কঠোর বার্তা নিয়ে মিয়ানমারে রেক্স টিলারসন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৫ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার
কঠোর বার্তা নিয়ে মিয়ানমার পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারকসন। রাজধানী ন্যাপিডতে পৌঁছার পর বুধবার তিনি সোজা চলে যান সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইয়ের কাছে। এরপর তার সাক্ষাত করার কথা রয়েছে অং সান সুচির সঙ্গে। এই সুচিই মিয়ানমারের বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ নেত্রী। তার সরকারের বয়স দু’বছরের কিছুটা কম। সেনাবাহিনীর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে তিনি সরকার গঠন করেছেন।
কিন্তু নিয়ন্ত্রণ নেই সেনাবাহিনীর ওপরে। তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর  আজ বুধবারই যৌথ সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে রেক্স টিলারসন ও অং সান সুচির। ফলে এ অঞ্চলের সবার চোখ এখন মিয়ানমারের দিকে। রোহিঙ্গা সঙ্কট, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর নৃশংস নির্যাতনের বিষয়ে তিনি কি বার্তা দেন মিয়ানমারকে তা জানতে উদগ্রীব বিশ্ববাসী। উল্লেখ্য, ২৫ শে আগস্ট মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের ওপর আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির (আরসা) চালানো হামলার জবাবে নৃশংস প্রতিশোধমুলক অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। এতে কমপক্ষে ৬ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হয়। এ নিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সতর্কতামুলক অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। টিলারসনের মিয়ানমার সফরের আগে দু’জন সিনেটর দেশটির সেনাবাহিনী ও তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপের দাবি জানিয়েছেন। তার পর পরই টিলারসনের এই সফর। এরই মধ্যে মঙ্গলবার ফিলিপাইনে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে তার সরকার কি কি প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তার ব্যাখ্যা করেন সুচি। একই সঙ্গে যেসব রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চান তাদের বিষয়ে কি পরিকল্পনা রয়েছে তাও তুলে ধরেন তিনি। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমারেই বৈঠক করবেন টিলারসন। তার সঙ্গে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যাতে রাখাইনে ফিরতে পারেন সে জন্য সেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানকে বলবেন টিলারসন। ওই কর্মকর্তা বলেন, আমরা রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে স্থিতিশীল একটি এলাকা প্রতিষ্ঠার দিকে জোর দিয়েছি, যাতে লোকজন ফিরে যেতে পারেন। সহিংসতা বন্ধ হয়। নিশ্চিত হতে চাইছি যাতে ওই এলাকায় সব মানুষকে সমান নিরাপত্তা দেয় সেনাবাহিনী। সর্বশেষ নৃশংসতার জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত করে বিচারের আহ্বান জানাই আমরা। কিন্তু টিলারসনের এই সফরের আগে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কোনো কিচ্ছুই করে নি বলে নিজস্ব রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে সেনাবাহিনীর এই রিপোর্টকে হোয়াইটওয়াশ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি

‘বিএনপি নির্বাচনে না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে’

আনন্দ শোভাযাত্রার রুট ম্যাপ দেখে চলাচলের অনুরোধ ডিএমপির

‘হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়ায় আমারদেশ প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে’

সমঝোতা স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গারা প্রবেশ করছে

কাউন্টারে টিকেট নেই, দ্বিগুণ দামে মিলছে ফেসবুকে!

৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সরকারিভাবে উদযাপন আগামীকাল

‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রমাণ করে তারা গুমের সঙ্গে জড়িত’

শপথ নিলেন মানাঙ্গাগওয়া

বাণিজ্য, জ্বালানী ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

‘বিএনপির ভোট পাওয়ার মতো এমন কোনো কাজের নিদর্শন নেই’

তাজরীন ট্র্যাজেডির ৫ বছর, শেষ হয়নি বিচার

দুই দফা জানাজা শেষে নেত্রকোনার পথে বারী সিদ্দিকীর মরদেহ

রোহিঙ্গা ফেরতের চুক্তি ‘স্টান্ট’: এইচআরডব্লিউ

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী