সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী লাইফ সাপোর্টে

স্টাফ রিপোর্টার | ২০১৪-০৩-১৬ ৭:১০
ব্যাংককের ‘ব্যাংকক হসপিটাল’-এ লাইফ সাপোর্টে আছেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও এসএটিভির সিইও সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে তিনটায় ব্যাংককের ‘ব্যাংকক হসপিটাল’-এ পৌঁছানোর পর থেকেই তিনি লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। সেখানকার ডাক্তার নিপ্পনের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। গতকল ব্যাংকক হসপিটাল থেকে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকীর স্ত্রী মিসেস সাহানা বেগম মুঠোফোনে জানান, তার শারীরিক অবস্থা বেশি একটা  ভাল না। কিডনিতে সমস্যা হতে পারে বিধায় এনজিওগ্রামও করা যাচ্ছে না। তাই আপাতত তাকে বিভিন্ন মেডিসিন দেয়া হচ্ছে। আমি দেশের সবার কাছে দোয়া চাই যেন আল্লাহ আমার স্বামীকে দ্রুত সুস্থ করে তোলেন। উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হন সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকী। এরপর ফুসফুসে ইনফেকশন দেখা দিলে তা কিডনিতেও ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। এ কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক নেয়া হয়েছে।
তিনি প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন ১৯৮০ সালে। ছবির নাম ‘ঘুড্ডি’। এই ছবির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রাইসুল ইসলাম আসাদ এবং সুবর্ণা মুস্তাফা। ১৯৮০ সালে সালাহউদ্দীন জাকী এই ছবির সংলাপ লেখক হিসেবে অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৯৭৩ সালে সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকী এবং প্রয়াত বাদল রহমান বাংলাদেশ থেকে প্রথম সরকারি বৃত্তি নিয়ে চলচ্চিত্র বিষয়ে ভারতের পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে পড়তে যান। দেশে ফিরেই সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকীর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ছিল ‘ঘুড্ডি’। তার প্রথম ছবিই ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পায়। এরপর আলমগীর ও রোজিনাকে নিয়ে ‘লাল বেনারসী’ এবং ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জুকে নিয়ে তিনি নির্মাণ করেন ‘আয়না বিবির পালা’। এই ছবি দুটি ১৯৯০ সালে মুক্তি পায়। এর আগে ১৯৮১ সালে তিনি এফডিসিতে অপারেটিভ ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সাল থেকে ৫ বছরের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারপর ১০ বছর ছিলেন কানাডায়। যে কারণে বিগত ২৪ বছরে তাকে নতুন কোন ছবি নির্মাণ করতে দেখা যায়নি।