সার্কাস’। দুটি নাটকেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন। শামীমা নাজনীনের অভিনয়ে যাত্রা শুরু মঞ্চ নাটক দিয়ে।
১৯৯৪ সালে ইডেন কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স করার পর ’৯৬ সালে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের হয়ে তিনি নিয়মিত মঞ্চে অভিনয় শুরু করেন। প্রথম অভিনয় করেন আলী যাকেরের নির্দেশনায় ‘ঠাট্টা তামাশা’ নাটকে। এরপর দেওয়ান ‘গাজীর কিসসা’, ‘অচলায়তন’, ‘গ্যালিলিও’, ‘কাঁঠালবাগান’ নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন তিনি। শামীমা নাজনীনকে টিভি নাটকে প্রথম অভিনয়ের সুযোগ করে দেন হুমায়ূন আহমেদ তার ধারাবাহিক নাটক ‘সবুজ ছায়া’তে ১৯৯৮ সালে। এরপর তার পরিচালনায় অনেক নাটকে অভিনয় করে শামীমা নাজনীন হয়ে
ওঠেন ব্যাপক দর্শকপ্রিয়। শুধু তাই নয়, হুমায়ূন আহমেদেরই পরিচালনায় তিনি ‘ড্যানিশ’-এর বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েও তারকা খ্যাতি পান। হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ইত্যাদি ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হন তিনি। এছাড়া চাষী নজরুল ইসলামের ‘ধ্রুবতারা’ ও নারগিস আক্তারের ‘মেঘলা আকাশ’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি দর্শকনন্দিত হয়েছেন। সর্বশেষ গত বিজয় দিবসে মাসুদ সেজান পরিচালিত বিজয় দিবসের বিশেষ নাটকে মোশাররফ করিমের বোনের চরিত্রে তিনি অনবদ্য অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। বর্তমানে শামীমা নাজনীন অভিনীত বদরুল আনাম সৌদ পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক ‘এলেবেলে’ ও ইদ্রিস হায়দার পরিচালিত ‘সেকেন্ড ইনিংস’ যথাক্রমে বাংলাভিশন ও এশিয়ান টিভিতে প্রচার হচ্ছে। এ অভিনেত্রী বলেন, আজকের শামীমা নাজনীন হয়ে ওঠার পেছনে নাগরিক নাট্য সমপ্রদায়ের যেমন অবদান আছে ঠিক তেমনি আছে হুমায়ূন স্যারের। আজ অভিনয় আমার পেশা। প্রতিনিয়তই দর্শকের ভালবাসা আর অভিনয় আমি উপভোগ করছি। এভাবেই আজীবন অভিনয় করে যেতে চাই।