দয়াগঞ্জে শিশুর মৃত্যু ৫ দিনেও অধরা ছিনতাইকারীরা

দেশ বিদেশ

আল-আমিন | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার
 যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জের ছিনতাইকারীদের থাবায় শিশু আরাফাত নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ৫ দিন পার হলেও দোষীরা অধরা। তবে জড়িতদের  ধরার জন্য পুলিশ ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সিসি ক্যামেরায় ছিনতাইকারীদের চেহারা স্পষ্ট বোঝা যায়নি। ফুটেজগুলো কুয়াশায় আবছা থাকার কারণে কারও মুখ চেনা যায় না। তবে তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ এর মধ্যে হবে বলে পুলিশের ধারণা।
স্থানীয়দের কাছে পুলিশ জানতে পেরেছে, যারা আরাফাতের মায়ের ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে তারা এলাকার বখাটে টানা পার্টির সদস্য। রিকশায় থাকা লোকজনের ব্যাগ ধরে টান দিয়ে পালিয়ে যায়। বাসের জানালা দিয়ে যাত্রীদের মোবাইল ছোঁ মেরে নিয়ে যায়। পুলিশের দাবি, ছিনতাইকারীরা ধরা না পড়লেও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। শিগগিরই দোষীদের ধরে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
গত সোমবার ভোরে যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জ মোড়ে চলন্ত রিকশায় ছিনতাইকারীরা ব্যাগ ধরে টান দেয়। এতে রিকশায় থাকা মায়ের কোল থেকে পড়ে ৬ মাসের শিশু আরাফাত গুরুত্বর আহত হন। পরে তার মা একটি সিএনজি অটোরিকশাতে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তাকে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরাফাতের ভাই আল-আমিন আহত হন। সূত্র জানায়, আরাফাতের নিহতের ঘটনায় তার বাবা শাহ আলম বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলা নম্বর-৬৭। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য মামলার এজাহারে বাদীর পক্ষ থেকে পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। যাত্রাবাড়ি থানার ওসি আনিসুর রহমান গতকাল দুপুরে মানবজমিনকে জানান, শিশু মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। খুব দ্রুত এই মামলার একটি ভালো ফলাফল জানাতো পারবো। তিনি জানান, ‘পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। তবে দোষীরা ঘন ঘন স্থান পরিববর্তন করার কারণে ধরা যাচ্ছে না। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই রেজোয়ান আহমেদ জানান, দ্রুত শিশু হত্যার মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে যে ৩টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা জব্দ করা হয়েছে। তবে ছবিগুলো অস্পষ্ট। কুয়াশায় মুখ ও চেহারা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। সূত্র জানায়, আবছা ছবিগুলো নিয়ে পুলিশ স্থানীয়দের দেখিয়েছেন এজন্য যে, কেউ তাদের চেনে কি-না। তাদের বিষয়ে কেউ সম্পূর্ণ ধারণা দিতে পারেনি। এ ঘটনার পর যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ দয়াগঞ্জের পীর বস্তিতে অভিযান চালিয়ে কয়েকজন বখাটে তরুণকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাদের কাছ থেকে এই ছিনতাইকারীদের বিষয়ে কিছু তথ্য পেয়েছে। থানা পুলিশ তাদের ধরতে নারায়াণগঞ্জের সদর থানা, বন্দর থানার পাগলা এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু, তাদের ধরা সম্ভব হয়নি।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই পুলিশ বরখাস্ত

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন বন্ধ থাকবে ফেসবুক

ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকাকে অনেক পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

মেয়রের বাড়িতে হামলার মামলায় ১০ আসামি কারাগারে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

নারায়ণগঞ্জের থানায় আইভীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর গ্রেপ্তার

বলিউড ছবি নিয়ে ভারতে তোলপাড়, নিষেধাজ্ঞা নেই-সুপ্রিম কোর্ট

‘আমি আমার শহরের লিডার’

চকবাজারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ভারতে স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ

দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৯ ডাকাত

রাজধানীতে মা-মেয়ের ‘আত্মহত্যা’

'যত বেশি সম্ভব মুসলিম মারতে চেয়েছি'

সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

সাকিবের জোড়া আঘাত