প্রধান বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৭
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ। প্রেসিডেন্টের প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গতকাল জানিয়েছেন পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হবে। ষোড়শ সংশোধনীর রায় প্রকাশের পর ক্ষমতাসীন দলের তোপের মুখে পড়া প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছুটি নিয়ে গত ১৩ই অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া চলে যান। ছুটি শেষে তিনি সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে কানাডা পাড়ি দেন। হাইকমিশনের মাধ্যমে পদত্যাগপত্র বঙ্গভবনে আসলে শনিবার তা পাওয়ার কথা জানানো হয়।
২০১৫ সালের ১৭ই জানুয়ারি দেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন এস কে সিনহা। বয়স অনুযায়ী ২০১৮ সালের ৩১শে জানুয়ারি তার অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে ৮১ দিন আগেই তার কার্যকাল শেষ হয়। ছুটির চিঠিতে এস কে সিনহা অসুস্থতার কথা উল্লেখ করলেও বিদেশ যাওয়ার সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। এস কে সিনহা ছুটিতে যাওয়ার পর আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞাকে প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার দেন প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ। বিচারপতি সিনহা পদত্যাগ করায় প্রেসিডেন্ট এখন সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন জানিয়েছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বিএনপিকে ভোট দিয়ে অশান্তি ফিরিয়ে আনবে না জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

অভিযোগ মিথ্যা এতিমখানার টাকা আত্মসাৎ করিনি

আরো ব্লগার হত্যার হিটলিস্ট

আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা, অতঃপর...

ফের বেড়েছে বিদ্যুতের দাম

চাহিদা নেই, তবুও রাজউকের নতুন ফ্ল্যাট প্রকল্প

‘আনিসুল হককে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা ভিত্তিহীন’

মৌলভীবাজারে গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ভিডিএন চেয়ারম্যান ও এমডি

সিলেটে জামায়াতের ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’, জল্পনা

সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

রোহিঙ্গা জাতি নিধনের তুমুল সমালোচনা যুক্তরাষ্ট্রের

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

যশোর জেলা স্পেশাল জজের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

রোহিঙ্গা শব্দ ব্যবহার না করতে বলা হলো পোপকে

অসুস্থ রাজনীতি বাংলাদেশকে গ্রাস করছে: ড. কামাল হোসেন