পর্যটনের জন্য যোগাযোগ উন্নয়নের পরামর্শ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ২০১৪-০৯-১২ ৯:১৫
 বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানো ও অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো উন্নয়নের পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকায় নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। একইসঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীদের অন্য দেশের পর্যটন খাতের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম পরিচালনারও পরামর্শ দেন তারা। গতকাল এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার-২০১৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, চীন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা এ পরামর্শ দেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৩ দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে মাসিক ম্যাগাজিন পর্যটন বিচিত্রা। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অপরুপ চৌধুরী, মালয়েশিয়ার হাই কমিশনার এইচ ই নরলিন, নেপালের রাষ্ট্রদূত এইচ কে শ্রেস্থা, শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার এ জি এবেসেকারা, ফিলিপাইনের ডেপুটি কনসাল জেনারেল নুরদিন পেনডোসিনা, চীনা দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি (কালচার) হং লি, পর্যটন বিচিত্রার সম্পাদক মহিউদ্দিন হেলাল প্রমুখ বক্তব্য দেন। মালয়েশিয়ান হাই কমিশনার এইচ ই নরলিন বলেন, বাংলাদেশে অনেক দর্শনীয় স্থান আছে। এগুলো মানুষকে জানাতে হবে, যাতে অন্য দেশের পর্যটকরা বাংলাদেশ সম্পর্কে সহজে ধারণা পায়। এজন্য আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে হবে। নেপালের রাষ্ট্রদূত এইচ কে শ্রেস্থা বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে ট্যুরিজম করতে পারে। দুই দেশের ভিসা ও যোগাযোগ এখন অনেক সহজ।
শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার এ জি এবেসেকারা বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো উন্নয়ন করা দরকার। এখানকার রাস্তাঘাট ও অন্যান্য অবকাঠামো পর্যটনবান্ধব নয়। এ অবস্থায় বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করা যাবে না। তিন দিনের এ মেলায় বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, চীন, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও ভারতের ১২০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলার স্টল ঘুরে দেখতে পারবেন। মেলায় প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে জনপ্রতি ২০ টাকা। তবে শিক্ষার্থীদের কোনো টাকা লাগবে না।