সিজিএস-এর সেমিনার

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের তাগিদ

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ নভেম্বর ২০১৭, রবিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৭
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের ওপর জোর দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা। তারা বলেছেন, তা নাহলে দেশ একটি দীর্ঘমেয়াদি বেসামরিক কর্তৃত্ববাদী শাসনের মধ্যে ঢুকে যাবে। বিশিষ্ট নাগরিকরা মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রাজনৈতিক জবাবদিহিতা। আর এই জবাবদিহিতা নিশ্চিতের প্রধান অনুষঙ্গ হচ্ছে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। গতকাল রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এ সেমিনারের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)। ‘বাংলাদেশের নতুন মধ্যবিত্ত, গণতন্ত্র ও ধর্মের প্রশ্ন’- শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।
এতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক চালচিত্র বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনগুলোর দিকে মনোযোগ দেয়া দরকার। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়া, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সততা, ভিন্নমত প্রকাশের স্থান সংকুচিত হওয়াসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মধ্যবিত্ত শ্রেণির যথেষ্ট উদ্বেগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এটা ভালো গণতন্ত্রের জন্য শুভকর নয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেন, সারা বিশ্বের নির্বাচনগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সংখ্যালঘিষ্ঠ ভোট পেয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সরকার গঠন করছে। এতে করে জনগণের সরকার হচ্ছে না। এ ধরনের সরকারের জন্য প্রয়োজন প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার। সেটার জন্য প্রয়োজন রেফারেন্ডাম এবং আনুপাতিক হারে নির্বাচনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এতে করে গণতন্ত্র আরও অনেক পূর্ণতা পাবে। তিনি বলেন, আমাদের এখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো ধর্মীয় সংস্কার হয়নি। ধর্ম নিয়ে এই হৈ চৈ শুধু বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও হচ্ছে। যত মুসলমান রাষ্ট্র আছে, শুধু মুসলমান না, খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোতেও হচ্ছে। এটা দূর করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কি হবে? আমার ধারণা দু’টো বিষয়ের একটি হতে পারে। যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে। আরেকটি হলো ইসলাম ধর্মে যে সংস্কারের সমস্যা সেটার একটা সমাধান হবে। তার লক্ষণ হলো সৌদি আরব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ২০০৪ সালে গোল্ডম্যান স্যাক্স জার্নাল পরবর্তী সম্ভাবনাময় দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১১। ২০১৭-তে এসেও বাংলাদেশের স্থান সেই ১১-তেই পড়ে আছে। তার মানে গল্পটা এখন গতকালের গল্প হয়ে গেছে। গত ১৩ বছরে বাংলাদেশের ওই অর্থে কোনো অগ্রগতিই হয়নি। তিনি আরো বলেন, বর্তমান বাস্তবতা হচ্ছে- অর্থনীতি এগোচ্ছে, রাজনীতি একটু দুর্বল। বিশেষ করে ২০১৪-এর পর একধরনের সীমারেখা, বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। একটা নতুন ধরণের বেসামরিক কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা চালু হয়েছে। অন্যদিকে, সরকার বৈধতার সংকটে ভুগছে। এনিয়ে সরকারের মধ্যে একটা অস্থিরতা রয়েছে। তিনি বলেন, একাত্তরের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক জবাবদিহিতা তৈরি একটা প্রয়োজনীয় মাধ্যম। আর এর অন্যতম হচ্ছে একটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন। নাহলে আমরা একটা দীর্ঘমেয়াদি বেসামরিক কর্তৃত্ববাদের শাসন ব্যবস্থার মধ্যে ঢুকে যাব।
গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আজ কোথাও কোনো মুক্তচিন্তা নেই। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মানে হলো আমাদের দেশের ওপর বিভিন্ন দেশের আগ্রহ বেড়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যদি দেখি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ওআইসি‘র লোকজন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেখছি আমরা বন্ধুশূন্য। আমরা কেন বন্ধুশূন্য হলাম। নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা আমাদের পাশে নেই। চীন, রাশিয়া আমাদের বন্ধু। তারাও পাশে নেই। প্রধানমন্ত্রী মানবতার অবতার। তার নেতৃত্বে বন্ধুশূন্য হবে কেন দেশ। এটা গবেষণার বিষয়।
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আসলে সকল ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক চর্চা হওয়া দরকার। সেটা হলে আমাদেরকে হেফাজতের সঙ্গে লড়াই করতে হতো না। পরিস্থিতি এমন হতো না যে, পরদিনই সরকারকে ফেলে দেয়া হবে। আসলে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই আমাদের রাজনীতি করতে হয়। আবদুর রাজ্জাক বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনকে আমরাও প্রশ্নবোধক নির্বাচনই বলি। যদি ওই নির্বাচনে বিএনপি আসতো তাহলে কারচুপির কারণে তারা হারলেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতো না। তাদের জ্বালাও- পোড়াওয়ের রাজনীতির মধ্যে যেতে হতো না। আজ রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের এই ক্ষয়িষ্ণু অবস্থাও তৈরি হতো না। তবে আমরা সকলেই চাই অংশগ্রহণমূলক একটা নির্বাচন। এটা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, উপমহাদেশের রাজনীতিতে ধর্মীয় প্রভাব সবসময় ছিল। এরশাদের শাসনামলে যখন রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করা হয়েছিল তখন সেটা কোনো রাজনৈতিক দলের দাবি ছিল না। সেই থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি ধর্মের বাইরে আসতে পারেনি। সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রও এখন রাজনীতিতে ধর্ম টেনে আনছে। ভারতে ছবি মুক্তির ইস্যুতেও ধর্ম জড়িয়ে পড়ছে। তাজমহল থাকবে কি থাকবে না সে প্রশ্নও উঠছে। তাহলে আমাদের দেশের রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার হবে না কেন? আসলে সারা পৃথিবীতেই এখন ধর্মীয় মৌলবাদের চর্চা বাড়ছে। এতে করে ক্ষমতায় যাওয়ার রাস্তা প্রশস্ত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক বলেন, নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে একটা নিস্পৃহ ভাব চলে এসেছে। এ অবস্থায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা ভাল গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ হবে সেটা বলা কঠিন। বর্তমানে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে সংগ্রামী চেতনা নেই। তারা দলদাসে পরিণত হয়েছে।
মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী রাজনীতিতে ধর্মের প্রভাব প্রসঙ্গে বলেন, কি আর বলব। যে দলটি একটি সেক্যুলার ধ্যানধারণ নিয়ে চলত সে দলটি এখন ধর্মান্ধ হেফাজতকে নিয়ে টানাটানি করে। তখন কি বলা যায়- রাজনীতি যেভাবে চলছে তাতে আশঙ্কা হয় অচিরেই দেখা যাবে আমরা যাদের পছন্দ করি না তারাই ক্ষমতায় চলে আসবে। গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের দুর্বলতা, রাজনীতিতে ধর্মের প্রভাব কাটাতে বিদেশি বইপত্র, রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতামত নেয়া খুব জরুরি নয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পেছনের যে চার নেতা শেরে বাংলা, সোহ্‌রাওয়ার্দী, ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু তাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে যে দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন সেসব গবেষণা করলেই চলবে। আমার ধারণা বাংলাদেশ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে সেভাবেই এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-এর সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ভিশন-২০২১ বা ২০৩০ এসবে সমাধান না খুঁজে আমাদের সবাইকে ব্যাক টু ভিশন একাত্তরে ফিরে যেতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশ সেক্যুলার ও উদারনৈতিক রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাবে।
সিজিএস-এর নির্বাহী পরিচালক ও টেলিভিশন উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও অংশ নেন সিজিএস-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম আতাউর রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাকহিলস স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আহরার আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিআইজিডি-এর হেড অব অপারেশন্স সরওয়ার জাহান চৌধুরী প্রমুখ।
সিজিএস-এর নির্বাহী পরিচালক ও টেলিভিশন উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, গণতন্ত্র বেশি প্রয়োজন না উন্নয়ন বেশি প্রয়োজন। এই বিতর্ক বাংলাদেশে আছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে এই বিতর্ক আছে যে এখানে ধর্মের গুরুত্ব কি হবে। কোনো বিশেষ ধর্মের লোক যদি ধর্ম নিয়ে কথা বলেন তখন আমরা তাকে বলবো সাম্প্রদায়িক। এক ধর্মের মানুষ যখন অন্য ধর্ম নিয়ে কথা বলেন তখন তাকে নাস্তিক বলা হয়। আবার ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে।
স্বাগত বক্তব্যে সিজিএস-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম আতাউর রহমান বলেন, যেকোনো দেশের উন্নতির জন্য বিকাশমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই মধ্যবিত্ত না থাকলে বাংলাদেশের জন্মই হতো না। যদিও স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুতে মধ্যবিত্ত বড় ভূমিকা রাখলেও পরে সে আন্দোলনে কৃষক-শ্রমিক-আপামর জনতা ঝাঁপিয়ে পড়ে। এজন্যই স্বাধীনতা ত্বরান্বিত হয়। যদিও এখন বাংলাদেশ অনেকখানি কর্পোরেট বাংলাদেশের চরিত্র ধারণ করছে।
মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, আদর্শহীন মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে উঠছে দেশে। এটা বড় শঙ্কার কথা। মানুষ ধার্মিক হয়ে উঠছে এটা ক্ষতির কারণ না। তবে অর্থের কারণে অনেক সময় ধর্মের বিস্তৃতি ঘটছে। কওমী মাদরাসার ছেলেরা কর্মসংস্থানের জন্য নতুন করে কওমী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করছে। অন্যদিকে মেধার ভিত্তিতে চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকায় তরুণ প্রজন্মকে চাকরি কিনতে হচ্ছে। এ সংস্কৃতি বদলাতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে এটা চাপিয়ে দেয়া তথ্য। পরিসংখ্যান ব্যুরো তাদের রিপোর্টে একদিকে দাবি করে সম্পদ বেড়েছে তবে বৈষম্যও কমেনি। আবার উন্নয়ন ঘটছে তবে বেকারত্ব বাড়ছে। এভাবেই আমাদের একটা গোঁজামিলের মধ্য দিয়ে দেশের উন্নয়ন দেখানো হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. সাদেকা হালিম বলেন, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক মাধ্যমে মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ হচ্ছে। মধ্যবিত্তের কাছে আমাদের প্রত্যাশা তারা চাপ সৃষ্টিকারী গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা বদল হওয়ার সুযোগ না থাকলে তখন দেশে সামরিক শাসন আসে। ক্ষমতাসীনরা সাংবিধানিক স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি বদলে আগ্রহ দেখায় না। কারণ ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হলে তারা পুঁজি হারায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাকহিলস স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আহরার আহমেদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি জহিরুল হক স্বপন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিআইজিডি-এর হেড অব অপারেশন্স সরওয়ার জাহান চৌধুরী প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভারতে তিন তালাক বিরোধী খসড়া আইনে সরকারের অনুমোদন

বিরোধীরা আসলেই কাগুজে বাঘ: মোজাম্মেল হক

গাংনী বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ

মহান বিজয় দিবস আজ

চট্টলার সিংহপুরুষের বিদায়

রাজধানীতে বৃদ্ধা ও শিশু খুন

বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল একটা আদর্শ নিয়ে

সবক্ষেত্রে চাই গুণগত সেবা

বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হতে পারে স্পেন!

কাদের-মওদুদকে ঘিরেই স্বপ্ন দু’দলের

শেষমুহূর্তে তৎপর বিএনপি

ট্রাম্প প্রশাসনের ধর্মীয় পক্ষপাতিত্ব

ইউপিডিএফ ভাঙার নেপথ্যে

মুক্তিযোদ্ধাকে হারিয়ে দুইয়ে শেখ জামাল

সারা দেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি ১৮ ডিসেম্বর

যেভাবে অপহরণকারীদের হাত থেকে মুক্ত হলেন সিলেটের ব্যবসায়ী মুন্না