কেক কেটে তারেক রহমানের জন্মদিন পালন

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ নভেম্বর ২০১৭, সোমবার, ১১:০৬ | সর্বশেষ আপডেট: ২:০১
তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষে সিনিয়র নেতাদের নিয়ে কেক কেটেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। রাত ১২টা ১ মিনিটে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি ৫৩ পাউন্ড ওজনের এ কেক কাটেন। এ সময় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমেদ, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিশিষ্টজন এ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পরে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো আলাদাভাবে কেক কেটে তারেক রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেছে।
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর।
তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রথম সন্তান। রাজধানীর বিএফ শাহীন স্কুলে পড়াশোনা করলেও ১৯৮১ সালে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল, নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমে আইন বিভাগে ও পরে লোক প্রশাসন বিভাগে ভর্তি হলেও পড়াশোনা শেষ করা হয়নি। পরে পেশা হিসেবে ব্যবসাকে বেছে নেন তিনি। পিতা জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপির বগুড়া কমিটির সদস্য হিসেবে যোগদান করে তারেক রহমান তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনে যোগ দেয়ার পূর্বেই তারেক রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক তার মা খালেদা জিয়ার সহচর হিসেবে সারা দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও তারেক রহমান মা খালেদা জিয়ার প্রচারণা কার্যক্রমের পাশাপাশি পৃথক পরিকল্পনায় দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা চালান। মূলত ২০০১ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় তার অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতিতে তারেক রহমানের সক্রিয় আগমন ঘটে। ২০০২ সালে দলের স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএনপির একজন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। দলের উর্দ্ধতন পর্যায়ে নিয়োগ লাভের পরপরই তারেক রহমান দেশব্যাপী দলের মাঠপর্যায়ের নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেন। মূল সংগঠন সহ সহযোগী সংগঠন- জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ইত্যাদি আয়োজিত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে তারেক রহমান কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন ও মাঠপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও মতামত গ্রহণ করেন। মূলত এই জনসংযোগ কার্যক্রমের ফলে দলের নেতাকর্মীদের তরুণ অংশটির মাঝে তারেক রহমান শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধানমন্ত্রীর সন্তানের পরিচিত থেকে বেরিয়ে এসে দলের একজন দক্ষ সংগঠক ও সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ওয়ান ইলেভেনের পর ২০০৭ সালের ৭ মার্চ একটি দূর্নীতি মামলার আসামী হিসেবে তারেক রহমানকে তার ঢাকা ক্যান্টমেন্টস্থ মইনুল রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আরও ১৩টি দূর্নীতির মামলা দায়ের ও তাকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রায় আঠারো মাস কারান্তরীণ থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সবগুলো মামলায় জামিন পান। ১১ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য যান। তারপর থেকে সপরিবারে লন্ডনে অবস্থান করছেন তিনি। এদিকে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।
[কাফি/এমকে]

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ওআইসি’র ঘোষণা নেতানিয়াহু’র প্রত্যাখ্যান

প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন

ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা

গাজীপুরে মসজিদের ভেতর নৈশ প্রহরীকে গলা কেটে হত্যা

‘প্রেম’ করে বিয়ে, চাকরি হারালেন শিক্ষক দম্পতি

চবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির সত্যতা মিলেছে

প্রশ্ন ফাঁস হতো প্রেস থেকে

আবাসিক এলাকায় রাতে হর্ন বাজানোয় নিষেধাজ্ঞা

‘বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনে বাধা নেই’

কুয়ালালামপুরে গ্রেপ্তার ২ ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা

জামিনে আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক

নারী সহশিল্পীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করা হয় আমাকে

বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করার আবেদন প্রত্যাখ্যাত ইন্দোনেশিয়ায়

প্রথম ১ মাসে ৬৭০০ রোহিঙ্গাকে হত্যা

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে মিয়ানমার, বাংলাদেশ সফরের আহ্বান

৪ সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ভূমিমন্ত্রীপুত্র কারাগারে