চলে গেলেন ওয়ালটনের প্রতিষ্ঠাতা

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৬
চলে গেলেন দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল শিল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা এসএম নজরুল ইসলাম। বিশিষ্ট শিল্পপতি, সমাজসেবক ওয়ালটন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এসএম নজরুল ইসলাম রোববার রাতে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি স্ত্রী, ৫ পুত্র, ২ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। নজরুল ইসলাম ৭ই মে ১৯২৪ সালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গোসাই জোয়াইর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল, আইওটি, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ও মার্সেল প্রতিষ্ঠা করেন।
এসএম নজরুল ইসলামের মৃত্যুতে ওয়ালটন পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।
সোমবার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ওয়ালটন গ্রুপের করপোরেট অফিসে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর ১২টায় গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটন কারখানায় মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ আসর টাঙ্গাইলের গোসাই জোয়াইরে তার নিজ গ্রামে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তিনি শায়িত হবেন।
এক বিবৃতিতে মরহুমের বড় ছেলে ওয়ালটন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম নূরুল আলম রেজভী দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশবাসীকে আরো উত্তম সেবা দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এসএম নজরুল ইসলামের কর্মজীবন বর্ণাঢ্য ও ঘটনাবহুল। তার পিতা এসএম আতাহার আলী তালুকদার ব্যবসা করতেন আসামের সঙ্গে। স্বাধীনতার পর তিনি পৃথকভাবে ব্যবসা শুরু করেন। তার সততা ও কর্মনিষ্ঠায় ব্যবসায়িক প্রতিভা ও সাফল্যের ডানা মেলতে শুরু করে। দেশের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে ইলেকট্রনিক্স পণ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে এসএম নজরুল ইসলাম ১৯৭৭ সালে ওয়ালটন গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। তার দূরদর্শিতা ও সুযোগ্য পরিচালনায় ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ লেখা ওয়ালটন পণ্যের সুনাম ও খ্যাতি আজ দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।
ব্যবসায়িক সাফল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আলহাজ এসএম নজরুল ইসলাম বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে নিয়োজিত করেন। তিনি তার গ্রামে এসএম নজরুল ইসলাম কারিগরি বিদ্যালয় নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। এছাড়া মসজিদ, মাদরাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এতিমখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সাহায্য সহযোগিতা দিতেন। তিনি গ্রামের দুস্থ, বৃদ্ধ ও মহিলাদের জন্য বয়স্কভাতা প্রকল্প চালু করেছেন। তার মৃত্যু ওয়ালটন পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করছে ওয়ালটন ও মার্সেল পরিবার।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৭-১২-১৯ ০২:১৬:৩১

সমাজ সেবার করপোরেট মানসিকতা কিছু মহানুভব দয়াবান চালু করেন। তিনি ও তাদের মধ্যে একজন। এর প্রতিদান এখনই পাবেন পরপারে । এতদিন ছিল দিবার পালা শুরু হল প্রাপ্তির পালা।

আপনার মতামত দিন

ব্যাংক কোম্পানি আইন পাস, জাপার ওয়াকআউট

২০ হাজার টাকায় ১ বছর ক্লাস, অতঃপর...

শাম্মী আখতারের মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া

ট্রেনে কাটা পড়ে রেলওয়ে কর্মকর্তার মৃত্যু

শাম্মী আখতারের জানাজা কাল বাদ জোহর

আইভী-শামীম সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত

শাম্মী আখতার আর নেই

স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ ৩ জনের ফাঁসির রায়

‘নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিপুল ভোটে জিতবে তাবিথ’

‘মিথ্যা মামলায় খালেদার কোনো ক্ষতি হবে না, জনপ্রিয়তা বাড়বে’

ডিএনসিসি উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট, আদেশ বুধবার

জেলপলাতক ৩ বাংলাদেশিকে এখনো ধরা যায়নি, সীমান্তে নজরদারি

অনশন ভাঙলেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা

পুতিনই হবেন রাশিয়ার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট

শেকলে বাঁধা সন্তান, উদ্ধার ১৩, গ্রেপ্তার পিতামাতা

মার্কিন কূটনীতিকদের তলব করেছে আফ্রিকার ৫ দেশ