কুষ্টিয়ায় পুলিশের হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দেশ বিদেশ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার
 খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া গ্রামে বাড়িতে থাকা নারী ও শিশুরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এ অভিযোগ এনে পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার, গ্রামবাসী ও স্থানীয় আমবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদবাসী। এই গ্রামের শাফিন খান নামের এক বালু ব্যবসায়ীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাংশা থানায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তের নামে পুলিশ নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে আটক, মারধর এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় গোটা এলাকা এখন পুরুষশূন্য। গতকাল সকাল ১০টায় উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজারে নির্যাতিত পরিবার বর্গের ব্যানারে আয়োজিত প্রায় ৫ শতাধিক নারী-পুরুষের প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্থানীয় ভবানীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন। তিনি পুলিশি নির্যাতনের চিত্র তুলে বলেন, একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক এটা আমাদেরও দাবি। কিন্তু তাই বলে এঘটনায় পুলিশি আতঙ্ক সৃষ্টি করে এলাকার শত শত পরিবারের অভিভাবক পুরুষদের ঘরছাড়া করে এক ভীতিকর পরিস্থিতির মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে নারীরা। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন, স্থানীয় আমবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সাত্তার মোল্লা।
তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই ৫ জন আসামির নাম উল্লেখ করে পাংশা থানায় এজাহার দিলেও পুলিশ তা আমলে না নিয়ে অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করে খেয়াল খুশি মতো যাকে পাচ্ছে তাকেই ধরছে, মারধর করছে এবং মামলা দেয়ার ভয় দিয়ে টাকা আদায় করছে। এ সময় সেখানে সকল ইউপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন পেশাজীবী, নারী-পুরুষ ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। এবিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা খোকসা থানায় গিয়ে অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি মিডিয়ার সামনে আসতে রাজি হননি। তবে পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ মোফাজ্জেল হোসেন জানান, গত ১৭ই ডিসেম্বর পার্শ্ববর্তী উপজেলা খোকসার আমবাড়িয়া গ্রামের শাফিন খান নামের এক বালু ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয় উপজেলার হাবাসপুরস্থ পদ্মানদীর চর থেকে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই ফরিদ হাসান বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে থানায় এজাহার দায়ের করেন। তবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে মামলাটিতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে রেকর্ড করেছে। যথাযথভাবে আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত চলবে। তবে মামলা তদন্তকালে কোনো সাধারণ বা নির্দোষ মানুষ পুলিশ কর্তৃক হয়রানির শিকার হয়েছে এমন অভিযোগ তিনি জানেন না। পুলিশ কোনো সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার প্রশ্নই উঠে না। এ ধরনের কোনো ঘটনায় পুলিশ সদস্য জড়িত প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই পুলিশ বরখাস্ত

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন বন্ধ থাকবে ফেসবুক

ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকাকে অনেক পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

মেয়রের বাড়িতে হামলার মামলায় ১০ আসামি কারাগারে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

নারায়ণগঞ্জের থানায় আইভীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর গ্রেপ্তার

বলিউড ছবি নিয়ে ভারতে তোলপাড়, নিষেধাজ্ঞা নেই-সুপ্রিম কোর্ট

‘আমি আমার শহরের লিডার’

চকবাজারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ভারতে স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ

দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৯ ডাকাত

রাজধানীতে মা-মেয়ের ‘আত্মহত্যা’

'যত বেশি সম্ভব মুসলিম মারতে চেয়েছি'

সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

সাকিবের জোড়া আঘাত