নি র্বা চ নী হা ল চা ল (ফরিদপুর ১)

ফ্যাক্টর প্রার্থী মনোনয়ন

এক্সক্লুসিভ

এরশাদ সাগর, বোয়ালমারী (ফরিদপুর) থেকে | ২০ নভেম্বর ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৪৮
আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী উপজেলা নিয়ে ফরিদপুর-১ আসন। সারা দেশের মতো এখানেও বইছে নির্বাচনী হাওয়া । মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নেমেছেন জনসংযোগে। প্রচার-প্রচারণাও চলছে বেশ জোরেশোরে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগে বেশ ক’জন নতুন মুখ মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
স্বাধীনতার পর থেকেই এই আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে। এবারও সেই ধারাবাহিকতা রাখতে চায় দলটি। অপর দিকে আওয়ামী লীগের দুর্গে এবার জয় পেতে চাচ্ছে বিএনপি।
তবে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, আগামী নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসনে প্রার্থী মনোনয়ন ফ্যাক্টর হবে। নির্বাচনের জয়-পরাজয় নির্ভর করবে প্রার্থী মনোনয়নের ওপর।  
আগামী বছরের শেষদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা সেই সময়কে সামনে রেখেই প্রস্তুত হচ্ছেন। ভোটাদের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন। তবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রচারণা দৃশ্যমান হলেও বিএনপি কাজ করছে ভেতরে ভেতরে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুর রহমান আগামীতেও নৌকার টিকিট চান। তার অনুসারীরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন। তিনি নিজেও আগের চেয়ে বেশি বেশি এলাকায় যাচ্ছেন।
বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বর্তমান এমপি মুষ্টিমেয় লোকজনকে নিয়ে চলাফেরা করেন। তাদের বাইরে অন্যরা তার কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পান না। এতে করে দলীয় নেতা-কর্মীদের অনেকেই তার উপর ক্ষুব্ধ। এর ফলে দেখা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে এমপি সমর্থিত প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। বোয়ালমারী পৌরসভার নির্বাচনে তৃতীয় হয়েছিলেন এমপির ঘনিষ্ঠজন শাহজাহান পিকুল। সবকিছুর পরেও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে আবদুর রহমান প্রার্থী তালিকায় এগিয়ে আছেন।
এই আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান দোলন। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার সন্তান। এলাকার অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও শিক্ষার উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে তিনি কাজ করছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন। আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী উপজেলাতে নিয়মিত গণসংযোগ করছেন।
সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলামও চাইছেন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে। প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন জোরেশোরে। এলাকায় তার ক্লিন ইমেজ রয়েছে। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
এছাড়া নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বোয়ালমারী উপজেলার একাধিক বারের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশা। বোয়ালমারী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তার শক্ত অবস্থান আছে বলে মনে করেন তার অনুসারীরা। এছাড়া নিজ উপজেলার উন্নয়নেও তিনি কাজ করেছেন। সে হিসাবে আগামী নির্বাচনে তিনি নৌকার টিকিট চান। এজন্য প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছেন। এছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি লায়ন মো. সাখাওয়াত হোসেন।
ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপির দুটি গ্রুপ রয়েছে। একটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো. আবু জাফর। অপর গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।
আগামী নির্বাচনে সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মো. আবু জাফরকে এবারও সম্ভাব্য প্রার্থী ধরে নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বিএনপি। পাশাপাশি সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামও চাইছেন ধানের শীষের প্রার্থী হতে। এ লক্ষ্যে তিনি এলাকায় যাচ্ছেন। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। এ আসনে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ছাড়া অন্য দলগুলোর কর্মকাণ্ড চোখে পড়ার মতো নয়।

আগামীকাল: গাইবান্ধা-৪

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভর্তি জালিয়াতি সন্দেহে রাবির দুই ছাত্রলীগ নেতা আটক

‘এটাও কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়’

সৌদিই ব্যতিক্রম

তাদের কি বিবেক বলে কিছু নেই

ঢাকা উত্তরের উপনির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে

যেভাবে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হয় আকায়েদ

স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় মেটাতে দারিদ্র্যসীমার নিচে ৫ শতাংশ পরিবার

তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটাকে হাইজ্যাক করে ফেলেছে

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে ৬০০ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আরো বেড়েছে দেশি পিয়াজের দাম

সময় চাইলেন ‘অসুস্থ’ বাচ্চু

ঢাকার আকাশে ঝড়ের ঘনঘটা

বিএনপির প্রচারণায় বাধার অভিযোগ

বিএনপির বিজয় র‌্যালি

ব্যবহারে বংশের পরিচয়

‘উন্নয়ন কথামালায়, মানুষ কষ্টে আছে’