ফেলানী হত্যার সাত বছর আজ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৭ জানুয়ারি ২০১৮, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৫৬
বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী হত্যার সাত বছর আজ। ২০১১ সালের এই দিনে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তাকে গুলি করে হত্যা করে। ফেলানীর লাশ ঝুলতে থাকে সীমান্তের কাঁটা তারে। এ হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো শাস্তি ঘোষণা করা হয় নি। এর প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অধিকার একটি বিবৃতি দিয়েছে। তা এখানে তুলে ধরা হলো:
আজও ফেলানী হত্যার সঙ্গে জড়িত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ এবং নির্দেশদাতা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কোনো শাস্তি হয়নি।
ফেলানী হত্যার প্রহসনমূলক বিচার বিএসএফ’র নিজম্ব আদালত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে (জিএসএফসি) অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ হিসেবে তাদের পূর্বের রায় বহাল রাখা হয়। ফেলানী হত্যা ছিল বিগত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের ওপর ভারত সরকারের আগ্রাসী ভূমিকার একটি নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। শিশু থেকে শুরু করে যে কোন বয়সের বাংলাদেশী নাগরিককে নির্বিচারে হত্যা-নির্যাতন বিএসএফএর কাছে নতুন নয়। ২০১০ সালে বিএসএফের নির্যাতনে হাসনাত হালশাম ইনু (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্র এবং ২০১৫ সালে গুলিতে হাসানুজ্জামান (১৬) নামে আরেক স্কুল ছাত্র নিহত হয়। ২০১৭ সালেও বিএসএফ সদস্যরা সোহেল রানা ও হারূন অর রশীদ নামে দুইজন স্কুল ছাত্রকে গুলি করে হত্যা করে। অধিকার ফেলানীসহ বিএসএফ এর হাতে নিহত বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা-নির্যাতনসহ সমস্ত মানবাধিকার লংঘনমূলক ঘটনাগুলোর এবং ভারতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছে। প্রতি বছরই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় বহু সংখ্যক বাংলাদেশী নাগরিক বিএসএফ’র গুলিতে অথবা নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করছে এবং আহত হচ্ছে। অধিকার বিবৃতিতে বলেছে, অনেক সময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে বিএসএফ’র সদস্যরা অবাধে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে লুটপাট করছে এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। অধিকার এর তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএসএফ ৪০৩ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করে। এদের মধ্যে ২৬৯ জনকে গুলিতে, ১০৯ জনকে নির্যাতন করে এবং ২৫ জন বাংলাদেশী নাগরিককে বিভিন্নভাবে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ৫৯৩ জন বাংলাদেশী বিএসএফ সদস্যদের হাতে আহত হয়েছেন। এসব আহতের মধ্যে ৩৩৭ জন বিএসএফ’র গুলিতে, ২১৯ জন নির্যাতনে এবং ৩৭ জন অন্যান্যভাবে আহত হয়েছেন। এই সময়ে বিএসএফ ৪৬৮ জন বাংলাদেশী নাগরিককে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী নিজের সীমানা, ভূখন্ডের অখন্ডতা, সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করার প্রশ্নে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করা হয় অধিকারের বিবৃতিতে।  একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপযোগী হওয়া প্রয়োজন ছিল।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

হ্যান্ডকাফসহ পালালো আসামি

‘ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত সরকারেরই নীল নকশার অংশ’

২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলন

সাক্ষ্য দেবেন না স্টিভ ব্যানন

‘সবকিছুতে সরকারের যোগসাজশ খোঁজেন কেন?’

রাখাইনে বৌদ্ধদের দাঙ্গা, গুলিতে নিহত ৭

৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের আদেশ হাইকোর্টের

ভয়াবহ বিপদজনক চুক্তি

যুক্তি তর্ক শুনানি চলছে, আদালতে খালেদা

ঢাকা উত্তরের মেয়র উপনির্বাচন স্থগিত

উত্তরা মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা নেই

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের গভীর উদ্বেগ

মিয়ানমার অনুমতি দেয় নি, কাল বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিউর

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন অবৈধ’

‘তেমন ভালো কাজ তো এখন হচ্ছে না’

আইভী-শামীম মুখোমুখি, সংঘর্ষ