‘সত্যবাবু মারা গেছেন’ বইয়ের ৩য় অধ্যায়

এ আঘাত ততোটা ছিল না

মিডিয়া কর্নার

| ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২০
প্রয়াত প্রখ্যাত সাংবাদিক ফয়েজ আহমদের লেখা বহুল পঠিত গ্রন্থ ‘সত্যবাবু মারা গেছেন’। ওই বইয়ের তৃতীয় অধ্যায় ‘এ আঘাত ততোটা ছিল না’:

ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্র যদি পরাধীন বা অপরের ওপর নির্ভরশীল পররাষ্ট্র নীতি অবলম্বন করে, তবে আন্তর্জাতিক সমস্যা বা সংকটের সময় গৃহীত যে কোন পথই রাজনৈতিক বিপর্যয় এনে দিতে পারে। এক কথায় রাষ্ট্র যদি নিজের ব্যক্তিত্বের ওপর আস্থা রেখে স্বাধীনতা রক্ষা ও আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে, তবে তাকে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতেই হয়। এ জাতীয় ঘটনা বিশ্ব রাজনীতির দাবা খেলার অঙ্গনে প্রায়ই দেখা যায়। পাকিস্তান দাবা খেলোয়াড় না হয়ে দাবার ঘুটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে গিয়ে পররাষ্ট্র নীতির প্রশ্নে অনেক বারই এমন বিপর্যয়ের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। এমনই একটি বিপর্যয়ের মোকাবেলা পাকিস্তানকে করতে হয় সুয়েজখাল সমস্যা বা সুয়েজ যুদ্ধের সময়- ঊনিশ শ’ ছাপ্পান্ন সালের নভেম্বর মাসে।
পঞ্চাশের দশকে পাকিস্তানে খুব কম সংখ্যক পত্রিকাই ছিল, যেগুলো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করত।
লাহোর থেকে প্রকাশিত মিয়া ইফতিখার উদ্দিনের ‘পাকিস্তান টাইমস’ ও ঢাকার ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ অবশ্য সে যুগে নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের পক্ষে ইস্যুভিত্তিক মতামত প্রকাশ করতে দ্বিধা করত না। ঢাকার অপর বাংলা দৈনিক ‘সংবাদ’ তখন মুসলিম লীগের মালিকানার বাইরে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অধীনে ছিল বলে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতির প্রতি সুস্পষ্ট সমর্থন জানাতো। সুয়েজ সংকটের সময় ‘পাকিস্তান অবজারভার’ পত্রিকার মালিক জনাব হামিদুল হক চৌধুরী দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন বলে তাঁর এই পত্রিকাটি সরকারী নীতির সমর্থকের ভূমিকা গ্রহণ করে। সে সময় পাকিস্তান সরকার ইঙ্গ-ফরাসী শক্তির সমর্থন করতে গিয়ে এমন বিপদে পড়লেন যে, একদিকে তাকে আরবদের, বিশেষ করে মিসরের বিরুদ্ধে যেতে হয়, অপর দিকে পরোক্ষভাবে ইসরাইলের প্রতি সমর্থনও তার রয়েছে বলে মিসরীয় পত্রিকাগুলো বাখ্যা দিতে ছাড়েনি।
এই পরিস্থিতির জন্যে পরাধীন ও বৃহৎ শক্তির কাছে নতজানু পররাষ্ট্র নীতিই প্রধানতঃ দায়ী। বৃটেনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে সমর্থন করতে গিয়ে পাকিস্তান তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব হক চৌধুরীকে দিয়ে ইঙ্গ-ফরাসী ‘খাল ব্যবহারকারীদের ক্লাব’ বা ‘ক্যানেল ইউজার্স ক্লাব’ গঠনের প্রস্তাবের সাথে একমত হয়। শুধু তাই নয়, এই মিসর বিরোধী প্রস্তাব সমর্থন করে পাকিস্তান সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের এই মতের অনুসারী করার চেষ্টা করে। পূর্ব পাকিস্তান বা আজকের বাংলাদেশ অঞ্চলে সে সময় মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান আওয়ামী লীগ নিজ ঘোষণাপত্র মোতাবেক নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতির সমর্থক। মওলানা সায়েব সাম্রাজ্যবাদী বৃটেন ও ফ্রান্সের সুয়েজ খাল দখলের সকল চেষ্টার বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দেন এবং ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন যে সুয়েজ খাল মিসরের নিজস্ব এবং এই যুদ্ধ সাম্রাজ্যবাদ কর্তৃক মিসরের সার্বভৌমত্বের উপর হস্তক্ষেপের সমতুল্য। রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলনের উদ্দেশ্যে কোন স্থির সিদ্ধান্ত দেবার পূর্বেই প্রধানতঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বমতের গণতান্ত্রিক ছাত্র প্রতিষ্ঠানসমূহ রাজপথে সাম্রাজ্যবাদ ও সুয়েজ আক্রমণের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
ছাপ্পান্ন সালের জুলাই মাসে প্রেসিডেন্ট নাসের সুয়েজ খাল কোম্পানী জাতীয়করণের পরই বৃটেন ও ফ্রান্স মিসর আক্রমণ ও খাল দখল করার জন্যে ইসরাইলের সাথে এক গোপন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। আমেরিকাকে সে সময় এই চুক্তি সম্পর্কে কোন কিছুই নাকি জানানো হয়নি। কারণও অবশ্য ছিল। তখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আমেরিকার তেমন কোন প্রভাব ছিল না এবং সোভিয়েত ইউনিয়নও এই অঞ্চলে হস্তক্ষেপের কোন সুযোগ করে উঠতে পারেনি। অতীতের আধিপত্য অক্ষুন্ন রাখার উদ্দেশ্যে ইঙ্গ-ফরাসী শক্তি মধ্য-প্রাচ্যকে কেবলমাত্র নিজেদেরই কব্জার মধ্যে রাখতে চেয়েছিল। তাছাড়া বৃটেন ও ফ্রান্সই ছিল উক্ত খাল কোম্পানীর প্রধান মালিক। এই মালিকানা ও খালের উপর আধিপত্য বিস্তার অব্যাহত রাখার প্রয়োজনেই ইঙ্গ-ফরাসী সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ইসরাইলকে মিসরের উপর আক্রমণের জন্যে উৎসাহিত করে বলেই ঐতিহাসিকগণ মন্তব্য করেছেন। ইসরাইল ঊনত্রিশে অক্টোবর মিসরের সিনাই অঞ্চল অস্থায়ীভাবে দখল করে নেয়। এযাবৎ তিনবার সিনাই দখলের মধ্যে সেবারই ছিল প্রথম।
ভূমধ্যসাগরে মিসরের কাছাকাছি অঞ্চলে বৃটেন ও ফ্রান্সের দু’শতাধিক রণপোত এসে মিসর আক্রমণের প্রস্তুতি নেয় এবং পাঁচই নভেম্বর ও পরবর্তী দিনে পোর্ট সৈয়দ ও নিকটবর্তী এলাকায় দু’ ডিভিশন ইঙ্গ-ফরাসী সৈন্য নামিয়ে দেয়া হয়। ঘোরতর যুদ্ধের শুরুতেই নাসেরের নির্দেশে সুয়েজের মুখে জাহাজ ডুবিয়ে প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেবার পর আক্রমণকারীরা সংকটের মধ্যে পতিত হয়। যুদ্ধের সময় বৃটিশ পাউন্ডের মূল্য হ্রাস পেতে থাকে এবং যুদ্ধ ব্যয় বৃটেনকে বিপদের মুখে ঠেলে দেবার আশঙ্কা দেখা দেয়। এই অবস্থায় বৃটেনের সাম্রাজ্যবাদী শক্তির উপর বিশ্বাসী বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী এন্থনী ইডেন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অসম্মানজনক শর্তে দেড় বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছিল এবং এই ঋণের প্রধান শর্ত ছিল, সুয়েজ যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। প্রায় একই সময়ে সোভিয়েত, বৃটেন ও ফ্রান্সকে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য কড়া হুমকি দিয়ে ব্যবস্থা অবলম্বনের কথা ঘোষণা করে। অপর দিকে স্বাধীন ও তৃতীয় বিশ্বের নব উত্থিত দেশগুলো তাদের ক্ষীণ কণ্ঠে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে।
আক্রমণকারীরা যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য হয়। সোভিয়েতের বিলম্বিত হুমকীর কারণ ছিল। এই যুদ্ধের মাত্র সাত দিন পূর্বে হাঙ্গেরীতে ডানপন্থী বিদ্রোহ শুরু হয়। এবং বিদ্রোহীরা ‘ওয়ারশ’ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার কথা ঘোষণা করার পর সোভিয়েত ট্যাঙ্ক চৌঠা নভেম্বর হাঙ্গেরীতে প্রবেশ করে। হাঙ্গেরীর ব্যাপারে হস্তক্ষেপজনিত কারণে সোভিয়েত মিসরের যুদ্ধে প্রথম ক’দিন প্রকাশ্য ভূমিকা নেয়নি। সুয়েজের এই যুদ্ধ থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে আমেরিকা ও সোভিয়েতের প্রবেশের পথ উন্মুক্ত হলো। অপরদিকে বৃটেন ও ফ্রান্সের সরাসরি প্রভাব তখন থেকেই শিথিল হতে শুরু করে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরবর্তীকালে আইসেনহাওয়ারের প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশের পথ খুঁজছিল। সোভিয়েত তুদে পার্টির মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয়ের যে পথ ধরেছিল, তা ছিল মন্থর। পঞ্চাশের গোড়া থেকেই তাঁবেদার রাষ্ট্রে অর্জনের জন্যে এ দু’টি বৃহৎ রাষ্ট্র প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে যে অস্ত্র বিভিন্ন রাষ্ট্রে সরবরাহ করে আসছিল, তার উপর নির্ভর করে তখন থেকে শক্তিশালী রাষ্ট্র দু’টির তৎপরতা আরম্ভ হয়।
তুলনামূলকভাবে অতি ক্ষুদ্র শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্র পাকিস্তান বান্দুং, সম্মেলনের পঞ্চশীলা নীতি অনুসরণ করে চলার কথা ঘোষণা করলেও বাগদাদ ও সিয়াটো চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার উপ-অঙ্গরাজ্যে পরিণত হতে চলে। সুয়েজ যুদ্ধের সময় পর্যন্ত মাত্র প্রায় দশ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রটি পূর্ব প্রভু বৃটিশ রাষ্ট্রের প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত ছিল। কিন্তু ইতিমধ্যেই আমেরিকার প্রভাব মন্ত্রিসভা থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক বিন্যাস পর্যন্ত প্রতিফলিত হচ্ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র কতোখানি উদগ্রীব বা তৎপর, সে সম্পর্কে হয় তো পাকিস্তান উপযুক্ত তথ্যসমূহ অবগত ছিল না। এবং সুয়েজ যুদ্ধই যে আমেরিকাকে শেষ পর্যন্ত বৃটেন-ফ্রান্সের স্থলে মধ্যপ্রাচ্যের বিধাতায় পরিণত করবে, সে কথা তখন পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারকদের মস্তিষ্কে প্রবেশ করেনি। যদিও বৃটেন কখনো স্বীকার করেনি যে, ইসরাইলের সিনাই আক্রমণের সাথে তাদের যোগসাজস রয়েছে, তবুও একথা সুস্পষ্ট যে ইসরাইল কর্তৃক মিসর আক্রমণ ও সুয়েজ যুদ্ধ একই সূত্রে গাঁথা। ফলে পাকিস্তান বৃটেনকে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন করতে গিয়ে যে ভূমিকা অবলম্বন করে, তা হয়ে পড়ে ইসরাইলকে পরোক্ষ সমর্থনের তুল্য।
এই ভ্রান্ত পররাষ্ট্রনীতির ফলে মিসর পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং দীর্ঘ দিন পর্যন্ত মিসরের সাথে পাকিস্তানের সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিল বৈরীভাবাপন্ন। অন্যদিকে, সাধারণভাবে সমগ্র পাকিস্তানের জনগণ ছিলেন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ও মিসরের পক্ষে। এর ফলে সরকারী নীতির বিপক্ষেই জনগণের রায় ছিল। পাকিস্তানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর, বিশেষ করে ঢাকার ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে বিক্ষোভ শুরু করে। এই বিক্ষোভ এমনই প্রবল হয়ে ওঠে যে, তখন যদি অভ্যন্তরীণ কুশাসনের বিরুদ্ধে আপামর জনসাধারণ রুখে দাঁড়াতো, তাহলে বিক্ষোভের তীব্রতা বিদ্রোহের রূপ নিতে পারত।
একটি নির্ধারিত দিনে ঢাকায় ছাত্র সমাজ বিক্ষোভ মিছিল বের করে তোপখানা রোড ধরে বর্তমানের নর্থ-সাউথ রোড দিয়ে জিন্না এ্যাভেন্যুর দিকে যেতে চেষ্টা করে। পুলিশ এই উত্তপ্ত বৃহৎ মিছিলটির পথ বন্ধ করে দাঁড়ায় এবং লাঠিচার্জ করতে থাকে। কারণ সম্মুখেই ছিল বি-আই-এস অর্থাৎ বৃটিশ তথ্য প্রচার সার্ভিসের অফিস। বর্তমানের ‘মুক্তাঙ্গনে’র পাশে কাঠের তৈরী এই অফিসটি ছিল সায়েবী বাংলোর মতো। ছাত্ররা পুলিশের বাধা পেয়ে প্রচ- আক্রোশে ফেটে পড়ে। সরকারের ভুল নীতি, তার ওপর বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দান যেন পাগলা ঘোড়ার পিঠে কশাঘাতের সামিল হয়ে দাঁড়ালো। পল্টনের চৌমাথায় পুলিশের ব্যারিকেড মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার যুবক ভেঙ্গে অগ্রসর হলো বি-আই-এস-এর দিকে। ছাত্ররা খণ্ড খণ্ড দলে বিভক্ত হয়ে উক্ত বৃটিশ অফিসটি ঘিরে ধরল এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদুনে গ্যাসের মধ্যে বৃটিশ সরকারের এই অফিসটিতে চারদিক থেকে আগুন ধরিয়ে দিল।
আগুনের শিখা ঢাকার আকাশ আলোকিত করে তুললো। অসহায় পুলিশ ও ফায়ার ব্রিগেডের সম্মুখে সাম্রাজ্যবাদের প্রতীক এই অফিসটির সমস্ত মূল্যবান প্রচার যন্ত্রাদি ও কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেল। সেদিনের সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সেই প্রচ- বিক্ষোভ ইঙ্গ-ফরাসী চক্রের বিরুদ্ধেই শুধু ছিল না,পাকিস্তান সরকারের ভ্রান্ত পররাষ্ট্র নীতির নিন্দাও তাতে প্রকাশ পেয়েছিল।
আমরা ঢাকায় প্রায় অর্ধ ডজন রিপোর্টার এই বিক্ষোভ মিছিল কভার করতে গিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছিলাম। শতাধিক ছাত্র-যুবকও আহত হয়েছিল পুলিশের হাতে। ছাত্র নেতা তাহাকে (প্রয়াত) সেই সন্ধ্যায় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল তোপখানা রোডের পার্শ্বস্থ একটি গলির সম্মুখের ড্রেন থেকে।
“দেশটাকে নয়া উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের কবলে দেখতে পেয়ে যতোটা আহত হয়েছিলাম, পুলিশের আঘাত সে তুলনায় ততোটা ছিল না।’ ঘটনার পরবর্তীকালে ‘মনিং নিউজে’ কার্যরত আমাদের চাইতে সিনিয়র সংবাদ-প্রতিনিধি জনাব এ. এল খাতিব এই মন্তব্য করেন।

[আগামীকাল পডুন বইটির চতুর্থ অধ্যায় ‘আমরা যেন হারিয়ে যাচ্ছি’।]

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন