জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলবে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৪
আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দেয়া সুপ্রিম কোর্টের চিঠির বিষয়ে জারি করা রুল সাতটি পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি 
এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ের ফলে জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, এটি আপিল বিভাগের প্রশাসনিক চিঠি। এটি সুপ্রিম কোর্টের কোনো মতামত নয়। এতে সর্বোচ্চ আদালতের ভাবমূর্তি এবং মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
রায়ে আদালত জানান, ফৌজদারি আইনে একমাত্র দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্ট ছাড়া কেউ দায়মুক্ত নন। এর আগে গত ৩১শে অক্টোবর রুলের শুনানি শেষ হলে রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে মর্মে তা অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, উল্লিখিত চিঠিটি সুপ্রিম কোর্টের কোনো মতামত নয়। এটি আপিল বিভাগের প্রশাসন তার এখতিয়ার বলে দিয়েছে। আদালত বলেন, চিঠিটি দেয়া সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন দুদকের চাওয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দুদককে সরবরাহ করেছে। বাস্তবতা হলো, দুদক তার অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। তাই সাতদফা পর্যবেক্ষণসহ রুল নিষ্পত্তি করে দেয়া হলো। আদালত বলেন, এই চিঠি এই বার্তা দেয় যে ফৌজদারি আইন থেকে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা দায়মুক্ত। কিন্তু বিষয়টি তা নয়, একমাত্র দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্ট ছাড়া কেউই দায়মুক্ত নন।
আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান বন্ধে দুদককে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দেয়া চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- এ মর্মে গত ৯ই অক্টোবর রুল জারি করেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, আপিল বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার, দুদকের চেয়ারম্যান ও বিচারপতি জয়নুল আবেদীনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয় আদেশে। ১৯শে অক্টোবর রুলের শুনানি শুরু হয়। এই মামলার শুনানির জন্য মনোনীত তিন অ্যামিকাস কিউরি- সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এ এম আমিন উদ্দিন গত ২৪ ও ৩১শে অক্টোবর পর্যায়ক্রমে তাদের মতামত তুলে ধরেন। সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মইনুল হোসেন। আর দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
জয়নুল আবেদীন ১৯৯১ সালে হাইকোটের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৯ সালে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে তিনি অবসরে যান। তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সন্দেহে সম্পদের হিসাব চেয়ে ২০১০ সালের ১৮ই জুলাই তাকে নোটিশ দেয় দুদক।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

কলেজে এসকেলেটর বিলাস, ৪৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প

ইইউয়ে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ

ফাইনালে বাংলাদেশ হাথুরুকেও জবাব

আইভীর অবস্থা স্থিতিশীল, দেখতে গেলেন কাদের

শামীম ওসমানের বক্তব্যে তোলপাড় নানা প্রশ্ন

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সভাপতি হলে তুই মাত করে দিবি’

চট্টগ্রামে বেপরোয়া অর্ধশত কিশোর গ্যাং

তুরাগতীরে লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

দু’দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা

পিয়াজের কেজি এখনো ৬৫-৭০ টাকা

নির্বাচন চাইলে সরকার আপিল বিভাগে যেতো

‘বাংলাদেশ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে’

‘শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দি মানুষ’

ফেনীতে সাড়ে ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

ছেলেকে হত্যার পর মায়ের স্বীকারোক্তি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নিখোঁজ