মায়ের কোল থেকে চুরি হওয়া শিশু নারায়ণগঞ্জে উদ্ধার

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২২ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার
মাঝ রাতে ঘুমন্ত মায়ের কোল থেকে চুরি হওয়া তিন মাস বয়সী এক শিশু জিমকে নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফতুল্লা থানার সহায়তায় শাহবাগ থানার একদল পুলিশ মঙ্গলবার বিকালে ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার একটি মার্কেট থেকে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মনোয়ারা  বেগম নামে এক নারীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে পুলিশ। ফতুল্লা থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রোকসানা আক্তার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফতুল্লা থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, ১০ হাজার টাকায় শিশু জিমকে দত্তক নিয়েছে বলে দাবি করেছেন আটক মনোয়ারা বেগম। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান জানান, জিমের খালাতো ভাই রাফসান তাকে ১০ হাজার টাকায় ফতুল্লার কাশিপুর খিলমার্কেটের বাসিন্দা মশিউর রহমান জুয়েলের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, জিমের বাবা যে ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন, সেই একই ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন মনোয়ারা বেগমের শ্বশুর। মশিউর-মনোয়ারা দম্পতি নিঃসন্তান। সোমবার দিবাগত রাতে জিমের খালাত ভাই রাফসান ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে জিমকে মনোয়ারা বেগমের কাছে বিক্রি করে দেয় বলে দাবি করেছেন মনোয়ারা বেগম। এসআই সাইফুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আমরা এসব তথ্য পেয়েছি। তবে রাতে শিশুটিকে কিভাবে হাসপাতাল থেকে বের করা হলো কিংবা আসলেই শিশুটিকে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছিল কিনা-এগুলো তদন্ত করে দেখতে হবে। সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখলে এসব বিষয় আরো স্পষ্ট হবে। এদিকে, শিশু জিম চুরির ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এই কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। ঢামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. আবু জাহের, উপ-পরিচালক (অর্থ) ডা. বিদ্যুৎ কান্তি পাল ও সহকারী পরিচালক ডা. সাইদুজ্জামান। এর আগে, সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে শিশু জিম চুরি হয়। শিশু জিমের বাবা রিকশাচালক জুয়েল মিয়া এই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের খুরশিদ মহল গ্রামে। জুয়েল মিয়া জানান, হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০১ নম্বর ওয়ার্ডের ৪০ নম্বর বেডে ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন মা মাজেদা। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সজাগ হয়ে দেখেন ছেলে জিম নেই।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভর্তি জালিয়াতি সন্দেহে রাবির দুই ছাত্রলীগ নেতা আটক

‘এটাও কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়’

সৌদিই ব্যতিক্রম

তাদের কি বিবেক বলে কিছু নেই

ঢাকা উত্তরের উপনির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে

যেভাবে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হয় আকায়েদ

স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় মেটাতে দারিদ্র্যসীমার নিচে ৫ শতাংশ পরিবার

তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটাকে হাইজ্যাক করে ফেলেছে

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে ৬০০ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আরো বেড়েছে দেশি পিয়াজের দাম

সময় চাইলেন ‘অসুস্থ’ বাচ্চু

ঢাকার আকাশে ঝড়ের ঘনঘটা

বিএনপির প্রচারণায় বাধার অভিযোগ

বিএনপির বিজয় র‌্যালি

ব্যবহারে বংশের পরিচয়

‘উন্নয়ন কথামালায়, মানুষ কষ্টে আছে’