নি র্বা চ নী হা ল চা ল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৪

মন্ত্রী একক, বসে নেই অন্যেরাও

শেষের পাতা

জাবেদ রহিম বিজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৪৩
নীরবতা ভাঙছে কসবা-আখাউড়ার। ভোটের রাজনীতিতে বাড়ছে উত্তাপ। আওয়ামী লীগদলীয় বর্তমান সংসদ সদস্য, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ইতিমধ্যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা
দিয়েছেন। এলাকায় যোগাযোগও বাড়িয়েছেন তিনি। ভোট চাচ্ছেন নৌকায়। তবে সম্প্রতি সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট শাহআলমের সমর্থকরাও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
একটি ইউনিয়নে তারা কয়েকশ’ লোকের সমাবেশ করেছেন। শাহআলম ছাড়াও দলের মনোনয়ন প্রার্থী আছেন আরো দুজন। তারা হচ্ছেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক শ্যামল কুমার রায়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ সাহা মনি।
বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমানের নাম রয়েছে এক নম্বরে। তারপক্ষে সমর্থকরা মাঠে সক্রিয়। তাছাড়া জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারী মনোনয়ন পেতে মাঠে কাজ করছেন। বিএনপির আরেক নেতা শাকিল ওয়াহেদ সুমন ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে ভোট রাজনীতিতে ঝলকানি দিয়ে আবার মিলিয়ে যান। এরবাইরে ২০-দলীয় জোটের শরিক প্রয়াত কাজী জাফরের জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ সেলিম মাস্টারও চাইবেন মনোনয়ন। জাতীয় পার্টির একজনই প্রার্থী ঢাকার সাবেক ডেপুটি মেয়র জাহাঙ্গীর মো. আদেলের ছেলে তারেক এ আদেল। অবশ্য জাপার সাংগঠনিক অবস্থা নড়বড়ে এখানে। একপলকে এই হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের ভোটের রাজনীতির হালদশা। কসবা উপজেলার ১০ ইউনিয়ন আর আখাউড়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন। আওয়ামী লীগের চার মনোনয়ন প্রার্থীর বাড়ি কসবায়। ২০-দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন প্রার্থী সেলিম মাস্টারের বাড়িও কসবার খাড়েরা গ্রামে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী তারেকও কসবার। আর বিএনপির মুশফিকুর রহমান আর নাছির উদ্দিন হাজারীর বাড়ি আখাউড়ার একই ইউনিয়ন ধরখারে।
তবে ভোটের রাজনীতি সরগরম এ আসনে আওয়ামী লীগকে ঘিরেই। দলীয় সূত্র জানায়, এ আসনের আওয়ামী লীগদলীয় সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট শাহআলমের শেষ সময়ে ২০১৩ সালে দুই উপজেলায় কমিটি নিয়ে কোন্দল-গ্রুপিং চরমে ওঠে। সেসময় ভোটের রাজনীতিতে নতুন আসা বর্তমান সংসদ সদস্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের সমর্থকরা দুই উপজেলাতেই আওয়ামী লীগের কমিটির বিরোধিতায় নামেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন আনিসুল হক। এরপর উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করে একটি পক্ষ। এসব ঘটনায় দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়। দলের একটি পক্ষের নেতাকর্মীরা নীরব হয়ে পড়েন তখন থেকেই। তবে বর্তমান কমিটিও দুই ভাগে বিভক্ত।
কসবা পৌর সুপার মার্কেটের সামনেই চোখে পড়ে আওয়ামী লীগের বিভক্তি। পাশাপাশি দুটি অফিস। মন্ত্রীর অনুসারীরাই বসেন দুই ভাগে । একটি অফিস চালান ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঙ্গু মিয়া, পৌর যুবলীগ সভাপতি এমএ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তারেক। পাশের অফিসটিতে বসেন পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মনির ও সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান রিমন। আর এই দুই অফিসের মাঝখানে বসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এমজি হাক্কানী। আলাদা বসার কারণ জানতে চাইলে উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, তাদের সঙ্গে আমাদের মনের মিল নেই।
দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির মেয়াদ তিন বছর পেরিয়েছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কমিটি আর হয়নি। আহ্বায়ক কমিটিগুলোর বর্ধিত সভায় অ্যাডভোকেট আনিসুল হককে আগামী সংসদ নির্বাচনের একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কসবা উপজেলা আওয়ামী পরিবারের নামে করা ব্যানারে কসবা-আখাউড়ার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে একক প্রার্থী হিসেবে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার কথা বলা হয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে সাবেক এমপি শাহআলমের পোস্টার লাগানো হয়েছিল নির্বাচনী এলাকার দুই উপজেলা এবং জেলা সদরে। রাতারাতি ছিঁড়ে ফেলা হয় সব পোস্টার। এর মধ্যেই শাহআলম সমর্থকদের একটি সম্মিলন ভোটের রাজনীতির উত্তাপ বাড়িয়ে দেয়। সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি প্রফেসর আব্দুল গাফফার খানের মনিয়ন্ধ গ্রামের বাড়িতে শাহআলমের প্রায় পাঁচ শতাধিক সমর্থক জড়ো হন। সেখানে ভোজের আয়োজনও ছিল। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা আগামী নির্বাচনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তোলেন। আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ শেখ বোরহান উদ্দিন, সাবেক সহসভাপতি আব্দুল গাফফার খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ কামাল হোসেন, কাজী প্রদ্বীপসহ আরো অনেক নেতা ছিলেন সেখানে। শাহ আলম ১৯৯৬ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে হেরে যান। আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী আবদুল মতিন বলেন, মনিয়ন্ধে মিটিং করলাম। আরো ৪-৫টা মিটিং আমরা করবো। মনিয়ন্ধে বিপুল সাড়া পেয়েছি। এখন আমরা ধরখার, আখাউড়া উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়ন এবং মোগড়া ইউনিয়নে মিটিং করবো। আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক স্থানীয় শহীদ স্মৃতি কলেজের অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, আওয়ামী লীগের অবস্থা ভালো। মন্ত্রীর অ্যাকটিভিটিজ বেড়েছে। গণসংযোগ বেড়েছে। তিনি জানান, ২০১৫ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি হয়। এর আগে উপজেলা কমিটি থাকলেও অনুমোদন ছিল না। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করেন। এ নিয়ে অভিযোগ হলে তদন্ত হয় এবং তাদের বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। এরপর কমিটি বাতিল হয়। তিনি বলেন, হাতেগোনা ২-১ জন ছাড়া বাকি সবাই সরব। অ্যাডভোকেট শাহআলম মাঠে সক্রিয় নন। তার আগমন নেই। কারো সঙ্গে যোগাযোগও নেই। তিনি বলেন, রাজনীতি এমপিমুখী। তার পরামর্শ নিয়েই আমরা চলছি। তিনি ১-২ জনের ওপর নির্ভরশীল নন, সবার সঙ্গেই যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
শাহআলম ছাড়াও মনোনয়ন পেতে তৎপর শ্যামল কুমার রায় ও নারায়ণ সাহা মনি। শ্যামল রায় ২০১৪ সালের নির্বাচনেও মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তখন মনোনয়নের লড়াইয়ে শাহআলমের সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধ হয় তার সমর্থকদের। তরুণ-যুবকদের মধ্যে শ্যামলের ভালো অবস্থান রয়েছে। শ্যামল জানান, তিনি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। তবে তাকে ডিসটার্ব করা হচ্ছে। নারায়ণ সাহা মনিও মনোনয়ন চাইবেন এবার। কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন তিনিও। তবে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী অ্যাডভোকেট রাশেদুল কায়সার জীবন বলেন, কসবা-আখাউড়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ অ্যাডভোকেট আনিসুল হককে একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। অন্য কোনো প্রার্থী চার বছর এলাকায় যাননি। মিটিংও করেননি।
ওদিকে বর্তমানে কানাডা অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য মুশফিকুর রহমানের পক্ষেই সরব দলের দুই উপজেলার নেতাকর্মীরা। এর আগে ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা মুশফিকুর রহমানের বিকল্প কাউকে ভাবেন না। কসবা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র মুহম্মদ ইলিয়াছ বলেন, এখানে মুশফিকুর রহমানই বিএনপির একক প্রার্থী। ২০০১ সাল থেকে একমাত্র তিনিই কসবা-আখাউড়া বিএনপির কাণ্ডারি হিসেবে আছেন। উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের এবং দলের তৃণমূল পর্যন্ত প্রত্যেকটি কমিটি তারই করা। আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ‘ভোট কেন্দ্র রক্ষা কমিটি’ ও সকল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার অঙ্গীকার নিয়ে কমিটি গঠন ও দল পরিচালনা করে আসছেন তিনি। ইলিয়াছ জানান, ইতিমধ্যে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে মুশফিকুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দলীয় সদস্য সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন হয়েছে। কসবা-আখাউড়া উপজেলায় তেত্রিশ হাজার ফরম পূরণ করা হয়েছে। তাছাড়া দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেয়া মামলা-মোকদ্দমা থেকে নিষ্কৃতির জন্য থানা থেকে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত তার তত্ত্বাবধান রয়েছে। সে কারণে কসবা-আখাউড়া এই দুই উপজেলার তৃণমূল কর্মী থেকে উপজেলা নেতৃবৃন্দ সবাই একমত আগামী সংসদ নির্বাচনে মুশফিকুর রহমানের বিকল্প কোনো প্রার্থী নয়। ইলিয়াছ আরো বলেন, ইদানীং বিভিন্ন সংবাদপত্রে মুশফিকুর রহমানের নামের পাশে আরো দু-একজনের নাম এবং ছবি আমরা দেখছি। এ দুই উপজেলার একজন দলীয় কর্মীও বলতে পারবেন না যে, তাদের আন্দোলনের মাঠে বা দলের কোনো কর্মসূচিতে দেখা গেছে। যারা পত্রিকায় ছবি ছাপিয়ে এবং নিজের ছবি নিজে দেখে শান্তি পান, তাদের প্রতি আমার অনুরোধ এমপি মনোনয়ন চাওয়ার আগে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে একদিন মাঠে এসে আন্দোলন করুন, আমরা কীভাবে দলের জন্য জেলহাজতে দিন কাটাই- তা উপলব্ধি করুন।
তবে এ আসনে ২০-দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন কাজী জাফরের জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ সেলিম মাস্টার। তিনি এর আগে ২০০১ সালে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করেন। তখন আওয়ামীলীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হন এই নেতা। তার অবস্থান এবং জয়ের সম্ভাবনা বিচেনায় মহাজোটের মনোনয়ন তিনিই পাবেন বলে প্রচণ্ড আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু তাকে বাদ দিয়ে জাতীয় পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি নেয়। এই ক্ষোভে তিনি দল ছেড়ে যান। এর আগে ৮-৯ বছর তিনি জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘদিন এলাকায় শিক্ষকতার কারণে তার ভালো ইমেজ রয়েছে। খাড়েরা শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামে জেলায় পাবলিক বৃত্তি চালু করেন তিনিই প্রথম। সেলিম মাস্টার বলেন, এলাকায় আমার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। আমার অবস্থা সবসময়ই ভালো। এদিকে জাতীয় পার্টি থেকে জাহাঙ্গীর মো. আদেলের ছেলে তারেক এ আদেল ছাড়া আর কারো নাম শোনা যায়নি।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

শাম্মী আখতার আর নেই

স্বামী হত্যায় স্ত্রীসহ ৩ জনের ফাঁসির রায়

‘নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিপুল ভোটে জিতবে তাবিথ’

‘মিথ্যা মামলায় খালেদার কোনো ক্ষতি হবে না, জনপ্রিয়তা বাড়বে’

ডিএনসিসি উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট, আদেশ বুধবার

জেলপলাতক ৩ বাংলাদেশিকে এখনো ধরা যায়নি, সীমান্তে নজরদারি

অনশন ভাঙলেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা

পুতিনই হবেন রাশিয়ার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট

শেকলে বাঁধা সন্তান, উদ্ধার ১৩, গ্রেপ্তার পিতামাতা

আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা

ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকদের তলব করেছে আফ্রিকার ৫ দেশ

আপিলের অনুমতি পেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ

যৌন হেনস্থা নিয়ে ভয়ে মুখ খুলছেন না বলিউড অভিনেত্রীরা!

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় এক কোটি ওন দান করলেন অভিনেত্রী লি হানি

খালেদার শেষ, সালিমুল-শরফুদ্দিনের পক্ষে যুক্তিতর্ক মুলতবি

দক্ষিণ আফ্রিকায় মুক্তিপণ দেয়ার পরও খুন এক বাংলাদেশী