প্রতারণার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার | ২০১৪-০৫-১৩ ৭:৩৭
নতুন প্রযোজক ও নায়িকা সিমন হোসেন লিমি ও পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে আইনের আশ্রয় এবং কঠিন আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। সমিতির তিনজন সদস্য আনোয়ারা, মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগপত্র ইতিমধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে জমা পড়েছে। পাওনা টাকা আদায় ও বিনা আলোচনায় ছবির নাম পরিবর্তন করার অভিযোগ এনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিশা সওদাগর চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি ও মহাসচিব বরাবরে লিখিতভাবে বলেন, আমি জাদু আজাদ পরিচালিত ‘অপরাধী বাদশা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হই। পরবর্তীতে ছবির সম্পূর্ণ শুটিং ঢাকা ও থাইল্যান্ডে শেষ করি। এ ছবির নাম তথ্য মন্ত্রণালয় ও এফডিসির মূল ফাইলে ‘অপরাধী বাদশা’ নামে লিপিবদ্ধ আছে। চুক্তি অনুযায়ী ডাবিং করার পূর্বে সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ করার কথা থাকলেও তা পরিশোধ না করার কারণে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি লিখিতভাবে এ ছবিতে কাজ না করার নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু কারও অনুমতি ছাড়াই ছবির নাম
পরিবর্তন করে ‘মাই নেম ইজ সিমি’ এবং পরিচালক পরিবর্তন করে মনতাজুর হরমান আকবরকে অন্তর্ভুক্ত করে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে ছবিটি জমা দেয়া হয়েছে। অভিযোগপত্রে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিশা সওদাগর আরও বলেন, আমাদের সিনিয়র শিল্পী বেগম আনোয়ারা এবং বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়ক জায়েদ খানের পারিশ্রমিকও প্রযোজক পরিশোধ না করে সেই সঙ্গে ডাবিং না করে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে ছবিটি জমা দিয়েছেন, যা আইনবহির্ভূত। দু’জন শিল্পীই আলাদাভাবে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। এতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এবং শিল্পীদের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমাদের পাওনা পারিশ্রমিক যদি যথাযথভাবে প্রদান না করা হয় তাহলে আমরা চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি আইনের আশ্রয় গ্রহণ ও কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো। এ অভিযোগপত্র চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যানের কাছেও জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার এক সহকারী জানিয়েছেন, পরিচালক আকবর এখন জয়পুরহাটে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন।