সম্পর্কের বরফ গলছে দুই কোরিয়ার

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ জানুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৪৩
অবশেষে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। ২০১৫ সালের পর প্রথমবার দু’দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে মিলিত হলেন। তারা বেশ কিছু বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। যখন দুই কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধংদেহী মনোভাব, যেকোনো সময় যুদ্ধ শুরু হওয়ার আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তখন এমন বৈঠকে স্বস্তি ফিরেছে জনমনে। ওদিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে নিজে কথা বলতে চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সব মিলে কোরিয়া উপদ্বীপ অঞ্চলে যে যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা দৃশ্যত শান্তির দিকে ধাবিত হওয়া শুরু করেছে।
দু’বছর পর ‘কোরিয়ান ডিমিলিটারাইজড জোন’ বা কোরিয়া বেসামরিক অঞ্চলে বৈঠক করেন দুই কোরিয়ার প্রতিনিধিরা। আগামী মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় এ বছরের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস হওয়ার কথা। তাতে নিজেদের অ্যাথলেট, সমর্থক ও অন্যদের পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এমন সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এই আলোচনার সূত্র ধরে আন্তঃকোরিয়ান সম্পর্ক উন্নত করার আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আশা ব্যক্ত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। বৈঠকের পর দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ বিষয়ক উপমন্ত্রী চুন হাই-সুং সাংবাদিকদের বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার অলিম্পিক গেমসে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এতে ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির প্রতিনিধি, অ্যাথলেট, সমর্থক, আর্ট পারফরমার, পর্যবেক্ষক, প্রদর্শনী টিম ও সাংবাদিকরা থাকবেন। দুই কোরিয়ার মধ্যে এমন আলোচনার পর অনেক স্বপ্ন উঁকি দিচ্ছে। নৃশংস গৃহযুদ্ধের পর কোরিয়া যখন ভেঙে দুই কোরিয়ায় রূপ নেয়, তখন অসংখ্য পরিবারের আত্মীয়-স্বজনরা অন্যপাড়ে আটকরা পড়েন। তারা সীমান্তের দুই পাড়ে বসবাস করলেও কারো সঙ্গে কারো দেখা নেই। যুদ্ধের সময় অনেক পরিবারের সদস্য তাদের পিতামাতা বা সন্তানদেরকে উত্তর কোরিয়ায় ফেলে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ায়। তাদের সবার মনে এখনো ক্ষত। এতটা বছর পরও তারা একে অন্যকে দেখেন নি। এসব মানুষের মধ্যে পুনর্মিলনির দাবিটি অগ্রাধিকার পেয়ে আলোচনা হয়েছে দুই কোরিয়ার মধ্যে। তারপর ২০১৫ সালে দুই কোরিয়ার মধ্যে এভাবে আটকরা পড়া অনেক মানুষ তাদের প্রিয়জনের মুখ দেখতে পান।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০১-০৯ ০১:০৫:৩৭

Very excellent news. Peace peace peace.

আপনার মতামত দিন

হ্যান্ডকাফসহ পালালো আসামি

‘ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত সরকারেরই নীল নকশার অংশ’

২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলন

সাক্ষ্য দেবেন না স্টিভ ব্যানন

‘সবকিছুতে সরকারের যোগসাজশ খোঁজেন কেন?’

রাখাইনে বৌদ্ধদের দাঙ্গা, গুলিতে নিহত ৭

৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের আদেশ হাইকোর্টের

ভয়াবহ বিপদজনক চুক্তি

যুক্তি তর্ক শুনানি চলছে, আদালতে খালেদা

ঢাকা উত্তরের মেয়র উপনির্বাচন স্থগিত

উত্তরা মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা নেই

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের গভীর উদ্বেগ

মিয়ানমার অনুমতি দেয় নি, কাল বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিউর

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন অবৈধ’

‘তেমন ভালো কাজ তো এখন হচ্ছে না’

আইভী-শামীম মুখোমুখি, সংঘর্ষ