পূজা উদযাপন ও ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন

এভাবে হামলা অব্যাহত থাকলে সংখ্যালঘুদের ভোটদান অনিশ্চিত হয়ে পড়বে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:১২
অতীতের ঘটনাগুলোর বিচার না হওয়ায় বার বার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা। বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ শুভ  লক্ষ্মণ নয়। নির্বাচনের আগে এসব ঘটনার বিচার না হলে ঐক্য পরিষদ নতুন করে চিন্তা করবে। এমনকি সংখ্যালঘুদের ভোটদান অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
গতকাল বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ যৌথভাবে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এদিকে কর্মসূচি চলাকালে ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে সংবাদ কর্মীদের দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার সাম্প্রদায়িক ধর্মান্ধ মৌলবাদী শক্তিসমূহের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে দৃঢ় ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হলে আগামী নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ে বিশেষভাবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করে তারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে। যা গণতন্ত্রের জন্য কোনোভাবেই শুভ হবে না। সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর এ ধরনের সাম্প্রদায়িক হামলা, নির্যাতন নিপীড়ন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সংসদ নির্বাচনে ভোটদানে তারা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়বে। এমনকি অংশ নেবেন কিনা তা তারা ভেবে দেখতে বাধ্য হবেন।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমি এসব কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত সেসব সামপ্রদায়িক গোষ্ঠী, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কারো বিচার চাইতে এখানে আসি নাই। কারণ আমি জানি বিচার চাইলে যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তারা সুরক্ষা পাবে। এবং যারা প্রশাসনে থাকবে পুলিশ ভাইয়েরা তাদের প্রমোশন হবে। বিচার কখনই দেশের মাটিতে হবে না। ২০১২ সালের পর থেকে এখানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। তাই আমি দাবি করবো উত্তম বড়ুয়ার ফাঁসি চাই, রস রাজের ফাঁসি চাই, আমি টিটু রায়ের ফাঁসি চাই। এদের ফাঁসি দিয়ে আপনি প্রমাণ করুন যে এই দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সমপ্রদায় আপনার দরকার নাই।
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা বলেন, জিরো টলারেন্স। জিরো টলারেন্সের নামে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের শূন্য কোটায় নামিয়ে দেয়ার জন্য সকল রকম অপকর্ম করা হচ্ছে।
মানববন্ধনে ঐক্যপরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ বলেন, খুলনার মাওলানার ফেসবুকের পোস্টে লাইক শেয়ার দেয়া হয়। প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার না করে নির্দোষ নিরক্ষর টিটুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এটা কোন ধরনের অবিচার। তিনি বলেন, আমাদের সম্পদ, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে সেগুলো হয়তো আবার নির্মাণ করে দিতে পারবেন। কিন্তু আমাদের মনের মন্দিরে যে ক্ষত সেটা কিভাবে নির্মাণ করবেন।
পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস পাল বলেন, রংপুরের হিন্দুদের বসতিতে হামলায় পুলিশ এগিয়ে এসেছে। না হলে আরো বড় ধরনের কিছু ঘটতে পারতো।
পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাশিষ বিশ্বাস বলেন, অতীতের ঘটনাগুলোর বিচার না হওয়ার কারণে বার বার এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দি মানুষ’

ফেনীতে সাড়ে ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

ছেলেকে হত্যার পর মায়ের স্বীকারোক্তি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নিখোঁজ

নাখালপাড়ায় নিহত এক ‘জঙ্গি’ কাজেম আলী স্কুলের ছাত্র

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন

অর্থমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পথচারীদের ওপর, আহত ৩০

রেকর্ড গড়া জয় বাংলাদেশের

নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন গ্রেপ্তার

আইভীকে হাসপাতালে দেখে আসলেন ওবায়দুল

তিস্তা কূটনীতিতে চোখ ঢাকার

ভারতের পাশাপাশি মুসলিম দেশগুলোর অব্যাহত সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যার রিট শুনানি ফের পেছালো

যশোরে বিএনপি নেতা অমিতের বক্তব্যে তোলপাড়